ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফাঁসির রায়ের প্রতিক্রিয়ায় যুবলীগ চেয়ারম্যান পরশ: উই ডোন্ট কেয়ার! ব্রিং ইট অন!
বিএনপি সরকারের ক্যাঙ্গারু কোর্টে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকসহ ৭ জনের ফাঁসির রায়
পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: সাত নেতার বিরুদ্ধে রায় প্রত্যাখ্যান আওয়ামী লীগের
ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের মহা লুটপাট-অর্থ পাচারের খতিয়ান ক্রমশ প্রকাশ্যে
রাজধানীতে চলমান তল্লাশি ও গণগ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের
আত্মগোপন থেকে ২ বছর পর বাড়ি ফিরতেই পরিবারের সামনে যুবলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা
ঘরে ঢুকে ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদককে পেটালেন ছাত্রলীগ নেতা
ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা পিতাকে গ্রেপ্তার: আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন
আইনের অপপ্রয়োগ ঘটিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন ও পরিবারের ওপর দায় চাপানোর সংস্কৃতি ক্রমশ বিষিয়ে তুলেছে সাধারণ মানুষের মনকে।
রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের পলাতক সভাপতি মো. রনি হোসেনের বৃদ্ধ, অসুস্থ ও শয্যাশায়ী বাবা মো. আব্দুল হাইকে গ্রেপ্তারের পর এমন প্রশ্নই এখন জেলার রাজনীতির মূল আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের দুর্ধর্ষ কাদেরিয়া বাহিনীর সাবেক এই প্রতিরোধযোদ্ধা নিজে একসময় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে তিনি রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়। তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো ফৌজদারি মামলা বা অপরাধের অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হতে হলো, তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
২০২৪ সালের জুনে মো.
রনি হোসেনকে সভাপতি এবং সোহাগ চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক করে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর দলটির নেতৃত্বে ছিলেন আবদুল জব্বার সুজন। দীর্ঘ সময় পর নতুন নেতৃত্ব এলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তাপ ও ক্ষমতার পালাবদলে রনি হোসেন এখন আত্মগোপনে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় বা অপরাধের দায় তার স্বজনের ওপর বর্তাতে পারে না। অপরাধের স্পষ্ট তদন্ত ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করাই আইনের শাসন। কিন্তু ছেলের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে একজন অসুস্থ ও বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা পিতাকে গ্রেপ্তার করার ঘটনা আইনি নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
রনি হোসেনকে সভাপতি এবং সোহাগ চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক করে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর দলটির নেতৃত্বে ছিলেন আবদুল জব্বার সুজন। দীর্ঘ সময় পর নতুন নেতৃত্ব এলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তাপ ও ক্ষমতার পালাবদলে রনি হোসেন এখন আত্মগোপনে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় বা অপরাধের দায় তার স্বজনের ওপর বর্তাতে পারে না। অপরাধের স্পষ্ট তদন্ত ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করাই আইনের শাসন। কিন্তু ছেলের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে একজন অসুস্থ ও বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা পিতাকে গ্রেপ্তার করার ঘটনা আইনি নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।



