ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডাকসুর দেয়ালে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন: ছাত্র মৈত্রীর ক্ষোভ
মব হামলায় ক্যাম্পাসছাড়া, পাননি প্রশাসনের সহায়তা: ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসীনের
হাতিয়ার সেই বিদ্যালয়ে আবারও ঝাঁজালো গন্ধ, অসুস্থ ২০ শিক্ষার্থী
ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ঢাবি প্রশাসন
রাবির সাবেক শিক্ষার্থীকে হানি ট্র্যাপে ফেলে মুক্তিপণ আদায়, গ্রেফতার ৪
ইবিতে পরীক্ষায় নকলসহ ধরা ছাত্রদল নেতা
কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা ২ জানুয়ারি, নেতৃত্বে শেকৃবি
ডাকসুতে ছেঁড়া হলো জিন্নাহর ছবি, টাঙানো হলো রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটার ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার দুপুরে সংগ্রহশালায় গিয়ে ছবিটির ফ্রেম ভেঙে ছবি ছিঁড়ে ফেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।
পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা সেখানে ১৯৮১ সালে বায়তুল মোকাররমে কুখ্যাত রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটা করার একটি ছবি টাঙিয়ে দেন।
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়া ওই শিক্ষার্থীর নাম আবু তৈয়ব হাবিলদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১–০২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে উর্দু বিভাগের চতুর্থ বর্ষে পড়ছেন। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রার্থী হিসেবে সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি।
আবু তৈয়ব হাবিলদার বলেন, ‘এই খলনায়কের ছবি কেন ডাকসুতে থাকবে? একাত্তর ও ভাষা সংগ্রাম আমরা ভুলিনি।’
তাঁর
প্রশ্ন, ডাকসুর নির্বাচনী ইশতেহারে জিন্নাহকে নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠার কোনো কথা ছিল কি না। এর আগে গতকাল রোববার সংস্কার শেষে ডাকসুর সংগ্রহশালা চালু করা হয়। সেখানে নতুন করে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি যুক্ত করা হয়েছিল। এর একটি ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জিন্নাহর বক্তব্যের ছবি। ওই বক্তব্যে তিনি পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। অন্য একটি ছবি ১৯৪০ সালের মার্চে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক সম্মেলনের দলগত ছবি, যেখানে জিন্নাহ ছিলেন। তৃতীয়টি ১৯৭০ সালের নির্বাচন নিয়ে পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পেপার কাটিং, যাতে জিন্নাহর ছবি ছিল। সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে গতকালই বিতর্ক তৈরি
হয়। ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেছিলেন, সেখানে জিন্নাহর কোনো একক ছবি রাখা হয়নি। ১৯০৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনার ছবি একক ফ্রেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আজ জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলার পর সংগ্রহশালায় রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটা করার ছবি টাঙিয়ে দেন ছাত্র ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা। ছবিটি ১৯৮১ সালের একটি ঘটনার। ওই ছবিতে বায়তুল মোকাররমে রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটা করতে দেখা যায়। ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অর্ক বড়ুয়া বলেন, ‘গতকাল ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেছিল, তার ইচ্ছা হয়েছে, তাই জিন্নাহর ছবি লাগিয়েছে। ঠিক তেমনই আমাদের ইচ্ছা করেছে রাজাকার গোলাম আযমের ছবি লাগাতে, তাই লাগিয়েছি।’ এদিকে জিন্নাহর
ছবি ভেঙে ফেলার ঘটনায় ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক শিবির নেতা এস এম ফরহাদ বলেন, পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে ঘোষণার বিষয়ে জিন্নাহর দেওয়া বক্তব্য সংগ্রহশালায় রাখার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান তুলে ধরা। এস এম ফরহাদ বলেন, ‘ইতিহাস গোপন করা মানে তা উন্মোচন করার পরিবর্তে জিন্নাহর পক্ষ নেওয়া।’ শিক্ষার্থীরা কেন ছবিটি ভেঙেছেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না বলেও মন্তব্য করেন। জিন্নাহর ছবি রাখার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলও। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি যুক্ত করার ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরে যাওয়ার লক্ষণ।
প্রশ্ন, ডাকসুর নির্বাচনী ইশতেহারে জিন্নাহকে নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠার কোনো কথা ছিল কি না। এর আগে গতকাল রোববার সংস্কার শেষে ডাকসুর সংগ্রহশালা চালু করা হয়। সেখানে নতুন করে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি যুক্ত করা হয়েছিল। এর একটি ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জিন্নাহর বক্তব্যের ছবি। ওই বক্তব্যে তিনি পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। অন্য একটি ছবি ১৯৪০ সালের মার্চে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক সম্মেলনের দলগত ছবি, যেখানে জিন্নাহ ছিলেন। তৃতীয়টি ১৯৭০ সালের নির্বাচন নিয়ে পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পেপার কাটিং, যাতে জিন্নাহর ছবি ছিল। সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে গতকালই বিতর্ক তৈরি
হয়। ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেছিলেন, সেখানে জিন্নাহর কোনো একক ছবি রাখা হয়নি। ১৯০৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনার ছবি একক ফ্রেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আজ জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলার পর সংগ্রহশালায় রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটা করার ছবি টাঙিয়ে দেন ছাত্র ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা। ছবিটি ১৯৮১ সালের একটি ঘটনার। ওই ছবিতে বায়তুল মোকাররমে রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটা করতে দেখা যায়। ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অর্ক বড়ুয়া বলেন, ‘গতকাল ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেছিল, তার ইচ্ছা হয়েছে, তাই জিন্নাহর ছবি লাগিয়েছে। ঠিক তেমনই আমাদের ইচ্ছা করেছে রাজাকার গোলাম আযমের ছবি লাগাতে, তাই লাগিয়েছি।’ এদিকে জিন্নাহর
ছবি ভেঙে ফেলার ঘটনায় ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক শিবির নেতা এস এম ফরহাদ বলেন, পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে ঘোষণার বিষয়ে জিন্নাহর দেওয়া বক্তব্য সংগ্রহশালায় রাখার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান তুলে ধরা। এস এম ফরহাদ বলেন, ‘ইতিহাস গোপন করা মানে তা উন্মোচন করার পরিবর্তে জিন্নাহর পক্ষ নেওয়া।’ শিক্ষার্থীরা কেন ছবিটি ভেঙেছেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না বলেও মন্তব্য করেন। জিন্নাহর ছবি রাখার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলও। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি যুক্ত করার ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরে যাওয়ার লক্ষণ।



