ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভৈরবে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা
রংপুরে শিক্ষক পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিবৃতি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের
সদরঘাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আটক ১০
মাদকবিরোধী অভিযানে গোলাগুলি, তিন পুলিশ সদস্য আহত, আটক ২
জামায়াত নেতার মাদরাসা থেকে সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার
সুযোগ মতো একেক সময় একেক ছাত্রকে নিয়ে টয়লেটে ঢুকতেন মাদ্রাসার মুহতামিম, এবং…
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৩০ ভরি স্বর্ণ লুট: কক্সবাজারে এক রাতেই দুই বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতি, এলাকায় চরম আতঙ্ক
৪ আগস্ট শিশু-ধর্ষণচেষ্টার দায়ে বেত্রাঘাত খেয়ে ১৯ দিন পর আরেক শিশুকে ধর্ষণ, জামায়াত কর্মী আটক
৪ঠা আগস্ট এক শিশুকে দোকানের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় আটক হয়ে বেত্রাঘাতের শাস্তি পাওয়ার ১৯ দিন পর আরেক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় এক জামায়াত কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মো. হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলাল মাস্টার (৪২) নামে এক জামায়াত কর্মী আটক হন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
গতকাল ২৩শে আগস্ট, রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের আদর্শ গ্রাম বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আটক হেলাল উদ্দিন হরণী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের বেলায়েত খলিফার ছেলে। তিনি স্থানীয় আদর্শ গ্রাম বাজারে একটি ফার্মেসি পরিচালনা করেন। এর আগে তিনি আদর্শ গ্রাম উচ্চ
বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। দুই-তিন বছর আগে শিক্ষকতা ছেড়ে ফার্মেসি ব্যবসা শুরু করেন। পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে কৌশলে ৯ বছর বয়সী ওই শিশুকে নিজের ফার্মেসিতে ডেকে নেন হেলাল উদ্দিন। পরে দোকানের পেছনের অংশে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি এক প্রত্যক্ষদর্শী টের পেয়ে টিনের ভাঙা অংশ দিয়ে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দোকান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে চেয়ারম্যানঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে গত ৪ঠা আগস্ট একই এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে হেলাল উদ্দিনের
বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে বিচার বসানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৫০টি বেত্রাঘাতের শাস্তি দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, হেলাল উদ্দিন জামায়াতের মিছিল-মিটিংয়ে সামনের সারিতে থাকতেন। নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে কাজ করেছেন। তবে হরণী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ তারিফুল মাওলা দাবি করেন, হেলাল উদ্দিন জামায়াতের কর্মী নন। চেয়ারম্যানঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সালাউদ্দিন রাসেদ বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয়দের আটক করা অভিযুক্তকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করবেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। ঘটনার ভিডিও
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় শিশুটির পরিচয় ও মর্যাদা রক্ষায় ভিডিওটি শেয়ার বা পুনঃপ্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা, হাতেনাতে ধৃত জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাতে ছাড় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় এক সালিশে জামায়াত কর্মী হেলাল উদ্দিনকে ৫০ বেত্রাঘাত এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও বুধবার (৫ই আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ঠা আগস্ট বিকেলে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অনুরোধে একটি গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে উপস্থিত ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্তকে বেত্রাঘাত ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে
শিশুটি পাশের একটি দোকান থেকে মসলা কিনে বাড়ি ফিরছিল। তার সঙ্গে ছিল ছোট বোন। এ সময় হেলাল উদ্দিন শিশুটিকে দোকানে ডেকে নিয়ে যান এবং ছোট বোনকে বাইরে বসিয়ে রাখেন। পরে দোকানের পেছনে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ ও ধর্ষণচেষ্টা করা হয়। শিশুটি চিৎকার করে বাইরে বেরিয়ে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতারা। তাদের প্রভাবে সালিশদাররা দাবি করেন, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে শিশুটির ছোটবোনের সাক্ষ্যতে ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নিতে না পারলেও ‘অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ’ দাবি করা হয়। এর ভিত্তিতে উপস্থিত ব্যক্তিদের সম্মতিতে অভিযুক্তকে ৫০ বেত্রাঘাত এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত কর্মী হেলাল উদ্দিন দাবি করেন,
তিনি এ ধরনের কোনো কাজ করেননি। তার দাবি, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাহলে ছোট বোনকে বাইরে বসিয়ে রেখে ভুক্তভোগী শিশুটিকে দোকানের পেছনে নিয়ে গেলেন কেন? এমন প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি হেলাল। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, ঘটনাটি নিয়ে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। দুই-তিন বছর আগে শিক্ষকতা ছেড়ে ফার্মেসি ব্যবসা শুরু করেন। পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে কৌশলে ৯ বছর বয়সী ওই শিশুকে নিজের ফার্মেসিতে ডেকে নেন হেলাল উদ্দিন। পরে দোকানের পেছনের অংশে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি এক প্রত্যক্ষদর্শী টের পেয়ে টিনের ভাঙা অংশ দিয়ে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দোকান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে চেয়ারম্যানঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে গত ৪ঠা আগস্ট একই এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে হেলাল উদ্দিনের
বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে বিচার বসানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৫০টি বেত্রাঘাতের শাস্তি দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, হেলাল উদ্দিন জামায়াতের মিছিল-মিটিংয়ে সামনের সারিতে থাকতেন। নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে কাজ করেছেন। তবে হরণী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ তারিফুল মাওলা দাবি করেন, হেলাল উদ্দিন জামায়াতের কর্মী নন। চেয়ারম্যানঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সালাউদ্দিন রাসেদ বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয়দের আটক করা অভিযুক্তকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করবেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। ঘটনার ভিডিও
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় শিশুটির পরিচয় ও মর্যাদা রক্ষায় ভিডিওটি শেয়ার বা পুনঃপ্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা, হাতেনাতে ধৃত জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাতে ছাড় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় এক সালিশে জামায়াত কর্মী হেলাল উদ্দিনকে ৫০ বেত্রাঘাত এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও বুধবার (৫ই আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ঠা আগস্ট বিকেলে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অনুরোধে একটি গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে উপস্থিত ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্তকে বেত্রাঘাত ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে
শিশুটি পাশের একটি দোকান থেকে মসলা কিনে বাড়ি ফিরছিল। তার সঙ্গে ছিল ছোট বোন। এ সময় হেলাল উদ্দিন শিশুটিকে দোকানে ডেকে নিয়ে যান এবং ছোট বোনকে বাইরে বসিয়ে রাখেন। পরে দোকানের পেছনে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ ও ধর্ষণচেষ্টা করা হয়। শিশুটি চিৎকার করে বাইরে বেরিয়ে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতারা। তাদের প্রভাবে সালিশদাররা দাবি করেন, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে শিশুটির ছোটবোনের সাক্ষ্যতে ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নিতে না পারলেও ‘অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ’ দাবি করা হয়। এর ভিত্তিতে উপস্থিত ব্যক্তিদের সম্মতিতে অভিযুক্তকে ৫০ বেত্রাঘাত এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত কর্মী হেলাল উদ্দিন দাবি করেন,
তিনি এ ধরনের কোনো কাজ করেননি। তার দাবি, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাহলে ছোট বোনকে বাইরে বসিয়ে রেখে ভুক্তভোগী শিশুটিকে দোকানের পেছনে নিয়ে গেলেন কেন? এমন প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি হেলাল। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, ঘটনাটি নিয়ে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



