ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘তদন্ত চাইলেও মেলেনি সাড়া’— ডব্লিউএইচও’র প্রতি ক্ষোভ ও অনাস্থা জানিয়ে পুতুলের চিঠি
ডব্লিউএইচও’র উপর অনাস্থা’র অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করলেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
বান্দরবানে চায়ের দোকান থেকে প্রধান শিক্ষক অপহরণ করে অস্ত্রের মুখে নদীপথে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা
সার সংকট নিয়ে উদ্বেগ সংসদে
এক ভিসায় যাওয়া যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে
রুমিন ফারহানার যে বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্নিকান্ড: ৪০ ঘন্টা ধরে পুড়েছে সার্ভার রুম ও গুরুত্বপূর্ণ নথি
ফারাক্কার ১০৯ গেটই খোলা, বন্যার আভাস
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন, পদ্মা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় নদীর চর ও নিচু এলাকাগুলোতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, পদ্মা নদীর পানি বন্যা বিপৎসীমার কাছাকাছি উচ্চতায় প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। এতে চরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, ১০ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী, ফারাক্কায় গঙ্গার পানির উচ্চতা ২৩ দশমিক ৭৫ মিটারে পৌঁছেছে। সেখানে স্থানীয় বিপৎসীমা ২২ দশমিক ২৫ মিটার। অর্থাৎ পানির উচ্চতা বিপৎসীমার প্রায় দেড় মিটার ওপরে রয়েছে।
তার তথ্য অনুযায়ী, ফারাক্কা ব্যারাজের ১০৯টি গেটই খোলা রয়েছে। ব্যারাজ দিয়ে মোট
পানিপ্রবাহ প্রায় ১৬ লাখ কিউসেক। এর মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক পানি ফিডার খাল দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ভারতের মুর্শিদাবাদের কয়েকটি নদীতীরবর্তী এলাকায় নতুন করে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, ফারাক্কা দিয়ে বাড়তি পানির প্রবাহ একই মাত্রায় বাংলাদেশে প্রবেশ করায় পদ্মা নদীতেও দ্রুত পানি বাড়তে শুরু করেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান হারে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে আরও চরাঞ্চল ও বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর চর এবং নিচু নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে সবচেয়ে বেশি নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
পানিপ্রবাহ প্রায় ১৬ লাখ কিউসেক। এর মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক পানি ফিডার খাল দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ভারতের মুর্শিদাবাদের কয়েকটি নদীতীরবর্তী এলাকায় নতুন করে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, ফারাক্কা দিয়ে বাড়তি পানির প্রবাহ একই মাত্রায় বাংলাদেশে প্রবেশ করায় পদ্মা নদীতেও দ্রুত পানি বাড়তে শুরু করেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান হারে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে আরও চরাঞ্চল ও বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর চর এবং নিচু নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে সবচেয়ে বেশি নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।



