ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদন নিয়েও সংসদে বিতর্ক
শুভ জন্মাষ্টমী আজ
বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলে আবারও চিঠি
প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের ভিজিটিং কার্ডে করছাড় আবেদন: ছেলের প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ সুবিধা দাবি! রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ
ব্যক্তিগত জেট নয়, বিমানের লিজ নেওয়া বোয়িং নিয়ে বঙ্গবন্ধুর নামে অপপ্রচার
ট্রেনে ইন্টারনেট চালু হতেই চুরির মহোৎসব, উধাও স্টারলিংকের মূল্যবান যন্ত্র
ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লা হত্যা মামলায় পুলিশের খাতায় ‘নিখোঁজ’ লাবিব হলেন ছাত্রশক্তির সভাপতি
অক্সফোর্ড ম্যাট্রিক্স তুলে ধরে জাতিসংঘে জার্মান আওয়ামী লীগ: দল নিষিদ্ধকরণকে চ্যালেঞ্জ করে হস্তক্ষেপ আহ্বান
জার্মান আওয়ামী লীগ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারভিত্তিক সংস্থা অক্সফোর্ড ম্যাট্রিক্সের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা বিষয়ক অধিকার সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিনিধির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।
অভিযোগে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ, দলটির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন-পীড়ন এবং রাজনৈতিক অধিকারের লঙ্ঘনের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১১ই মে জারিকৃত সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং পরবর্তীতে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধনী) আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মী ও সমর্থক তাদের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অক্সফোর্ড ম্যাট্রিক্সের উপস্থাপিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, আওয়ামী
লীগ নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকে দলটির নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা হত্যা, নির্যাতন, রাজনৈতিক হয়রানি, বাড়িঘরে হামলা, সম্পত্তি দখল, দলবদ্ধ সহিংসতা এবং নির্বিচার গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, বহু ব্যক্তিকে দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর আইনি প্রতিকার ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। জাতিসংঘে দাখিলকৃত আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সভা, কাউন্সিল, জনসভা, রাজনৈতিক প্রচার, নেতৃত্ব নির্বাচন এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বহুত্ববাদ ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা মনে করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক ও
পেশাজীবীরাও বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন। একই সঙ্গে দেশের বাইরে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যেও ভীতি ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর হক খান এক বিবৃতিতে বলেন, “রাজনৈতিক সংগঠন করার অধিকার এবং শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অধিকার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। আমরা বিশ্বাস করি যে, আওয়ামী লীগের কোটি কোটি সমর্থক আজ সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত। এ কারণেই আমরা জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধির কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেছি এবং একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনা প্রত্যাশা করছি।” জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক আলী ভূঁইয়া বলেন, “এটি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের প্রশ্ন নয়; এটি গণতন্ত্র, বহুত্ববাদ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং
নাগরিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকারের প্রশ্ন। আমরা আশা করি জাতিসংঘের বিশেষ প্রক্রিয়া বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করবে এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবহিত করবে।” অভিযোগপত্রে অন্তর্বর্তী সরকার, পরবর্তী সরকারি কর্তৃপক্ষ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও তার সমর্থকদের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকারের ওপর গুরুতর হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। জার্মান আওয়ামী লীগের পক্ষে অক্সফোর্ড ম্যাট্রিক্স জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধির কাছে বিষয়টি তদন্ত, সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া এবং বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংগঠন ও সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
লীগ নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকে দলটির নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা হত্যা, নির্যাতন, রাজনৈতিক হয়রানি, বাড়িঘরে হামলা, সম্পত্তি দখল, দলবদ্ধ সহিংসতা এবং নির্বিচার গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, বহু ব্যক্তিকে দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর আইনি প্রতিকার ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। জাতিসংঘে দাখিলকৃত আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সভা, কাউন্সিল, জনসভা, রাজনৈতিক প্রচার, নেতৃত্ব নির্বাচন এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বহুত্ববাদ ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা মনে করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক ও
পেশাজীবীরাও বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন। একই সঙ্গে দেশের বাইরে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যেও ভীতি ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর হক খান এক বিবৃতিতে বলেন, “রাজনৈতিক সংগঠন করার অধিকার এবং শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অধিকার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। আমরা বিশ্বাস করি যে, আওয়ামী লীগের কোটি কোটি সমর্থক আজ সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত। এ কারণেই আমরা জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধির কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেছি এবং একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনা প্রত্যাশা করছি।” জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক আলী ভূঁইয়া বলেন, “এটি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের প্রশ্ন নয়; এটি গণতন্ত্র, বহুত্ববাদ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং
নাগরিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকারের প্রশ্ন। আমরা আশা করি জাতিসংঘের বিশেষ প্রক্রিয়া বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করবে এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবহিত করবে।” অভিযোগপত্রে অন্তর্বর্তী সরকার, পরবর্তী সরকারি কর্তৃপক্ষ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও তার সমর্থকদের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকারের ওপর গুরুতর হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। জার্মান আওয়ামী লীগের পক্ষে অক্সফোর্ড ম্যাট্রিক্স জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধির কাছে বিষয়টি তদন্ত, সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া এবং বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংগঠন ও সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।



