ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১০ মাসের মধ্যে আগস্টে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি
উচ্চমূল্যে মার্কিন গম ক্রয়: সরকারের দাবি বৃহত্তর কৌশল, অথচ ভুক্তভোগী ভোক্তা এবং দেশের অর্থনীতি
নবম পে স্কেল নিয়ে বড় সুখবর, অবশেষে আজ ভেটিংয়ে উঠল
১০ ডলারের এলএনজি ৩০ ডলারে কিনছে বিএনপি সরকার
কোথায় কত দামে ডিম বিক্রি হবে, নিয়ন্ত্রণ করে ‘হোয়াটসঅ্যাপ সিন্ডিকেট’: নীরব প্রশাসন
কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে চললেও কমছে সাধারণের ক্রয়ক্ষমতা, দরিদ্রের খাবারে পড়েছে টান
বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
দামের আগুনে পোড়ছে দরিদ্রের থালা: ডিম-মাছ এখন নিম্নবিত্তের জন্য বিলাসিতা
রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে আমিষের বাজারদর সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে। মাংস, ডিম কিংবা সস্তা মাছ—যেসব পণ্যের ওপর নির্ভর করে নিম্নবিত্তের দৈনিক প্রোটিনের জোগান চলত, সেগুলোর দাম এখন রেকর্ড ছোঁয়া।
কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে গরুর মাংসের দাম কেজিপ্রতি ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০০ টাকায়, যা প্রায় ৭ শতাংশ বৃদ্ধি। খাসির মাংস ১২০০ টাকা থেকে লাফিয়ে এখন ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের শেষ ভরসা ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা এবং পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছের কেজি পৌঁছেছে ২৫০ টাকায়। অন্যদিকে এক ডজন ডিমের দাম ঠেকেছে ১৬০ টাকায়।
রাজধানীর কাওরান বাজারে কথা হয় ভ্যানচালক আমিনুল ইসলাম সজিবের সঙ্গে। সারারাত কঠোর পরিশ্রমের পর যার
দৈনিক আয় মাত্র ৬৫০ টাকা। তিনি জানান, ডিম, ব্রয়লার মুরগি কিংবা মাছ—কোনোটিই এখন নিয়মিত কেনার উপায় নেই। ছোট্ট মেয়ের মাংস খাওয়ার আবদার মেটাতে না পারার হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘গরুর মাংস শেষ কবে কিনেছি মনে নেই। এখন একটা ডিম দিয়ে ভাত খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।’ পরিসংখ্যান বলছে, গরুর মাংসের সাম্প্রতিক ৫০ টাকা দাম বাড়ার প্রভাব আমিনুলের মতো খেটে খাওয়া মানুষের মোট দৈনিক আয়ের প্রায় ৮ শতাংশ খেয়ে ফেলে। ফলে প্রতিটি মূল্যবৃদ্ধিই তাদের জীবনযাত্রায় সরাসরি বড়সড় আঘাত হয়ে আসছে। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন এই পরিস্থিতির জন্য অসৎ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে দায়ী করে বাজারে জোরালো নজরদারির তাগিদ
দিয়েছেন। অন্যদিকে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম বাজারে তদারকি বৃদ্ধি ও কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন পাচ্ছেন না সাধারণ ক্রেতারা।
দৈনিক আয় মাত্র ৬৫০ টাকা। তিনি জানান, ডিম, ব্রয়লার মুরগি কিংবা মাছ—কোনোটিই এখন নিয়মিত কেনার উপায় নেই। ছোট্ট মেয়ের মাংস খাওয়ার আবদার মেটাতে না পারার হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘গরুর মাংস শেষ কবে কিনেছি মনে নেই। এখন একটা ডিম দিয়ে ভাত খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।’ পরিসংখ্যান বলছে, গরুর মাংসের সাম্প্রতিক ৫০ টাকা দাম বাড়ার প্রভাব আমিনুলের মতো খেটে খাওয়া মানুষের মোট দৈনিক আয়ের প্রায় ৮ শতাংশ খেয়ে ফেলে। ফলে প্রতিটি মূল্যবৃদ্ধিই তাদের জীবনযাত্রায় সরাসরি বড়সড় আঘাত হয়ে আসছে। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন এই পরিস্থিতির জন্য অসৎ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে দায়ী করে বাজারে জোরালো নজরদারির তাগিদ
দিয়েছেন। অন্যদিকে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম বাজারে তদারকি বৃদ্ধি ও কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন পাচ্ছেন না সাধারণ ক্রেতারা।



