ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মোদিবিরোধী তাণ্ডবের পর হেফাজতের উগ্রবাদীদের ধরিয়ে নেওয়া সেই দর্জিকে প্রকাশ্যে গুলি করে, কুপিয়ে হত্যা
দক্ষিণখানে দুই বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
চাচার বাড়ি থেকে ফেরার পথে শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভিডিও ভাইরাল
১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ইমাম আটক
অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, নিয়ে গেছে মোবাইল-টাকা
ইয়াবা সেবনের আসরে যুবককে গুলি করে হত্যা
বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় ‘শারমিনকে’ হত্যা করে ভারতে পালাচ্ছিলেন প্রেমিক
ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে আলোচিত শারমিন আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
তাদের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ককে বিয়েতে রূপ দিতে চাপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে শারমিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে প্রেমিক মাসুম ইসলাম। হত্যার পর মাসুম আত্মগোপনে গিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন।
তবে পুলিশের প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে কুড়িগ্রাম সীমান্ত থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাকে ১৪ জুলাই গ্রেফতার করে।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা জেলা পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এনএম মোর্শেদ।
তিনি বলেন, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শারমিন আক্তার সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশী এলাকায় কন্যাসন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।
এ সময় মাসুম ইসলামের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে শারমিন বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে মাসুম তা এড়িয়ে যান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ২ জুলাই মাসুম শারমিনের বাসায় এসে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যান মাসুম। ঘটনার পরদিন ৩ জুলাই নিহতের বাবা বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় পরবর্তীতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তভারের দায়িত্ব পায়। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এনএম মোর্শেদ বলেন, মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড, অবস্থান বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা
তথ্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হয়। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া যায়, হত্যার পর মাসুম ইসলাম কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত হত্যার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার তদন্ত শেষ করে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি চলছে।
এ সময় মাসুম ইসলামের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে শারমিন বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে মাসুম তা এড়িয়ে যান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ২ জুলাই মাসুম শারমিনের বাসায় এসে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যান মাসুম। ঘটনার পরদিন ৩ জুলাই নিহতের বাবা বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় পরবর্তীতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তভারের দায়িত্ব পায়। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এনএম মোর্শেদ বলেন, মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড, অবস্থান বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা
তথ্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হয়। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া যায়, হত্যার পর মাসুম ইসলাম কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত হত্যার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার তদন্ত শেষ করে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি চলছে।



