ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হুথিদের অগ্রযাত্রায় লোহিত সাগরে বাড়ছে সংকট, হুমকিতে বৈশ্বিক বাণিজ্য
ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক স্থাপনা, কমেছে অস্ত্রের মজুত
ব্রিকসে ভারতের স্বার্থ কোথায়, কেন জোটটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে নয়াদিল্লি
সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতিদের, জবাবে ব্যাপক বিমান হামলা
মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, সতর্ক করল চীন-রাশিয়া
ফলাফলে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা
কাকে বিয়ে করলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ
ইসরায়েলের কাছে প্রতিরক্ষা সহায়তা চাইল সৌদি আরব
সৌদি আরবের সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে পাকিস্তান নিজেদের সামরিক সীমাবদ্ধতার বিষয়টি স্পষ্ট করার পর হুথি সংকট মোকাবিলায় রিয়াদকে গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল।
১৫ই সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ফার্স্টপোস্টের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মধ্যস্থতায় সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে গোয়েন্দা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের বৈঠকের পরই দুই দেশের মধ্যে এ ধরনের আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।
প্রস্তাবিত এই গোয়েন্দা সহযোগিতার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে হুথি বাহিনী কোথায় এবং কীভাবে সামরিক মোতায়েন করছে, পাশাপাশি তারা পরবর্তী
সময়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে—সে বিষয়ে সৌদি আরবকে আরও পরিষ্কার তথ্য দেওয়া। ইরান-সমর্থিত হুথিরা সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে হামলা জোরদার করেছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশনও রয়েছে। এদিকে বাব এল-মানদেব প্রণালি এবং এর সংলগ্ন সমুদ্রপথে নৌ চলাচল নিরাপদ রাখা ও নিজেদের তেল অবকাঠামো সুরক্ষার জন্য সৌদি আরব যুক্তরাজ্যের কাছেও সহযোগিতা চেয়েছে বলে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’কে একটি রক্ষাত্মক ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে অন্য কোনো দেশে আক্রমণ চালানোর সুযোগ তৈরি হয় না। পাকিস্তানের এই অবস্থান অতীতে আলোচিত ‘ইসলামিক
ন্যাটো’ ধারণা থেকে ভিন্ন হওয়ায় সৌদি আরবের প্রয়োজনে পাকিস্তান কতটা সামরিকভাবে অংশ নেবে, তা নিয়ে স্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ইরান এবং ইরান-সমর্থিত মিত্রদের সম্ভাব্য হুমকির প্রেক্ষাপটে দুই দেশের নিরাপত্তা সমন্বয়ের বিষয়টি ক্রমেই প্রকাশ্যে আসছে। তবে নিরাপত্তা সহযোগিতার পাশাপাশি সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাভাবিকীকরণ-সংক্রান্ত শর্তগুলোও রিয়াদ ও ইসরায়েলের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমীকরণ হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
সময়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে—সে বিষয়ে সৌদি আরবকে আরও পরিষ্কার তথ্য দেওয়া। ইরান-সমর্থিত হুথিরা সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে হামলা জোরদার করেছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশনও রয়েছে। এদিকে বাব এল-মানদেব প্রণালি এবং এর সংলগ্ন সমুদ্রপথে নৌ চলাচল নিরাপদ রাখা ও নিজেদের তেল অবকাঠামো সুরক্ষার জন্য সৌদি আরব যুক্তরাজ্যের কাছেও সহযোগিতা চেয়েছে বলে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’কে একটি রক্ষাত্মক ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে অন্য কোনো দেশে আক্রমণ চালানোর সুযোগ তৈরি হয় না। পাকিস্তানের এই অবস্থান অতীতে আলোচিত ‘ইসলামিক
ন্যাটো’ ধারণা থেকে ভিন্ন হওয়ায় সৌদি আরবের প্রয়োজনে পাকিস্তান কতটা সামরিকভাবে অংশ নেবে, তা নিয়ে স্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ইরান এবং ইরান-সমর্থিত মিত্রদের সম্ভাব্য হুমকির প্রেক্ষাপটে দুই দেশের নিরাপত্তা সমন্বয়ের বিষয়টি ক্রমেই প্রকাশ্যে আসছে। তবে নিরাপত্তা সহযোগিতার পাশাপাশি সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাভাবিকীকরণ-সংক্রান্ত শর্তগুলোও রিয়াদ ও ইসরায়েলের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমীকরণ হিসেবে যুক্ত রয়েছে।



