ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘বিয়ে হয়ে গেছে’ বলে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ
কেরানীগঞ্জে গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ব্ল্যাকমেইল ও ধর্ষণের অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিরুদ্ধে
ছেলে ছাত্রলীগ করায় ঘরে ঢুকে মাকে কুপিয়ে হত্যা, মহেশখালীতে আতঙ্ক
রাউজানে বিএনপির সমর্থককে গুলি করে হত্যা
চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণ গ্রেফতার ১
নোয়াখালীতে দিনেদুপুরে ব্যাংক এজেন্টের ১২ লাখ টাকা ছিনতাই: অস্ত্রের মুখে হাতকড়া পরিয়ে অপহরণ
চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
ব্যবসায়ী অপহরণ ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, শ্বশুর-জামাইসহ গ্রেফতার ৮
চট্টগ্রামে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবিতে অপহৃত এক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নগরী থেকে অপহরণের একদিন পর মীরসরাই উপজেলার মহামায়া লেকে বনবিভাগের একটি পরিত্যক্ত কটেজ থেকে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে শ্বশুর ও জামাইসহ অপহরণকারী চক্রের ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অপহৃত ব্যবসায়ীর নাম হেলাল উদ্দিন (৩৬)। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. শান্ত মিয়া, আবুল হাশেম, মো. আকরাম, মঈন উদ্দিন রায়হান, আমজাদ হোসেন, মাহবুব রহমান, মানিক হোসেন ও ফারুক।
বুধবার রাতে নগরীর আকবরশাহ, পাঁচলাইশ ও মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে আকরাম হলেন আবুল হাশেমের জামাতা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব
তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আবুল হাশেম ও আকরাম হেলাল উদ্দিনের ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে তারা শান্ত মিয়াকে ১ লাখ টাকায় ভাড়া করেন। শান্ত মিয়া তার সহযোগীদের নিয়ে হেলালকে অপহরণ করে মীরসরাই নিয়ে বন্দি করে রাখেন। সেখান থেকে অপহৃতের পরিবারের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে শান্ত মিয়া, আবুল হাশেম ও আকরামকে গ্রেফতার করে। আকরামের হেফাজত থেকে হেলালের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জের মহামায়া লেকে বন বিভাগের পরিত্যক্ত একটি কটেজ থেকে হেলালকে উদ্ধার করা
হয়। সেখান থেকে মঈন উদ্দিন রায়হান, আমজাদ হোসেন, মাহবুব রহমান, মানিক হোসেন ও ফারুককে গ্রেফতার করে পুলিশের অভিযান টিম। পাঁচলাইশ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, হেলাল নগরীর পাঁচলাইশের শুলকবহর রওশন বোর্ডিংয়ের পাশে গাড়ির গ্যারেজ পরিচালনা করেন। তার ব্যবসায়িক অংশীদার আবুল হাশেম, বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায় ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে হেলাল ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও আরও ৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এ টাকা আদায় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তিনি আরও বলেন, ৭ সেপ্টেম্বর বিকালে আবুল হাশেমসহ কয়েকজন হেলালকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরদিন অপহরণকারীরা হেলালের মোবাইল ফোন থেকে
তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারের ফোনে কল করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে হেলালকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহরণকারীদের গ্রেফতার ও অপহৃতকে উদ্ধার করে।
তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আবুল হাশেম ও আকরাম হেলাল উদ্দিনের ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে তারা শান্ত মিয়াকে ১ লাখ টাকায় ভাড়া করেন। শান্ত মিয়া তার সহযোগীদের নিয়ে হেলালকে অপহরণ করে মীরসরাই নিয়ে বন্দি করে রাখেন। সেখান থেকে অপহৃতের পরিবারের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে শান্ত মিয়া, আবুল হাশেম ও আকরামকে গ্রেফতার করে। আকরামের হেফাজত থেকে হেলালের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জের মহামায়া লেকে বন বিভাগের পরিত্যক্ত একটি কটেজ থেকে হেলালকে উদ্ধার করা
হয়। সেখান থেকে মঈন উদ্দিন রায়হান, আমজাদ হোসেন, মাহবুব রহমান, মানিক হোসেন ও ফারুককে গ্রেফতার করে পুলিশের অভিযান টিম। পাঁচলাইশ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, হেলাল নগরীর পাঁচলাইশের শুলকবহর রওশন বোর্ডিংয়ের পাশে গাড়ির গ্যারেজ পরিচালনা করেন। তার ব্যবসায়িক অংশীদার আবুল হাশেম, বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায় ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে হেলাল ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও আরও ৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এ টাকা আদায় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তিনি আরও বলেন, ৭ সেপ্টেম্বর বিকালে আবুল হাশেমসহ কয়েকজন হেলালকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরদিন অপহরণকারীরা হেলালের মোবাইল ফোন থেকে
তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারের ফোনে কল করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে হেলালকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহরণকারীদের গ্রেফতার ও অপহৃতকে উদ্ধার করে।



