ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঋণের সুদ কমলেও বিনিয়োগে গতি নেই
পুঁজিবাজারে আস্থার সংকট, বিক্রির চাপে ক্রেতা কম
খেলাপি ঋণের চাপে ১৫ ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা
মাছ-মুরগি-ডিমের চড়া দাম: বাড়তি টাকা দিয়েও মিলছে না বোতলজাত ভোজ্যতেল
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দরপতন
তিন মাসে ব্যাংকে কোটির বেশি টাকার হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার
মূল্যস্ফীতি, ব্যবসা-বাণিজ্যে ধীরগতি এবং মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার মধ্যেও দেশের ব্যাংক খাতে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে এ ধরনের হিসাব বেড়েছে ৫ হাজারের বেশি। একই সময়ে এসব হিসাবে জমা অর্থও বেড়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মার্চ শেষে ব্যাংক খাতে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৫। জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৬২টিতে। অর্থাৎ তিন মাসে এ ধরনের হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার ৭৭টি।
এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর শেষে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা ব্যাংক
হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪টি। অর্থাৎ ছয় মাসে এ ধরনের হিসাব বেড়েছে ৭ হাজার ৫১৮টি। তবে ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবকে সরাসরি ‘কোটিপতির সংখ্যা’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ এসব হিসাবে ব্যক্তি ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ রয়েছে। একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংক হিসাবও পরিচালনা করতে পারে। ১৬ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, মার্চ শেষে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবগুলোতে মোট আমানতের স্থিতি ছিল ৮ লাখ ৫৯ হাজার ১৬২ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৭৫ হাজার ৬৬০ কোটি টাকায়। তিন মাসে এসব হিসাবে
আমানত বেড়েছে ১৬ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধু হিসাবের সংখ্যা নয়, এসব হিসাবে থাকা অর্থের পরিমাণও বেড়েছে। তবে মোট আমানত বৃদ্ধির সঙ্গে এর তুলনা করলে বোঝা যায়, ব্যাংক খাতে আমানত বৃদ্ধির একটি বড় অংশ উচ্চ অঙ্কের হিসাবগুলোতেই জমা হচ্ছে কি না—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন—এই তিন মাসে ব্যাংক খাতে মোট আমানত বেড়েছে ৫২ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। মার্চ শেষে মোট আমানতের স্থিতি ছিল ২১ লাখ ৫৮ হাজার ২৪ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে হয়েছে ২২ লাখ ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা। একই সময়ে ব্যাংক হিসাবের মোট সংখ্যাও বেড়েছে। মার্চ শেষে মোট হিসাব ছিল ১৮ কোটি ২৬ লাখ ১২
হাজার ১৫টি। জুন শেষে তা বেড়ে হয়েছে ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮৮টি। তিন মাসে হিসাব বেড়েছে ৩৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৩টি। বৈষম্যের চিত্র কতটা স্পষ্ট ব্যাংক খাতে উচ্চ অঙ্কের আমানত বাড়ার প্রবণতা এমন এক সময়ে দেখা যাচ্ছে, যখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো চাপে রয়েছে। দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে, অন্যদিকে ব্যবসা-বিনিয়োগে দুর্বলতা ও কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তাও রয়েছে। এই বাস্তবতায় ব্যাংকে বড় অঙ্কের আমানত বৃদ্ধির তথ্য অর্থনীতিতে সম্পদ ও আয়ের বণ্টন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলতে পারে। তবে শুধু ব্যাংকের হিসাবের সংখ্যা দিয়ে দেশে ধনী মানুষের সংখ্যা বা সম্পদবৈষম্যের সঠিক চিত্র পাওয়া যায় না। একজন ব্যক্তির একাধিক ব্যাংক হিসাব থাকতে
পারে। আবার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাব, সরকারি সংস্থার হিসাব কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালন তহবিলও এই পরিসংখ্যানের মধ্যে রয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, তাই ‘কোটিপতি হিসাব’ বৃদ্ধিকে মানুষের ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধির সরাসরি সূচক হিসেবে দেখলে ভুল হতে পারে। বরং এটি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় উচ্চ অঙ্কের অর্থের কেন্দ্রীভবনের একটি চিত্র দেয়। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিসংখ্যানের সঙ্গে আমানতের ধরন, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাব আলাদা করা এবং একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেলে সম্পদের বণ্টন সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেত। বর্তমানে ব্যাংক খাতে মোট আমানত বাড়লেও সেই অর্থ কতটা উৎপাদনশীল বিনিয়োগে যাচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ অঙ্কের আমানত যদি বিনিয়োগের বদলে ব্যাংকে পড়ে থাকে, তাহলে তা অর্থনীতিতে
চাহিদা ও উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ভূমিকা নাও রাখতে পারে। ফলে ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবের সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার তথ্য একদিকে দেশে বড় অঙ্কের আমানতকারীর উপস্থিতির চিত্র তুলে ধরছে, অন্যদিকে অর্থনীতিতে অর্থের বণ্টন ও বিনিয়োগে তার ব্যবহারের প্রশ্নও সামনে আনছে।
হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪টি। অর্থাৎ ছয় মাসে এ ধরনের হিসাব বেড়েছে ৭ হাজার ৫১৮টি। তবে ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবকে সরাসরি ‘কোটিপতির সংখ্যা’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ এসব হিসাবে ব্যক্তি ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ রয়েছে। একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংক হিসাবও পরিচালনা করতে পারে। ১৬ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, মার্চ শেষে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবগুলোতে মোট আমানতের স্থিতি ছিল ৮ লাখ ৫৯ হাজার ১৬২ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৭৫ হাজার ৬৬০ কোটি টাকায়। তিন মাসে এসব হিসাবে
আমানত বেড়েছে ১৬ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধু হিসাবের সংখ্যা নয়, এসব হিসাবে থাকা অর্থের পরিমাণও বেড়েছে। তবে মোট আমানত বৃদ্ধির সঙ্গে এর তুলনা করলে বোঝা যায়, ব্যাংক খাতে আমানত বৃদ্ধির একটি বড় অংশ উচ্চ অঙ্কের হিসাবগুলোতেই জমা হচ্ছে কি না—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন—এই তিন মাসে ব্যাংক খাতে মোট আমানত বেড়েছে ৫২ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। মার্চ শেষে মোট আমানতের স্থিতি ছিল ২১ লাখ ৫৮ হাজার ২৪ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে হয়েছে ২২ লাখ ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা। একই সময়ে ব্যাংক হিসাবের মোট সংখ্যাও বেড়েছে। মার্চ শেষে মোট হিসাব ছিল ১৮ কোটি ২৬ লাখ ১২
হাজার ১৫টি। জুন শেষে তা বেড়ে হয়েছে ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮৮টি। তিন মাসে হিসাব বেড়েছে ৩৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৩টি। বৈষম্যের চিত্র কতটা স্পষ্ট ব্যাংক খাতে উচ্চ অঙ্কের আমানত বাড়ার প্রবণতা এমন এক সময়ে দেখা যাচ্ছে, যখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো চাপে রয়েছে। দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে, অন্যদিকে ব্যবসা-বিনিয়োগে দুর্বলতা ও কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তাও রয়েছে। এই বাস্তবতায় ব্যাংকে বড় অঙ্কের আমানত বৃদ্ধির তথ্য অর্থনীতিতে সম্পদ ও আয়ের বণ্টন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলতে পারে। তবে শুধু ব্যাংকের হিসাবের সংখ্যা দিয়ে দেশে ধনী মানুষের সংখ্যা বা সম্পদবৈষম্যের সঠিক চিত্র পাওয়া যায় না। একজন ব্যক্তির একাধিক ব্যাংক হিসাব থাকতে
পারে। আবার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাব, সরকারি সংস্থার হিসাব কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালন তহবিলও এই পরিসংখ্যানের মধ্যে রয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, তাই ‘কোটিপতি হিসাব’ বৃদ্ধিকে মানুষের ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধির সরাসরি সূচক হিসেবে দেখলে ভুল হতে পারে। বরং এটি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় উচ্চ অঙ্কের অর্থের কেন্দ্রীভবনের একটি চিত্র দেয়। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিসংখ্যানের সঙ্গে আমানতের ধরন, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাব আলাদা করা এবং একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেলে সম্পদের বণ্টন সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেত। বর্তমানে ব্যাংক খাতে মোট আমানত বাড়লেও সেই অর্থ কতটা উৎপাদনশীল বিনিয়োগে যাচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ অঙ্কের আমানত যদি বিনিয়োগের বদলে ব্যাংকে পড়ে থাকে, তাহলে তা অর্থনীতিতে
চাহিদা ও উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ভূমিকা নাও রাখতে পারে। ফলে ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকা হিসাবের সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার তথ্য একদিকে দেশে বড় অঙ্কের আমানতকারীর উপস্থিতির চিত্র তুলে ধরছে, অন্যদিকে অর্থনীতিতে অর্থের বণ্টন ও বিনিয়োগে তার ব্যবহারের প্রশ্নও সামনে আনছে।



