ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নারায়ণগঞ্জে মসজিদের কোরান শরিফের তাক থেকে ৫ আগস্ট লুট হওয়া পিস্তল ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
‘মাগো আমারে নিয়া যাও’: টানা ৩ মাস মাদ্রাসায় শিশুকে ধর্ষণ, শিক্ষকের দাবি- ‘তাবিজ বা জীনের প্রভাবে পায়ুতে ক্ষত’
ব্যবসায়ী অপহরণ ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, শ্বশুর-জামাইসহ গ্রেফতার ৮
‘বিয়ে হয়ে গেছে’ বলে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ
কেরানীগঞ্জে গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ব্ল্যাকমেইল ও ধর্ষণের অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিরুদ্ধে
ছেলে ছাত্রলীগ করায় ঘরে ঢুকে মাকে কুপিয়ে হত্যা, মহেশখালীতে আতঙ্ক
রাউজানে বিএনপির সমর্থককে গুলি করে হত্যা
টুঙ্গিপাড়ায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, যুবদলের ২ নেতা গ্রেপ্তার
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার (১১ই সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। মামলায় যুবদলের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পাটগাতি ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সোহাগ কাজী ও আকবর নামে তার এক কর্মী।
গত ৮ই সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পাটগাতী মধ্যপাড়া খানকা মাদ্রাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ ও মামলা চলমান থাকায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ির পুরুষ
সদস্যরা বাইরে ছিলেন। ফলে সন্তানদের নিয়ে তিনি একাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার সন্তানদেরও দূরে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিকদের ওই নারী জানান, ঘটনার সময় তিনি দুজনকে চিনতে পেরেছেন। তারা হলেন—আকবর ও সোহাগ কাজী। পরিচয় নিশ্চিত করে তিনি জানান, সোহাগ কাজী পাটগাতী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এবং স্থানীয় সাদেক আলী কাজীর ছেলে। ঘটনায় আরও দুজন জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ধর্ষণের শিকার ওই নারী বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ ও মামলা চলমান থাকায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা বাইরে
থাকেন। ঘটনার সময় সন্তানদের নিয়ে আমি একাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। গভীর রাতে ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে আমার সন্তানদের সামনে আমার হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এসময় আমি বাধা দিতে গেলে আমার সাথে তাদের ধস্তাধস্তি বাধে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আমি একজনের দাঁড়ি টেনে ধরি। পরে সে আমাকে ঘুষি দিলে আমার দাঁত পড়ে যায়। এরমধ্যে আমি আকবর ও সোহাগকে চিনতে পেরেছি। প্রতিবেশী আমেনা নামে এক নারী বলেন, ঘটনার পরও (ভুক্তভোগী) আমার দরজায় এসে আওয়াজ দেয়। আমি ভাবসি কে না কে। পরে দরজা খুলতেই দেখি আমার দরজার সামনে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে সে (ভুক্তভোগী)। তখন সে পুরো উলঙ্গ। পরে আমরা তার গায়ে একটি
কাপড় জড়িয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। ভুক্তভোগী নারীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয়রা শুক্রবার সকালে যুবদল নেতা সোহাগ ও আকবরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে একপর্যায়ে সোহাগ ও আকবর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, “এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি। অন্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সদস্যরা বাইরে ছিলেন। ফলে সন্তানদের নিয়ে তিনি একাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার সন্তানদেরও দূরে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিকদের ওই নারী জানান, ঘটনার সময় তিনি দুজনকে চিনতে পেরেছেন। তারা হলেন—আকবর ও সোহাগ কাজী। পরিচয় নিশ্চিত করে তিনি জানান, সোহাগ কাজী পাটগাতী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এবং স্থানীয় সাদেক আলী কাজীর ছেলে। ঘটনায় আরও দুজন জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ধর্ষণের শিকার ওই নারী বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ ও মামলা চলমান থাকায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা বাইরে
থাকেন। ঘটনার সময় সন্তানদের নিয়ে আমি একাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। গভীর রাতে ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে আমার সন্তানদের সামনে আমার হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এসময় আমি বাধা দিতে গেলে আমার সাথে তাদের ধস্তাধস্তি বাধে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আমি একজনের দাঁড়ি টেনে ধরি। পরে সে আমাকে ঘুষি দিলে আমার দাঁত পড়ে যায়। এরমধ্যে আমি আকবর ও সোহাগকে চিনতে পেরেছি। প্রতিবেশী আমেনা নামে এক নারী বলেন, ঘটনার পরও (ভুক্তভোগী) আমার দরজায় এসে আওয়াজ দেয়। আমি ভাবসি কে না কে। পরে দরজা খুলতেই দেখি আমার দরজার সামনে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে সে (ভুক্তভোগী)। তখন সে পুরো উলঙ্গ। পরে আমরা তার গায়ে একটি
কাপড় জড়িয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। ভুক্তভোগী নারীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয়রা শুক্রবার সকালে যুবদল নেতা সোহাগ ও আকবরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে একপর্যায়ে সোহাগ ও আকবর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, “এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি। অন্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



