ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের বিবৃতি: ক্যাঙ্গারু কোর্টে আওয়ামী লীগের ৭ নেতার রায়ের তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ
ঐতিহ্যবাহী আবাহনীর মাঠ দখল করছে বিএনপি সরকার
ফ্যামিলি কার্ডের খরচের নামে দুস্থ নারীদের থেকে অর্থ আদায় করছেন যুবদল-বিএনপি নেতারা
ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা পিতাকে গ্রেপ্তার: আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন
ফাঁসির রায়ের প্রতিক্রিয়ায় যুবলীগ চেয়ারম্যান পরশ: উই ডোন্ট কেয়ার! ব্রিং ইট অন!
বিএনপি সরকারের ক্যাঙ্গারু কোর্টে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকসহ ৭ জনের ফাঁসির রায়
পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: সাত নেতার বিরুদ্ধে রায় প্রত্যাখ্যান আওয়ামী লীগের
একমাসেই জামায়াতের ২য় দফা গ্যাস-বিদ্যুৎ-এর দাবিতে লং মার্চঃ জনগনকে ভুলিয়ে রাখার কৌশল?
সেপ্টেম্বর মাসে দ্বিতীয়বারের মতো গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের দাবিতে লং মার্চে নামল বিরোধী ১১ দলীয় জোট। উত্তরবঙ্গে গতকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কার্যকর কোনো সমাধানের পথ নয়। বরং জনগণের ক্ষোভকে পুঁজি করে জনসম্পৃক্ততা ও জনপ্রিয়তা বাড়ানোর একটি প্রচারমূলক কৌশল মাত্র।
সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রথম লং মার্চ শেষে জামায়াতে ইসলামীর আমির সংসদে এক বক্তৃতায় স্পষ্ট বলেছিলেন, “গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরকারকে দায় দেওয়া যায় না। এই সংকট এই সরকারের সৃষ্ট নয়” অথচ তার কয়েকদিনের মধ্যেই আবারও তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানের দাবিতে জোটকে লং মার্চে নামানো হয়েছে। এই দ্বৈত অবস্থানই প্রশ্ন তুলছে—সমাধান কি সত্যিই চাওয়া হচ্ছে,
নাকি রাজনৈতিক সুবিধা? বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিয়ে জনগণের মধ্যে যে ক্ষোভ রয়েছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে জামায়াত ও তার মিত্ররা রাস্তায় নামছে। লং মার্চের মাধ্যমে তারা নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে এবং জনসমর্থন সংগ্রহের চেষ্টা করছে। কিন্তু বাস্তবে এই কর্মসূচি সংকট নিরসনে কোনো অবদান রাখছে না। গ্যাস ও বিদ্যুতের মতো জটিল সমস্যার সমাধান রাস্তায় মিছিল করে সম্ভব নয়। সেটি সম্ভব সংসদে আলোচনা, নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে। যদি সত্যিই সমাধানের লক্ষ্য থাকত, তাহলে সংসদেই বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা যেত। বরং বারবার লং মার্চ ডেকে মানুষকে রাস্তায় ব্যস্ত রাখা এবং মিডিয়ার শিরোনাম দখল করাই যেন মূল
উদ্দেশ্য। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা একে “পাবলিসিটি স্টান্ট” বলেই অভিহিত করছেন—যেখানে জনগণের দুর্ভোগকে ব্যবহার করে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধ করা হচ্ছে, কিন্তু সংকটের কোনো বাস্তব সমাধান মিলছে না। এই ধরনের কর্মসূচি শুধু জনগণের সময় ও শ্রম নষ্ট করে না, বরং প্রকৃত সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে রাখে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান চাইলে রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত সংসদীয় প্রক্রিয়াকেই প্রাধান্য দেওয়া, রাস্তায় শুধুমাত্র প্রদর্শনীমূলক কর্মসূচি নয়।
নাকি রাজনৈতিক সুবিধা? বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিয়ে জনগণের মধ্যে যে ক্ষোভ রয়েছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে জামায়াত ও তার মিত্ররা রাস্তায় নামছে। লং মার্চের মাধ্যমে তারা নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে এবং জনসমর্থন সংগ্রহের চেষ্টা করছে। কিন্তু বাস্তবে এই কর্মসূচি সংকট নিরসনে কোনো অবদান রাখছে না। গ্যাস ও বিদ্যুতের মতো জটিল সমস্যার সমাধান রাস্তায় মিছিল করে সম্ভব নয়। সেটি সম্ভব সংসদে আলোচনা, নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে। যদি সত্যিই সমাধানের লক্ষ্য থাকত, তাহলে সংসদেই বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা যেত। বরং বারবার লং মার্চ ডেকে মানুষকে রাস্তায় ব্যস্ত রাখা এবং মিডিয়ার শিরোনাম দখল করাই যেন মূল
উদ্দেশ্য। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা একে “পাবলিসিটি স্টান্ট” বলেই অভিহিত করছেন—যেখানে জনগণের দুর্ভোগকে ব্যবহার করে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধ করা হচ্ছে, কিন্তু সংকটের কোনো বাস্তব সমাধান মিলছে না। এই ধরনের কর্মসূচি শুধু জনগণের সময় ও শ্রম নষ্ট করে না, বরং প্রকৃত সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে রাখে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান চাইলে রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত সংসদীয় প্রক্রিয়াকেই প্রাধান্য দেওয়া, রাস্তায় শুধুমাত্র প্রদর্শনীমূলক কর্মসূচি নয়।



