ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী কিশোর অপ্রতিম হত্যায় শোক ও প্রতিবাদ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার
যুবলীগের ‘লকডাউন’: রাজধানীর সড়ক ফাঁকা, গণপরিবহন সীমিত
একমাসেই জামায়াতের ২য় দফা গ্যাস-বিদ্যুৎ-এর দাবিতে লং মার্চঃ জনগনকে ভুলিয়ে রাখার কৌশল?
যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের বিবৃতি: ক্যাঙ্গারু কোর্টে আওয়ামী লীগের ৭ নেতার রায়ের তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ
ঐতিহ্যবাহী আবাহনীর মাঠ দখল করছে বিএনপি সরকার
ফ্যামিলি কার্ডের খরচের নামে দুস্থ নারীদের থেকে অর্থ আদায় করছেন যুবদল-বিএনপি নেতারা
ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা পিতাকে গ্রেপ্তার: আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন
ফেনীতে দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় সড়কের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন বিএনপি নেতা
ফেনীতে দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় দুটি সড়কের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কামরুল হাসান মাসুদ নামে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। ঠিকাদারদের অভিযোগ, কাজ চালিয়ে নিতে হলে ৭ থেকে ৫ শতাংশ হারে চাঁদা দিতে হবে বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেনী মডেল থানায় এ ঘটনায় মামলার আবেদন করেন দুই ঠিকাদার। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। চাঁদা দাবির প্রতিবাদ ও দ্রুত সড়কের কাজ চালুর করার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।
অভিযুক্ত কামরুল হাসান মাসুদ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
ভুক্তভোগী ঠিকাদার সাইফুর রহমান রতন জানান, তিনি রাতুল এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।
দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করছেন তিনি। শনিবার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার দৌলতপুর ধলিয়া আবদুর রৌপ মেম্বারের বাড়ির দরজা সড়কের কাজ বন্ধ করে দেন কামরুল হাসান মাসুদ। দুটি সড়কের ২ কোটি ৮ লাখ টাকার কাজের বিপরীতে ৫ থেকে ৭ শতাংশ হারে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে কাজ করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। রতনের অভিযোগ, এর আগেও ফেনী শহরের এসএসকে সড়কে তাকে মারধর করেন মাসুদ। শহরের বড় বাজারে ঠিকাদার সাইফুলের দোকানের কাছে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। বিভিন্ন সময় তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। সম্প্রতি ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের চরহুজুরী সড়কের সংস্কারকাজ শেষ
করার পরও মাসুদ ও তার সহযোগীরা কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন রতন। সে সময় ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন বলে দাবি করেন। এদিকে, সোনাগাজীর বিএনপি নেতা ঠিকাদার এনায়েত উল্যাহ স্বপনও কামরুল হাসান মাসুদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, তিন দিন বিভিন্ন স্থানে ঠিকাদারি কাজের জন্য তার কাছে চাঁদা দাবি করেন মাসুদ। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে মারধর করা হয়। স্বপনের অভিযোগ, ঠিকাদারি কাজের সিডিউল কিনতে গেলে ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেনের সঙ্গেও
অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মাসুদ গালাগাল এবং পৌরসভায় তাকে মারধরের চেষ্টা করেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কামরুল হাসান মাসুদ। তিনি বলেন, ‘দুটো অভিযোগ মিথ্যা। জেলা বিএনপির কাজে স্বপনের বিরুদ্ধে জায়গা বিরোধের অভিযোগ আছে। সেই অভিযোগ তদন্তের জন্য তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই থেকে স্বপন আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।’ অপর অভিযোগও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে তিনি দাবি করেন। মাসুদ বলেন, ‘আমার বাড়ি ফেনী শহরে, ধলিয়ায় কেন যাব চাঁদার জন্য। এটি যে ষড়যন্ত্র এটাতেই বুঝা যায়।’ জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ‘সড়কের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি সাইফুর রহমান রতন জানিয়েছেন। তিনি ঠিকাদারি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নন।
তাই যারা এগুলো দেখাশোনা করে তাদেরকে তিনি বিষয়টি অবহিত করেছে।’ উন্নয়ন কাজে কেউ যেন বাধা দিতে না পারে সেই পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব। ফেনী মডেল থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চাঁদার দাবিতে সড়কের কাজে বাধার ঘটনায় দুইজন ঠিকাদার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করছেন তিনি। শনিবার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার দৌলতপুর ধলিয়া আবদুর রৌপ মেম্বারের বাড়ির দরজা সড়কের কাজ বন্ধ করে দেন কামরুল হাসান মাসুদ। দুটি সড়কের ২ কোটি ৮ লাখ টাকার কাজের বিপরীতে ৫ থেকে ৭ শতাংশ হারে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে কাজ করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। রতনের অভিযোগ, এর আগেও ফেনী শহরের এসএসকে সড়কে তাকে মারধর করেন মাসুদ। শহরের বড় বাজারে ঠিকাদার সাইফুলের দোকানের কাছে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। বিভিন্ন সময় তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। সম্প্রতি ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের চরহুজুরী সড়কের সংস্কারকাজ শেষ
করার পরও মাসুদ ও তার সহযোগীরা কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন রতন। সে সময় ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন বলে দাবি করেন। এদিকে, সোনাগাজীর বিএনপি নেতা ঠিকাদার এনায়েত উল্যাহ স্বপনও কামরুল হাসান মাসুদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, তিন দিন বিভিন্ন স্থানে ঠিকাদারি কাজের জন্য তার কাছে চাঁদা দাবি করেন মাসুদ। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে মারধর করা হয়। স্বপনের অভিযোগ, ঠিকাদারি কাজের সিডিউল কিনতে গেলে ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেনের সঙ্গেও
অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মাসুদ গালাগাল এবং পৌরসভায় তাকে মারধরের চেষ্টা করেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কামরুল হাসান মাসুদ। তিনি বলেন, ‘দুটো অভিযোগ মিথ্যা। জেলা বিএনপির কাজে স্বপনের বিরুদ্ধে জায়গা বিরোধের অভিযোগ আছে। সেই অভিযোগ তদন্তের জন্য তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই থেকে স্বপন আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।’ অপর অভিযোগও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে তিনি দাবি করেন। মাসুদ বলেন, ‘আমার বাড়ি ফেনী শহরে, ধলিয়ায় কেন যাব চাঁদার জন্য। এটি যে ষড়যন্ত্র এটাতেই বুঝা যায়।’ জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ‘সড়কের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি সাইফুর রহমান রতন জানিয়েছেন। তিনি ঠিকাদারি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নন।
তাই যারা এগুলো দেখাশোনা করে তাদেরকে তিনি বিষয়টি অবহিত করেছে।’ উন্নয়ন কাজে কেউ যেন বাধা দিতে না পারে সেই পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব। ফেনী মডেল থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চাঁদার দাবিতে সড়কের কাজে বাধার ঘটনায় দুইজন ঠিকাদার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’



