ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণ গ্রেফতার ১
নোয়াখালীতে দিনেদুপুরে ব্যাংক এজেন্টের ১২ লাখ টাকা ছিনতাই: অস্ত্রের মুখে হাতকড়া পরিয়ে অপহরণ
চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে গৃহবধূর মরদেহ ধর্ষণের চেষ্টা, চালক আটক
প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই, বিমানবন্দর ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদকসহ গ্রেফতার ৩
পটিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটিয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও পৌনে আট লাখ টাকা লুট
৪ আগস্ট শিশু-ধর্ষণচেষ্টার দায়ে বেত্রাঘাত খেয়ে ১৯ দিন পর আরেক শিশুকে ধর্ষণ, জামায়াত কর্মী আটক
রাউজানে বিএনপির সমর্থককে গুলি করে হত্যা
চট্টগ্রামের রাউজানে মোহাম্মদ আবদুল করিম (৩৫) নামে এক ব্যক্তি গুলিতে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরানীহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুল করিমের রাজনৈতিক দলের কোনো পদ-পদবি ছিল না। তবে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাকে সমর্থক হিসেবে জানেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে তাকে যুবদল কর্মী হিসেবে সক্রিয়ভাবে দেখা যেত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
তবে কী কারণে আবদুল করিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ বলছেন, মাটি কাটার কাজের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। আবার কেউ বলছেন, মাদক ব্যবসার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সহযোগীদের সঙ্গে
বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে একাধিকবার কারাগারে যাওয়ার কথাও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহাজাহান সাহিল বলেন, নিহত আবদুল করিম যুবদলের কোনো পদধারী ছিলেন না। তিনি দলের কোনো পদে ছিলেন কিনা, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত নন। রাউজান থানার পুলিশ জানিয়েছে, নিহত আবদুল করিম উরকিরচর ইউনিয়নের হারপাড়া গ্রামের আরবান আলী বাড়ির আবদুল মন্নানের ছেলে। তার লাশ উদ্ধারের পর আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থানা থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি
তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবদুল করিমের সঙ্গে মাটি কাটার হিসাব ও মাদক ব্যবসার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে একই এলাকার একটি পক্ষের বিরোধ চলছিল। এসব বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা। স্থানীয় বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ আসলাম বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাটি কাটার কাজ নিয়ে বিরোধের জেরে আবদুল করিম প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে তারা ধারণা করছেন। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। অন্য একটি সূত্রের দাবি, আবদুল করিম গাড়ি চোর চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। ওই চক্রের সদস্যদের
সঙ্গে বিরোধের জেরেও তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা কামাল উদ্দিন হাবিবীও দাবি করেন, আবদুল করিম গাড়ি চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ওই চক্রের সদস্যদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন। চার মাসে বিএনপির আরও এক কর্মী নিহত রাউজানে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট বেতবুনিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি আবদুল মান্নানকে অপহরণের পর হত্যার মধ্য দিয়ে এ ধারাবাহিকতা শুরু হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল আলম চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা
হয়। এর প্রায় চার মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত আবদুল করিম নিহত হলেন। স্থানীয় সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাউজানে বিভিন্ন ঘটনায় এ নিয়ে ৩৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে এ হিসাবের স্বাধীন যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে একাধিকবার কারাগারে যাওয়ার কথাও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহাজাহান সাহিল বলেন, নিহত আবদুল করিম যুবদলের কোনো পদধারী ছিলেন না। তিনি দলের কোনো পদে ছিলেন কিনা, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত নন। রাউজান থানার পুলিশ জানিয়েছে, নিহত আবদুল করিম উরকিরচর ইউনিয়নের হারপাড়া গ্রামের আরবান আলী বাড়ির আবদুল মন্নানের ছেলে। তার লাশ উদ্ধারের পর আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থানা থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি
তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবদুল করিমের সঙ্গে মাটি কাটার হিসাব ও মাদক ব্যবসার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে একই এলাকার একটি পক্ষের বিরোধ চলছিল। এসব বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা। স্থানীয় বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ আসলাম বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাটি কাটার কাজ নিয়ে বিরোধের জেরে আবদুল করিম প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে তারা ধারণা করছেন। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। অন্য একটি সূত্রের দাবি, আবদুল করিম গাড়ি চোর চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। ওই চক্রের সদস্যদের
সঙ্গে বিরোধের জেরেও তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা কামাল উদ্দিন হাবিবীও দাবি করেন, আবদুল করিম গাড়ি চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ওই চক্রের সদস্যদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন। চার মাসে বিএনপির আরও এক কর্মী নিহত রাউজানে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট বেতবুনিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি আবদুল মান্নানকে অপহরণের পর হত্যার মধ্য দিয়ে এ ধারাবাহিকতা শুরু হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল আলম চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা
হয়। এর প্রায় চার মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত আবদুল করিম নিহত হলেন। স্থানীয় সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাউজানে বিভিন্ন ঘটনায় এ নিয়ে ৩৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে এ হিসাবের স্বাধীন যাচাই করা সম্ভব হয়নি।



