ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদন নিয়েও সংসদে বিতর্ক
শুভ জন্মাষ্টমী আজ
বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলে আবারও চিঠি
প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের ভিজিটিং কার্ডে করছাড় আবেদন: ছেলের প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ সুবিধা দাবি! রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ
ব্যক্তিগত জেট নয়, বিমানের লিজ নেওয়া বোয়িং নিয়ে বঙ্গবন্ধুর নামে অপপ্রচার
অক্সফোর্ড ম্যাট্রিক্স তুলে ধরে জাতিসংঘে জার্মান আওয়ামী লীগ: দল নিষিদ্ধকরণকে চ্যালেঞ্জ করে হস্তক্ষেপ আহ্বান
ট্রেনে ইন্টারনেট চালু হতেই চুরির মহোৎসব, উধাও স্টারলিংকের মূল্যবান যন্ত্র
ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লা হত্যা মামলায় পুলিশের খাতায় ‘নিখোঁজ’ লাবিব হলেন ছাত্রশক্তির সভাপতি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লা হত্যা মামলার আসামি আহসান লাবিবকে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়েছে।
সংগঠনটির সভাপতি জাহিদ আহসান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করার পর বুধবার অনুষ্ঠিত পঞ্চম সাধারণ সভায় লাবিবকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আহসান লাবিব জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন হিসেবে জাতীয় ছাত্রশক্তির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার দুই দিন পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন লাবিবসহ আট শিক্ষার্থী এবং অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫
জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করে। পরে শামীম মোল্লার বড় ভাই শাহিন আলম ২০২৪ সালের ৯ই অক্টোবর ঢাকার একটি আদালতে পৃথক হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায়ও লাবিবসহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নয় শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা, উপ-রেজিস্ট্রার ও তৎকালীন প্রক্টরকেও ওই মামলায় আসামি করা হয়। মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনিসুর রহমান বাপ্পী জানিয়েছেন, মামলাটি এখনো তদন্তাধীন। গ্রেপ্তার না হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে লাবিবকে মামলার পর থেকে ‘পলাতক’ বা গ্রেপ্তার না হওয়া আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হলেও জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান দাবি করেছেন, লাবিব
পলাতক নন এবং তিনি ক্যাম্পাসেই অবস্থান করছেন। মাহফুজুর রহমান বলেন, লাবিব কতটুকু অপরাধী বা অপরাধী নন, সেটি আইন, আদালত ও বিচারব্যবস্থার বিষয়। অভিযোগের ভিত্তিতে সংগঠন থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা বিচারের আগেই বিচার করার শামিল হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, জাতীয় ছাত্রশক্তির নতুন দায়িত্ব পাওয়া আহসান লাবিব জানিয়েছেন, সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাঁকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি। লাবিবের নতুন দায়িত্ব ও তাঁর বিরুদ্ধে থাকা হত্যা মামলার বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন থাকায় লাবিবের
বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। যেভাবে শামীম মোল্লাকে হত্যা করা হয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে কয়েক দফা মারধর করার একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেইটের ভেতরে যেখানে ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে কাপড় বিক্রি হয়, সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শামীমকে আরেক দফা মারধর করা হয়। এরপর তাকে জয় বাংলা গেইটে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা কর্মীদের কাছে তুলে দেওয়া হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈছা আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড ও প্রধান সমন্বয়ক আরিফ সোহেল ও অপর সমন্বয়ক তৌহিদ সিয়ামের নির্দেশে দ্বিতীয় দফায় তাকে আবারও মারধর করেন আহসান লাবীব, আতিকুজ্জামান আতিক। ৫-৬ দফা গণপিটুনিতে শামীম মোল্লা যখন নেতিয়ে পড়েছেন, তখন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে পুলিশে
হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ এসে তাকে গাড়িতে তুলছিল যখন, তখন প্রায় অর্ধচেতন অবস্থা তার। পুলিশের গাড়িতে শামীম মোল্লাকে তোলার সময় পঞ্চম দফায় মারতে উস্কানি দিয়ে সমন্বয়ক তৌহিদ সিয়ামকে বলতে থাকেন (ভিডিওতে দেখা গেছে) ‘ওকে ধর, মার, মার’। এসময় তাকে মারতে উস্কানি দেন অপর সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল নোমান। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তৌহিদ সিয়ামকে পরিকল্পনাকারী বা মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে একাধিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্র জানিয়েছিল, ঘটনার সময় সিয়ামকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দেখা গিয়েছিল এবং পরে তার নেতৃত্বাধীন গ্রুপের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করে। পরে শামীম মোল্লার বড় ভাই শাহিন আলম ২০২৪ সালের ৯ই অক্টোবর ঢাকার একটি আদালতে পৃথক হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায়ও লাবিবসহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নয় শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা, উপ-রেজিস্ট্রার ও তৎকালীন প্রক্টরকেও ওই মামলায় আসামি করা হয়। মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনিসুর রহমান বাপ্পী জানিয়েছেন, মামলাটি এখনো তদন্তাধীন। গ্রেপ্তার না হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে লাবিবকে মামলার পর থেকে ‘পলাতক’ বা গ্রেপ্তার না হওয়া আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হলেও জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান দাবি করেছেন, লাবিব
পলাতক নন এবং তিনি ক্যাম্পাসেই অবস্থান করছেন। মাহফুজুর রহমান বলেন, লাবিব কতটুকু অপরাধী বা অপরাধী নন, সেটি আইন, আদালত ও বিচারব্যবস্থার বিষয়। অভিযোগের ভিত্তিতে সংগঠন থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা বিচারের আগেই বিচার করার শামিল হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, জাতীয় ছাত্রশক্তির নতুন দায়িত্ব পাওয়া আহসান লাবিব জানিয়েছেন, সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাঁকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি। লাবিবের নতুন দায়িত্ব ও তাঁর বিরুদ্ধে থাকা হত্যা মামলার বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন থাকায় লাবিবের
বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। যেভাবে শামীম মোল্লাকে হত্যা করা হয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে কয়েক দফা মারধর করার একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেইটের ভেতরে যেখানে ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে কাপড় বিক্রি হয়, সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শামীমকে আরেক দফা মারধর করা হয়। এরপর তাকে জয় বাংলা গেইটে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা কর্মীদের কাছে তুলে দেওয়া হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈছা আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড ও প্রধান সমন্বয়ক আরিফ সোহেল ও অপর সমন্বয়ক তৌহিদ সিয়ামের নির্দেশে দ্বিতীয় দফায় তাকে আবারও মারধর করেন আহসান লাবীব, আতিকুজ্জামান আতিক। ৫-৬ দফা গণপিটুনিতে শামীম মোল্লা যখন নেতিয়ে পড়েছেন, তখন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে পুলিশে
হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ এসে তাকে গাড়িতে তুলছিল যখন, তখন প্রায় অর্ধচেতন অবস্থা তার। পুলিশের গাড়িতে শামীম মোল্লাকে তোলার সময় পঞ্চম দফায় মারতে উস্কানি দিয়ে সমন্বয়ক তৌহিদ সিয়ামকে বলতে থাকেন (ভিডিওতে দেখা গেছে) ‘ওকে ধর, মার, মার’। এসময় তাকে মারতে উস্কানি দেন অপর সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল নোমান। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তৌহিদ সিয়ামকে পরিকল্পনাকারী বা মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে একাধিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্র জানিয়েছিল, ঘটনার সময় সিয়ামকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দেখা গিয়েছিল এবং পরে তার নেতৃত্বাধীন গ্রুপের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।



