ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদন নিয়েও সংসদে বিতর্ক
শুভ জন্মাষ্টমী আজ
বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলে আবারও চিঠি
ব্যক্তিগত জেট নয়, বিমানের লিজ নেওয়া বোয়িং নিয়ে বঙ্গবন্ধুর নামে অপপ্রচার
অক্সফোর্ড ম্যাট্রিক্স তুলে ধরে জাতিসংঘে জার্মান আওয়ামী লীগ: দল নিষিদ্ধকরণকে চ্যালেঞ্জ করে হস্তক্ষেপ আহ্বান
ট্রেনে ইন্টারনেট চালু হতেই চুরির মহোৎসব, উধাও স্টারলিংকের মূল্যবান যন্ত্র
ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লা হত্যা মামলায় পুলিশের খাতায় ‘নিখোঁজ’ লাবিব হলেন ছাত্রশক্তির সভাপতি
প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের ভিজিটিং কার্ডে করছাড় আবেদন: ছেলের প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ সুবিধা দাবি! রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পারিবারিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস’ পুষ্টিবর্ধক চাল, আটা ও বিস্কুট তৈরিতে ব্যবহূত ভিটামিন এবং মিনারেল আমদানির ক্ষেত্রে ভ্যাট, কর ও অন্যান্য শুল্ক ছাড়ের আর্জি জানিয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান বরাবর শুল্ক মওকুফের এ আবেদনটি করেছেন প্রতিমন্ত্রীর পুত্র- কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর শাকরুল আলম সীমান্ত।
এনবিআরের সূত্র মারফত জানা যায়, সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের অফিশিয়াল ভিজিটিং কার্ড জুড়ে দিয়ে রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলসের পক্ষে কর মওকুফ কিংবা বিশেষ সুবিধা পাওয়ার এই আবেদন জমা দেওয়া হয়। তবে ওই আবেদনের ওপর এনবিআর এখন অবধি চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।
রূপসী
রাইস মিলের আবেদনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বগুড়ার শিবগঞ্জের বেতগাড়ী মীরবাড়ীতে অবস্থিত কারখানাটি ২০২২ সালে তাদের কাজ শুরু করে। মূলত ফোর্টিফাইড রাইস কার্নেল প্রস্তুত করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ। ২০২৩ সাল থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের কাছে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত কার্নেল সরবরাহ করে আসছে এবং সরকারি খাদ্যবান্ধব ও ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় তারা এ পর্যন্ত আনুমানিক ১ হাজার ১৯৮ টন কার্নেল জুগিয়েছে। এছাড়া বেসরকারি বাজারেও প্রায় ২০ টন কার্নেল এবং ২ হাজার টন পুষ্টি চাল বাজারজাত করেছে তারা। এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, নিজস্ব ব্যবসার মুনাফা হাসিল করতে রাষ্ট্রীয় পদের পরিচয় ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অনৈতিক
এবং সরকারি নীতির পরিপন্থী। এই ধরণের আচার- আচরণ কেবল পদের মর্যাদাকেই ক্ষুণ্ন করে না, বরং প্রত্যক্ষ স্বার্থের দ্বন্দ্ব (Conflict of Interest) তৈরি করে, যা কোনো যুক্তিতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ইফতেখারুজ্জামান আরও যোগ করেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থেকে ক্ষমতার এহেন অপব্যবহার কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এনবিআরের মতো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব হলো কোনো প্রকার প্রভাব বা চাপের তোয়াক্কা না করে নিরপেক্ষ ভূমিকা বজায় রাখা। সাধারণ চালের সাথে ১: ১০০ অনুপাতে কার্নেল মিশিয়ে মূলত এই পুষ্টিচাল প্রস্তুত করা হয়ে থাকে। কার্নেল তৈরির মূল উপাদানের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি১, ভিটামিন-বি১২, ফলিক এসিড, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম কার্বোনেট। তাছাড়া ফোর্টিফাইড আটা এবং বিস্কুট উৎপাদনেও এই একই
ভিটামিন ও মিনারেল ব্যবহৃত হয়। আবেদনপত্রে রূপসী রাইস মিল জানায়, দেশে এসব উপাদান উৎপন্ন না হওয়ায় বর্তমানে সক্রিয় ১৪টি কার্নেল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান প্রিমিক্স বা মিশ্রণ হিসেবে একক এইচএস কোডের অধীনে ভিটামিন ও মিনারেল বিদেশ থেকে আনছে। পৃথকভাবে উপাদানের যে দাম, তার চেয়ে প্রস্তুতকৃত প্রিমিক্সের দাম অনেক চড়া হওয়ায় প্রতি বছর আমদানির পেছনে প্রায় ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বাইরে চলে যাচ্ছে—যার পরিমাণ ভবিষ্যতে চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে আরও বাড়বে। চিঠিতে রূপসী রাইস মিলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দেশে তারাই প্রথম এবং একমাত্র একক প্রিমিক্স কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছে। সেখানে তারা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলসমূহ আলাদা কাঁচামাল হিসেবে আমদানি করে নিজেরাই প্রিমিক্স তৈরি করবে। তাদের
দাবি অনুযায়ী, এতে আমদানি ব্যয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ সাশ্রয় হবে এবং অন্যান্য কার্নেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানও তাদের নিকট থেকে সস্তায় প্রিমিক্স সংগ্রহ করতে পারবে। ফলে সার্বিকভাবে কার্নেল তৈরির খরচ কমে আসবে এবং মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় রোধ হবে। রূপসী রাইস মিলসের আরও যুক্তি, কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড় বা বিশেষ রেয়াত সুবিধা দেওয়া হলে দেশে নতুন শিল্প স্থাপন উৎসাহিত হবে, বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচবে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। পাশাপাশি প্রিমিক্সের দাম কমলে বাজারে পুষ্টিসম্পন্ন চাল, আটা ও বিস্কুটের দাম নাগালের মধ্যে আসবে, যা নিম্নবিত্তসহ সাধারণ মানুষের পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর শাকরুল আলম সীমান্তকে
ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করার পরপরই সংযোগ কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি আর কল ধরেননি। এমনকি সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এনবিআরের এক কর্মকর্তা জানান, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে এককভাবে কর ছাড় দেওয়ার আইনি বিধান নেই; কোনো সুবিধা দিলে তা পুরো খাতের সব প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হতে হবে। বিশেষ ছাড় পাওয়ার এখতিয়ার কেবল সরকারি প্রতিষ্ঠানেরই রয়েছে। তবে দেশে যদি কোনো বিশেষ পণ্য মাত্র একটি প্রতিষ্ঠানেই তৈরি হয়, সেক্ষেত্রে সাময়িকভাবে তাদের জন্য কিছুটা ছাড়ের ব্যবস্থা বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এনবিআরের সাবেক সদস্য মো. ফরিদ উদ্দিনের মতে,
সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে কেবল একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের সুনির্দিষ্ট সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। পুরো খাতের সব প্রতিষ্ঠান উপকৃত হওয়ার সুযোগ থাকলেই কেবল করছাড় বিবেচনা করা যেতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেন, এনবিআর যদি একক কোনো কোম্পানিকে এ সুবিধা দেওয়ার সুপারিশও পাঠায়, আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে অর্থ বা আইন মন্ত্রণালয় তা অনুমোদন করতে পারবে না। সূত্র: দৈনিক সমকাল
রাইস মিলের আবেদনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বগুড়ার শিবগঞ্জের বেতগাড়ী মীরবাড়ীতে অবস্থিত কারখানাটি ২০২২ সালে তাদের কাজ শুরু করে। মূলত ফোর্টিফাইড রাইস কার্নেল প্রস্তুত করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ। ২০২৩ সাল থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের কাছে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত কার্নেল সরবরাহ করে আসছে এবং সরকারি খাদ্যবান্ধব ও ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় তারা এ পর্যন্ত আনুমানিক ১ হাজার ১৯৮ টন কার্নেল জুগিয়েছে। এছাড়া বেসরকারি বাজারেও প্রায় ২০ টন কার্নেল এবং ২ হাজার টন পুষ্টি চাল বাজারজাত করেছে তারা। এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, নিজস্ব ব্যবসার মুনাফা হাসিল করতে রাষ্ট্রীয় পদের পরিচয় ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অনৈতিক
এবং সরকারি নীতির পরিপন্থী। এই ধরণের আচার- আচরণ কেবল পদের মর্যাদাকেই ক্ষুণ্ন করে না, বরং প্রত্যক্ষ স্বার্থের দ্বন্দ্ব (Conflict of Interest) তৈরি করে, যা কোনো যুক্তিতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ইফতেখারুজ্জামান আরও যোগ করেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থেকে ক্ষমতার এহেন অপব্যবহার কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এনবিআরের মতো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব হলো কোনো প্রকার প্রভাব বা চাপের তোয়াক্কা না করে নিরপেক্ষ ভূমিকা বজায় রাখা। সাধারণ চালের সাথে ১: ১০০ অনুপাতে কার্নেল মিশিয়ে মূলত এই পুষ্টিচাল প্রস্তুত করা হয়ে থাকে। কার্নেল তৈরির মূল উপাদানের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি১, ভিটামিন-বি১২, ফলিক এসিড, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম কার্বোনেট। তাছাড়া ফোর্টিফাইড আটা এবং বিস্কুট উৎপাদনেও এই একই
ভিটামিন ও মিনারেল ব্যবহৃত হয়। আবেদনপত্রে রূপসী রাইস মিল জানায়, দেশে এসব উপাদান উৎপন্ন না হওয়ায় বর্তমানে সক্রিয় ১৪টি কার্নেল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান প্রিমিক্স বা মিশ্রণ হিসেবে একক এইচএস কোডের অধীনে ভিটামিন ও মিনারেল বিদেশ থেকে আনছে। পৃথকভাবে উপাদানের যে দাম, তার চেয়ে প্রস্তুতকৃত প্রিমিক্সের দাম অনেক চড়া হওয়ায় প্রতি বছর আমদানির পেছনে প্রায় ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বাইরে চলে যাচ্ছে—যার পরিমাণ ভবিষ্যতে চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে আরও বাড়বে। চিঠিতে রূপসী রাইস মিলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দেশে তারাই প্রথম এবং একমাত্র একক প্রিমিক্স কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছে। সেখানে তারা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলসমূহ আলাদা কাঁচামাল হিসেবে আমদানি করে নিজেরাই প্রিমিক্স তৈরি করবে। তাদের
দাবি অনুযায়ী, এতে আমদানি ব্যয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ সাশ্রয় হবে এবং অন্যান্য কার্নেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানও তাদের নিকট থেকে সস্তায় প্রিমিক্স সংগ্রহ করতে পারবে। ফলে সার্বিকভাবে কার্নেল তৈরির খরচ কমে আসবে এবং মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় রোধ হবে। রূপসী রাইস মিলসের আরও যুক্তি, কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড় বা বিশেষ রেয়াত সুবিধা দেওয়া হলে দেশে নতুন শিল্প স্থাপন উৎসাহিত হবে, বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচবে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। পাশাপাশি প্রিমিক্সের দাম কমলে বাজারে পুষ্টিসম্পন্ন চাল, আটা ও বিস্কুটের দাম নাগালের মধ্যে আসবে, যা নিম্নবিত্তসহ সাধারণ মানুষের পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর শাকরুল আলম সীমান্তকে
ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করার পরপরই সংযোগ কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি আর কল ধরেননি। এমনকি সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এনবিআরের এক কর্মকর্তা জানান, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে এককভাবে কর ছাড় দেওয়ার আইনি বিধান নেই; কোনো সুবিধা দিলে তা পুরো খাতের সব প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হতে হবে। বিশেষ ছাড় পাওয়ার এখতিয়ার কেবল সরকারি প্রতিষ্ঠানেরই রয়েছে। তবে দেশে যদি কোনো বিশেষ পণ্য মাত্র একটি প্রতিষ্ঠানেই তৈরি হয়, সেক্ষেত্রে সাময়িকভাবে তাদের জন্য কিছুটা ছাড়ের ব্যবস্থা বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এনবিআরের সাবেক সদস্য মো. ফরিদ উদ্দিনের মতে,
সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে কেবল একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের সুনির্দিষ্ট সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। পুরো খাতের সব প্রতিষ্ঠান উপকৃত হওয়ার সুযোগ থাকলেই কেবল করছাড় বিবেচনা করা যেতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেন, এনবিআর যদি একক কোনো কোম্পানিকে এ সুবিধা দেওয়ার সুপারিশও পাঠায়, আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে অর্থ বা আইন মন্ত্রণালয় তা অনুমোদন করতে পারবে না। সূত্র: দৈনিক সমকাল



