ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক স্থাপনা, কমেছে অস্ত্রের মজুত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ September, ২০২৬

ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক স্থাপনা, কমেছে অস্ত্রের মজুত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ September, ২০২৬ |
ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। পেন্টাগনের পরিদর্শক জেনারেলের এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম কয়েক মাসে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। একই প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টিও স্বীকার করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর ও গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকেন্দ্রটি বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমের সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হয়েছে। সরবরাহ কার্যক্রমের একটি বড় অংশ ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এর ফলে দীর্ঘ সময় সমুদ্রে মোতায়েন থাকা মার্কিন নৌসেনাদের জন্য ডাক ও অন্যান্য সরবরাহ ব্যবস্থায়ও সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে পেন্টাগনের প্রকাশিত প্রতিবেদনটিকে সম্পূর্ণ চিত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। প্রতিবেদনে বেশ কিছু তথ্য গোপন থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, কিছু ধ্বংস হওয়া বিমানও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। পাশাপাশি সামরিক ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয়েরও কোনো হিসাব দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে বাহরাইনের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটির কার্যক্রম দূরে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি মার্কিন সামরিক উপস্থিতির কাঠামোয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠন করা হবে কি না, তা

নিয়েও নতুন করে সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হতে পারে। যুদ্ধের আর্থিক ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। পেন্টাগনের হিসাবে সংঘাতের ব্যয় প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলারের মতো হলেও সামরিক অবকাঠামোর ধ্বংস, সহায়ক কার্যক্রম এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় যুক্ত করলে দৈনিক ব্যয় প্রায় ৫০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতিও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। প্রণালিটি এখনও স্বাভাবিকভাবে চালু হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে হুথিদের অগ্রযাত্রা এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশে তাদের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথই চাপের মুখে পড়েছে। হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহনও ব্যাপকভাবে কমে গেছে। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ২

কোটি ব্যারেল তেল পরিবহনের যে সক্ষমতা ছিল, তা কমে আনুমানিক ৫০ থেকে ৭০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনাকে ঘিরেও পরস্পরবিরোধী দাবি উঠেছে। ইরানের পক্ষ থেকে জাহাজটি মাইনে আঘাত পাওয়ার দাবি করা হলেও মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, জাহাজটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং পরে একটি ড্রোন হামলার শিকার হয়। জাহাজ চলাচলের তথ্যেও প্রণালিটির পরিস্থিতির ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের আগে প্রতিদিন যেখানে শতাধিক জাহাজ চলাচল করত, সাম্প্রতিক এক দিনে মাত্র চারটি এবং তার আগের দিনে

১০টি জাহাজ ওই পথ অতিক্রম করেছে। তবে কিছু জাহাজ অবস্থান শনাক্তকারী ব্যবস্থা বন্ধ রাখায় প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে বেশি হতে পারে। অন্যদিকে বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশেও হুথিদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে। ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের একাধিক বন্দরনগরী ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পাশাপাশি সৌদি আরবের সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলোর মধ্যে বিমানঘাঁটি, রাডার ব্যবস্থা, রানওয়ে, গোলাবারুদের গুদাম এবং তেল স্থাপনাও রয়েছে। ফলে হরমুজ ও বাব আল-মান্দাব—দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ঘিরেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ বাড়ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি, ঘাঁটি পুনর্গঠন, গোলাবারুদের মজুত এবং সংঘাতের ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে নতুন

করে কৌশলগত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের