বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যে দড়ি বেঁধে চলছে প্রশাসনের মেলা, শুকানো হচ্ছে লুঙ্গিও
মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তানদের প্রতি অবমাননা ও উদাসীনতার এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে। উদ্যানের প্রবেশপথে স্থাপিত সাত বীরশ্রেষ্ঠর আবক্ষ ভাস্কর্যের সঙ্গে দড়ি বেঁধে বিসিক মেলার স্টল নির্মাণ করা হয়েছে।
ভাস্কর্যগুলোকে খুঁটি হিসেবে ব্যবহার করে এমন কাঠামো দাঁড় করানোয় স্থানীয় বাসিন্দা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
শুধু তাই নয়, দেখা যাচ্ছে সেই দড়িতে শুকানো হচ্ছে লুঙ্গি, গেঞ্জিসহ কাপড়চোপড়।
সরেজমিনে দেখা যায়, চলমান বিসিক মেলার অস্থায়ী স্টলগুলো পরিকল্পনাহীনভাবে স্থাপন করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে থাকা বীরশ্রেষ্ঠদের সাতটি ভাস্কর্যের সঙ্গে বাঁশ ও দড়ি বেঁধে ত্রিপল টাঙানো হয়েছে। কোথাও ভাস্কর্যের গলার ওপর দিয়ে দড়ি টানা, আবার কোথাও গায়ে বাঁশ ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। জাতির
শ্রেষ্ঠ সন্তানদের
স্মৃতির প্রতি এমন ব্যবহারকে স্থানীয়রা চরম অসম্মানজনক বলে মন্তব্য করেছেন। স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মো. আফজাল হোসেন বলেন, “২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের পর সারাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর যে নিপীড়ন-লাঞ্ছনা করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক-ভাস্কর্য ধ্বংস করা হয়েছে, এবং এ নিয়ে সরকার-প্রশাসনের যে নীরবতা দেখা গেছে, এটা তারই ধারাবাহিকতা।” তিনি আরও বলেন, “যাঁদের আত্মত্যাগে এই দেশ স্বাধীন, তাঁদের ভাস্কর্যকে স্টলের খুঁটি বানানো অত্যন্ত লজ্জাজনক। এটি শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, আমাদের জাতীয় মূল্যবোধের অবমাননা।” জেলার কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মেলার অনুমতি দেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল এই স্মারকগুলোর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা। তাঁরা এসময় দ্রুত স্টল সরিয়ে নেওয়া ও দায়ীদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। স্থানীয় কয়েকটি
সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনাকে ইচ্ছেকৃত এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতিহিংসামূলক বলেও মত দিয়েছেন। মেলা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, স্থান সংকুলানের অভাবে এভাবে স্টল স্থাপন করা হয়েছে। তবে অভিযোগ ওঠার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা। টাঙ্গাইল পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্মৃতির প্রতি এমন ব্যবহারকে স্থানীয়রা চরম অসম্মানজনক বলে মন্তব্য করেছেন। স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মো. আফজাল হোসেন বলেন, “২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের পর সারাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর যে নিপীড়ন-লাঞ্ছনা করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক-ভাস্কর্য ধ্বংস করা হয়েছে, এবং এ নিয়ে সরকার-প্রশাসনের যে নীরবতা দেখা গেছে, এটা তারই ধারাবাহিকতা।” তিনি আরও বলেন, “যাঁদের আত্মত্যাগে এই দেশ স্বাধীন, তাঁদের ভাস্কর্যকে স্টলের খুঁটি বানানো অত্যন্ত লজ্জাজনক। এটি শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, আমাদের জাতীয় মূল্যবোধের অবমাননা।” জেলার কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মেলার অনুমতি দেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল এই স্মারকগুলোর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা। তাঁরা এসময় দ্রুত স্টল সরিয়ে নেওয়া ও দায়ীদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। স্থানীয় কয়েকটি
সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনাকে ইচ্ছেকৃত এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতিহিংসামূলক বলেও মত দিয়েছেন। মেলা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, স্থান সংকুলানের অভাবে এভাবে স্টল স্থাপন করা হয়েছে। তবে অভিযোগ ওঠার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা। টাঙ্গাইল পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



