ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাজেট ২০২৬-২৭: একদিকে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ, অন্যদিকে রেকর্ড পরিমাণ ঘাটতি
টানা দুই সপ্তাহ ধরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন, কারণ কী?
আসন্ন বাজেটে চাল-ডালসহ নিত্যপণ্যে বাড়তি করের প্রস্তাব
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো নেই, সামনে সমূহ বিপদ
জেট ফুয়েলের নতুন দাম নির্ধারণ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন
স্বস্তি সাধারণ করদাতাদের, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল
চসিক যেন ‘শাহাদাত এন্টারপ্রাইজ’: টেন্ডার ছাড়াই কোটি কোটি টাকার গরুর হাট বাটোয়ারা!
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) এখন ওপেন টেন্ডার বা উন্মুক্ত দরপত্রের কোনো বালাই নেই। চসিক অনুমোদিত ৮টি পশুর হাটের মধ্যে ৫টিই কোনো রকম টেন্ডার ছাড়াই সরাসরি তুলে দেওয়া হয়েছে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে। আর এই হরিলুটের কারণে গত বছরের তুলনায় কেবল এই ৫টি হাট থেকেই চসিকের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।
সচেতন মহলের দাবি, উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হলে এই হাটগুলো থেকে অন্তত ৩-৪ কোটি টাকা আয় করতে পারত সিটি কর্পোরেশন। চসিকের এই করুণ দশাকে সাধারণ মানুষ এখন ক্ষোভের সাথে দেখছেন এবং একে রসিকতা করে বলছেন— এটি কোনো সিটি কর্পোরেশন নয়, যেন এক “শাহাদাত এন্টারপ্রাইজ”!
নামমাত্র মূল্যে যেভাবে চলল হাটের ‘বাটোয়ারা’
অনুসন্ধানে
দেখা গেছে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় পানির দরে দলীয় নেতাদের পশুর হাট লিজ দেওয়া হয়েছে। চসিকের রাজস্বের পকেট কেটে যেভাবে পকেট ভারী করা হয়েছে দলীয় ক্যাডার ও নেতাদের: আউটার রিং রোডের পাশে সিডিএ বালুর মাঠ: ২০২৪ সালে এই হাটের ইজারামূল্য ছিল ২ কোটি ২২ লাখ টাকা। গত বছরও এটি ইজারা দেওয়া হয়েছিল ১ কোটি ৩০ লাখ টাকায়। অথচ এবার কোনো টেন্ডার ছাড়াই মাত্র ৭০ লাখ টাকায় এই বিশাল হাট বরাদ্দ পেয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। মুনির নগর আনন্দবাজার সংলগ্ন রিং রোডের মাঠ: গত বছর এই হাট থেকে সিটি কর্পোরেশনের আয় হয়েছিল ২০ লাখ ৫ হাজার টাকা। এবার দরপত্র ছাড়া
মাত্র ৫ লাখ টাকায় এটি বরাদ্দ পেয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হাসান মুরাদ। উত্তর পতেঙ্গা হোসেন আহম্মদ পাড়া টিএসপি মাঠ: গতবার ইজারামূল্য ছিল ১৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এবার যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মো. পারভেজকে এটি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৯ লাখ ২০ হাজার টাকায়। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতসংলগ্ন আলমগীর সাহেবের বালুর মাঠ: দরপত্র ছাড়াই গতবারের মতো এবারও ৫ লাখ ১০ হাজার টাকায় এটি বরাদ্দ পেয়েছেন চট্টগ্রাম নগর কৃষক দলের সভাপতি মো. আলমগীর। উত্তর হালিশহর গলাচিপা পাড়া বারুনিঘাটা মাঠ: এই নতুন হাটটি সাড়ে ১২ লাখ টাকায় সরাসরি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে হালিশহর থানা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত জসীম উদ্দিনকে। নেতাকর্মী বেকার বলে বিলিয়ে দিতে হবে চসিকের
সম্পদ? চট্টগ্রাম শহরে বিএনপি-জামায়াতের বর্তমান এমপিরা এবং রাজনৈতিক নেতারা নেপথ্যে বসে কে কী করছেন, তার সবকিছুই এখন ওপেন সিক্রেট। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত এসে এসব জুলুমের কথা জানাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের খুশি রাখতে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে নিজের লোকদের চাকরি দেওয়া, কাউকে ময়লা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ, কাউকে খাস জায়গা, কাউকে রেলওয়ের জায়গা, কাউকে লিজ, কাউকে পিলার, কাউকে বিলবোর্ড, আবার কাউকে বদলি বাণিজ্য ও গরুর বাজারের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। চসিকের রাজস্বকে যেন দলীয় পুনর্বাসন কেন্দ্র বানানো হয়েছে। সত্য বললেই হুমকির মুখে সাংবাদিক ও সচেতনমহল জনগণের কোটি কোটি টাকা লুটের এই চিত্র তুলে ধরলেই তেড়ে আসছে বাটোয়ারার শরিক দল। রাজনৈতিক অঙ্গনের এক শীর্ষ
নেতা ‘হুক্কা হুয়া’ করে ডাক দিলেই বাকি শরিকরা ‘ক্যায়া হুয়া ক্যায়া হুয়া’ বলে তেড়ে আসছে। সম্মিলিতভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিকদের। সাম্প্রতিক সময়ে এই সিন্ডিকেটের লুটপাটের খবর প্রকাশ করায় সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং বলা হচ্ছে— “আরিফ মঈনুদ্দিনকে দেখে নিব।” তবে এই ফাঁকা হুমকিতে সত্যের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। সচেতন নাগরিক সমাজের স্পষ্ট বার্তা— জনগণের ট্যাক্সের টাকা নিয়ে এই লুটপাট অবিলম্বে থামাতে হবে। নতুবা, ধমক দিয়ে বা হুমকি দিয়ে পার পাওয়া যাবে না; সময় এলে এই চোর-লুটেরাদের জনগণই সঠিক শিক্ষা দিয়ে ‘দেখে নিবে’।
দেখা গেছে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় পানির দরে দলীয় নেতাদের পশুর হাট লিজ দেওয়া হয়েছে। চসিকের রাজস্বের পকেট কেটে যেভাবে পকেট ভারী করা হয়েছে দলীয় ক্যাডার ও নেতাদের: আউটার রিং রোডের পাশে সিডিএ বালুর মাঠ: ২০২৪ সালে এই হাটের ইজারামূল্য ছিল ২ কোটি ২২ লাখ টাকা। গত বছরও এটি ইজারা দেওয়া হয়েছিল ১ কোটি ৩০ লাখ টাকায়। অথচ এবার কোনো টেন্ডার ছাড়াই মাত্র ৭০ লাখ টাকায় এই বিশাল হাট বরাদ্দ পেয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। মুনির নগর আনন্দবাজার সংলগ্ন রিং রোডের মাঠ: গত বছর এই হাট থেকে সিটি কর্পোরেশনের আয় হয়েছিল ২০ লাখ ৫ হাজার টাকা। এবার দরপত্র ছাড়া
মাত্র ৫ লাখ টাকায় এটি বরাদ্দ পেয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হাসান মুরাদ। উত্তর পতেঙ্গা হোসেন আহম্মদ পাড়া টিএসপি মাঠ: গতবার ইজারামূল্য ছিল ১৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এবার যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মো. পারভেজকে এটি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৯ লাখ ২০ হাজার টাকায়। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতসংলগ্ন আলমগীর সাহেবের বালুর মাঠ: দরপত্র ছাড়াই গতবারের মতো এবারও ৫ লাখ ১০ হাজার টাকায় এটি বরাদ্দ পেয়েছেন চট্টগ্রাম নগর কৃষক দলের সভাপতি মো. আলমগীর। উত্তর হালিশহর গলাচিপা পাড়া বারুনিঘাটা মাঠ: এই নতুন হাটটি সাড়ে ১২ লাখ টাকায় সরাসরি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে হালিশহর থানা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত জসীম উদ্দিনকে। নেতাকর্মী বেকার বলে বিলিয়ে দিতে হবে চসিকের
সম্পদ? চট্টগ্রাম শহরে বিএনপি-জামায়াতের বর্তমান এমপিরা এবং রাজনৈতিক নেতারা নেপথ্যে বসে কে কী করছেন, তার সবকিছুই এখন ওপেন সিক্রেট। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত এসে এসব জুলুমের কথা জানাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের খুশি রাখতে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে নিজের লোকদের চাকরি দেওয়া, কাউকে ময়লা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ, কাউকে খাস জায়গা, কাউকে রেলওয়ের জায়গা, কাউকে লিজ, কাউকে পিলার, কাউকে বিলবোর্ড, আবার কাউকে বদলি বাণিজ্য ও গরুর বাজারের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। চসিকের রাজস্বকে যেন দলীয় পুনর্বাসন কেন্দ্র বানানো হয়েছে। সত্য বললেই হুমকির মুখে সাংবাদিক ও সচেতনমহল জনগণের কোটি কোটি টাকা লুটের এই চিত্র তুলে ধরলেই তেড়ে আসছে বাটোয়ারার শরিক দল। রাজনৈতিক অঙ্গনের এক শীর্ষ
নেতা ‘হুক্কা হুয়া’ করে ডাক দিলেই বাকি শরিকরা ‘ক্যায়া হুয়া ক্যায়া হুয়া’ বলে তেড়ে আসছে। সম্মিলিতভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিকদের। সাম্প্রতিক সময়ে এই সিন্ডিকেটের লুটপাটের খবর প্রকাশ করায় সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং বলা হচ্ছে— “আরিফ মঈনুদ্দিনকে দেখে নিব।” তবে এই ফাঁকা হুমকিতে সত্যের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। সচেতন নাগরিক সমাজের স্পষ্ট বার্তা— জনগণের ট্যাক্সের টাকা নিয়ে এই লুটপাট অবিলম্বে থামাতে হবে। নতুবা, ধমক দিয়ে বা হুমকি দিয়ে পার পাওয়া যাবে না; সময় এলে এই চোর-লুটেরাদের জনগণই সঠিক শিক্ষা দিয়ে ‘দেখে নিবে’।



