ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে তিন স্কুলশিক্ষার্থী নিখোঁজ
মানিকগঞ্জে প্রবাসী ঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলে থাকার অভিযোগ: গ্রেপ্তার বেড়ে ১৭৯
তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: রাস্তায় অচেতন পড়ে থাকা তরুণীর হাসপাতালে মৃত্যু
রেল লাইনে বোমাসদৃশ বস্তু: উত্তরবঙ্গের সাথে ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের রেল যোগাযোগ অচল
রাজধানীর ৪ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ
তেজগাঁও কলেজ মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে ২৩ জন আটক
ছেলের সামনে মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর ডাকাতি, ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দিয়ে আরও অর্থ দাবি
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক প্রবাসী পরিবারে অস্ত্রের মুখে সন্তানকে জিম্মি করে তার সামনেই মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
শুধু ধর্ষণই নয়, ওই বাড়িতে ভাঙচুর ও প্রায় ৫ লাখ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুটপাট চালানো হয়েছে এবং নির্মম এ ঘটনার ভিডিওচিত্র ধারণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে।
গত ১৭ই সেপ্টেম্বর, রাত ৮টার দিকে উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শরীফ মিয়া (২৩) ও আরিফ মিয়াসহ (২১) পাঁচজনের একদল দুর্বৃত্ত ওই প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে পানি ও একটি কুড়াল চায়। প্রবাসীর নবম শ্রেণিপড়ুয়া ছেলে পানি নিয়ে দরজার সামনে আসতেই তাকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে তারা।
এরপর দুর্বৃত্তরা হুড়মুড়িয়ে ঘরে ঢুকে
আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং নতুন ঘর নির্মাণের জন্য রাখা নগদ প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। লুটপাটের একপর্যায়ে অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন ওই নারীকে জোরপূর্বক দলবদ্ধ ধর্ষণ করে এবং বাকিরা পাহারায় থাকে। অভিযোগে জানা যায়, অভিযুক্ত রাজীব (২৩) পুরো ঘটনার ভিডিওচিত্র তার মুঠোফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে এ ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে আরও দুই লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাঁদা দাবি করা হয়। দুর্বৃত্তরা স্থান ত্যাগ করলে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে রাতেই অভিযানে নামে গফরগাঁও থানা পুলিশ। রাত ৩টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায়
এক কিলোমিটার দূরে এক নির্জন স্থান থেকে অভিযুক্ত রাজীবকে আটক করা হয়, তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য চারজন পালিয়ে যায়। আটক এড়াতে রাজীব তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি পানিতে ফেলে দিলেও পুলিশ তা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ভুক্তভোগীর দেবর জানান, বড় মেয়ের বিয়ের পর নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে তার ভাবি একা বাড়িতে থাকতেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুর্বৃত্তরা হীন এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মনতোষ বিশ্বাস জানান, ভুক্তভোগী নারী পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী দুজন সরাসরি ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং
অন্যরা বাইরে পাহারায় ছিল। এ ছাড়া ভাঙচুর, লুটপাট ও ভিডিও ধারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং নতুন ঘর নির্মাণের জন্য রাখা নগদ প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। লুটপাটের একপর্যায়ে অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন ওই নারীকে জোরপূর্বক দলবদ্ধ ধর্ষণ করে এবং বাকিরা পাহারায় থাকে। অভিযোগে জানা যায়, অভিযুক্ত রাজীব (২৩) পুরো ঘটনার ভিডিওচিত্র তার মুঠোফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে এ ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে আরও দুই লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাঁদা দাবি করা হয়। দুর্বৃত্তরা স্থান ত্যাগ করলে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে রাতেই অভিযানে নামে গফরগাঁও থানা পুলিশ। রাত ৩টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায়
এক কিলোমিটার দূরে এক নির্জন স্থান থেকে অভিযুক্ত রাজীবকে আটক করা হয়, তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য চারজন পালিয়ে যায়। আটক এড়াতে রাজীব তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি পানিতে ফেলে দিলেও পুলিশ তা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ভুক্তভোগীর দেবর জানান, বড় মেয়ের বিয়ের পর নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে তার ভাবি একা বাড়িতে থাকতেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুর্বৃত্তরা হীন এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মনতোষ বিশ্বাস জানান, ভুক্তভোগী নারী পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী দুজন সরাসরি ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং
অন্যরা বাইরে পাহারায় ছিল। এ ছাড়া ভাঙচুর, লুটপাট ও ভিডিও ধারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



