ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফারাক্কার ১০৯ গেটই খোলা, বন্যার আভাস
ডব্লিউএইচও’র উপর অনাস্থা’র অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করলেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
বান্দরবানে চায়ের দোকান থেকে প্রধান শিক্ষক অপহরণ করে অস্ত্রের মুখে নদীপথে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা
সার সংকট নিয়ে উদ্বেগ সংসদে
এক ভিসায় যাওয়া যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে
রুমিন ফারহানার যে বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্নিকান্ড: ৪০ ঘন্টা ধরে পুড়েছে সার্ভার রুম ও গুরুত্বপূর্ণ নথি
‘তদন্ত চাইলেও মেলেনি সাড়া’— ডব্লিউএইচও’র প্রতি ক্ষোভ ও অনাস্থা জানিয়ে পুতুলের চিঠি
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে সাধারণত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ক্ষেত্রে ঘটে চলেছে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েও সংস্থার কাছ থেকে সাড়া পাননি তিনি। অবশেষে ডব্লিউএইচও-এর এই নিষ্ক্রিয়তায় অনাস্থা জানিয়ে এবং পদের প্রভাবমুক্ত রেখে নিজের ভাবমূর্তি ও সততা প্রমাণের উদ্দেশ্যে তিনি পদত্যাগ করেছেন।
অভিযোগ ও আইনি ব্যাখ্যা
বার্ষিক প্রায় দেড় লাখ ডলার মূল বেতন এবং আবাসন ভাতাসহ বিপুল সুযোগ-সুবিধা পাওয়া সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে অভিযোগ তোলা
হয়: • ৯০১ ডলারের প্রশাসনিক ভুল: চীন সফর সংক্রান্ত মাত্র ৯০১ মার্কিন ডলার ব্যয়ের একটি জটিলতা, যা মূলত একজন সহকারীর প্রশাসনিক ভুলের কারণে ঘটেছিল বলে তার আইনি দল জানিয়েছে। • শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত স্পষ্টতা: অটিজম বিষয়ক অবদানের জন্য প্রাপ্ত সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রির বিষয়ে ডব্লিউএইচও নেতৃত্বকে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই অবহিত করেছিলেন। • রাজউকের প্লট বরাদ্দ: বাংলাদেশে পদ পাওয়ার আগেই দেশের প্রচলিত আইনের অধীনে বরাদ্দপ্রাপ্ত একটি প্লটের বিষয় তুলে ধরা হয়, যা তার পূর্ববর্তী প্রশাসনিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। এক বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রক্রিয়া ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব নেন সায়মা ওয়াজেদ। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তাকে বিনা বেতনে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়।
পদ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো তদন্ত হলে প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে—এমন নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি নিজে একাধিকবার নিরপেক্ষ তদন্তের লিখিত অনুরোধ জানান। দীর্ঘ এক বছর পার হলেও জাতিসংঘ বা ডব্লিউএইচও কোনো অভিযোগ প্রমাণ তো বহুদূর, কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তও শেষ করতে পারেনি। সংস্থার নিষ্ক্রিয়তা ও পদত্যাগের সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করতে না দেওয়া এবং বিনা বেতনে প্রশাসনিক ছুটিতে থাকার ফলে তৈরি হওয়া ব্যক্তিগত চাপের মধ্যেও পদ না আঁকড়ে ধরে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন। গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুসের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো পদের সুবিধা না নিয়ে সম্পূর্ণ একজন
সাধারণ নাগরিক হিসেবে তিনি নিজের শতভাগ সততা নিশ্চিত করতে চান। উল্লেখ্য, তদন্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এখনো অপ্রমাণিত।
হয়: • ৯০১ ডলারের প্রশাসনিক ভুল: চীন সফর সংক্রান্ত মাত্র ৯০১ মার্কিন ডলার ব্যয়ের একটি জটিলতা, যা মূলত একজন সহকারীর প্রশাসনিক ভুলের কারণে ঘটেছিল বলে তার আইনি দল জানিয়েছে। • শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত স্পষ্টতা: অটিজম বিষয়ক অবদানের জন্য প্রাপ্ত সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রির বিষয়ে ডব্লিউএইচও নেতৃত্বকে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই অবহিত করেছিলেন। • রাজউকের প্লট বরাদ্দ: বাংলাদেশে পদ পাওয়ার আগেই দেশের প্রচলিত আইনের অধীনে বরাদ্দপ্রাপ্ত একটি প্লটের বিষয় তুলে ধরা হয়, যা তার পূর্ববর্তী প্রশাসনিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। এক বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রক্রিয়া ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব নেন সায়মা ওয়াজেদ। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তাকে বিনা বেতনে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়।
পদ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো তদন্ত হলে প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে—এমন নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি নিজে একাধিকবার নিরপেক্ষ তদন্তের লিখিত অনুরোধ জানান। দীর্ঘ এক বছর পার হলেও জাতিসংঘ বা ডব্লিউএইচও কোনো অভিযোগ প্রমাণ তো বহুদূর, কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তও শেষ করতে পারেনি। সংস্থার নিষ্ক্রিয়তা ও পদত্যাগের সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করতে না দেওয়া এবং বিনা বেতনে প্রশাসনিক ছুটিতে থাকার ফলে তৈরি হওয়া ব্যক্তিগত চাপের মধ্যেও পদ না আঁকড়ে ধরে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন। গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুসের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো পদের সুবিধা না নিয়ে সম্পূর্ণ একজন
সাধারণ নাগরিক হিসেবে তিনি নিজের শতভাগ সততা নিশ্চিত করতে চান। উল্লেখ্য, তদন্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এখনো অপ্রমাণিত।



