ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচে ভারতের লড়াই, তবে ৪-০ গোলের বড় জয় ব্রাজিলের
এশিয়ান গেমসে হারের পর লিটনকে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ‘ব্যক্তিগত আক্রমণ’
ব্রাজিল-ভারত ম্যাচের সম্ভাব্য একাদশ
যুবভারতীতে সাম্বা ঝড় সামলানোর পরীক্ষা
৯ গোল খেয়ে হারের পর নাইটক্লাবে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নারী নিয়ে ফূর্তির ছবি-ভিডিও ভাইরাল!
দেখে নিন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি
২০২৭ বিশ্বকাপে কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশ
বিদায়ী ম্যাচে প্রস্তুত মেসি
অবশেষে শেষ হতে চলেছে এক সোনালী অধ্যায়। মঙ্গলবার বেনিনের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচের মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে শেষবারের মতো মাঠে নামবেন ৩৯ বছর বয়সী এই খুদে জাদুকর। এর মাধ্যমেই দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নদের নতুন এক যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে।
দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশকে সেবা দেওয়ার পর চিরতরে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড তুলে দিচ্ছেন মেসি। বিদায়ী ম্যাচে তাঁর সঙ্গী হতে যাচ্ছেন ৮৫,০০০ দর্শক এবং কাতার বিশ্বকাপের বেশ কয়েকজন সতীর্থ। সঙ্গে থাকছে আর্জেন্টিনার উদীয়মান প্রজন্মের ফুটবলারেরাও। এই প্রীতি ম্যাচটি প্রতীকীভাবে ব্যাটন হস্তান্তরের নিদর্শন, যেখানে বিশ্বজয়ী এই মহাতারকার ঝুলিতে
রয়েছে একটি বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা এবং ফিনালিসিমা ট্রফি। আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে বিদায় নিচ্ছেন মেসি। জাতীয় দলের হয়ে ২০৭ ম্যাচে ১২৫টি গোল করার পাশাপাশি রেকর্ড ৬৮টি অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর। নিউ জার্সিতে স্পেনের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের আড়াই মাস পর বিদায় নিচ্ছেন তিনি। গত আগস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে মেসি লিখেছিলেন, ‘আমি আমার সবকিছু দিয়েছি; দেওয়ার আর কিছু বাকি নেই। তাছাড়া দারুণ কিছু তরুণ ফুটবলার উঠে আসছে, যারা সুযোগ পাওয়ার যোগ্য।’ ইন্টার মায়ামির সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও, দুই মাস আগে বাবা হোর্হের মৃত্যুর পর মেসি জানিয়েছিলেন, ভাবনার আগেই হয়তো সব ধরনের ফুটবলকে বিদায় জানাতে
পারেন তিনি। বিশ্বের ৯৩ নম্বর দল বেনিনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বিদায়ী ম্যাচে মেসির সঙ্গে থাকবেন ২০২২ কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ও তাঁদের পরিবার। ডোহা জয়ের নায়ক আনহেল দি মারিয়া—যিনি ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন—তিনিও উপস্থিত থাকবেন নতুন প্রজন্মের হাতে ব্যাটন তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি প্রত্যক্ষ করতে। ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো ও লিওনেল ফ্লোরেসের মতো দলের নতুনদের কয়েকজনের জন্মও হয়নি, যখন ২০০৫ সালে ‘লা পুলগা’ (ক্ষুদে মাছি) খ্যাত মেসির অভিষেক হয়েছিল। বিদায়ী ম্যাচ প্রসঙ্গে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘সবার জন্য এটি একটি অবিস্মরণীয় দিন হতে যাচ্ছে। সবাই এই ম্যাচে উপস্থিত থাকতে চায়, আর এখন শুধু মুহূর্তটি উপভোগ করার সময়।’ অধিনায়ককে ছাড়াই আর্জেন্টিনা দল নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিতে
শুরু করেছে। তবে সর্বকালের সেরা ফুটবলারের শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না বলেই মনে করেন স্কালোনি, ‘দলগতভাবে আমরা লিওর রেখে যাওয়া শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করব।’ মেসির পাশাপাশি মঙ্গলবার বিদায় জানাবেন ৩৮ বছর বয়সী সহ-অধিনায়ক নিকোলাস ওতামেন্দিও। অন্যদিকে রদ্রিগো দে পল এবং জিওভানি লো সেলসোকেও কেবল বেনিন ম্যাচের জন্যই দলে ডাকা হয়েছে, যা নির্দেশ করে যে হয়তো তাঁদেরও আর্জেন্টিনার জার্সিতে এটিই শেষ ম্যাচ। তবে মেসির পর যারা আর্জেন্টিনার কাণ্ডারি হতে যাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও এনজো ফার্নান্দেজ এবং ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেস। প্রথম থেকেই মেসির নেতৃত্বাধীন এই তরুণদের কাঁধে থাকবে মূল দায়িত্ব। ২০১০ দক্ষিণ
আফ্রিকা বিশ্বকাপে মেসি যে আর্মব্যান্ড পরেছিলেন, তা এবার পেতে যাচ্ছেন কঠোর ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকবেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস ও লাউতারো মার্তিনেস। ইতিমধ্যেই নতুনরা জয়ের ক্ষুধা দেখাতে শুরু করেছেন। গত বুধবার কর্ডোবায় বলিভিয়ার বিরুদ্ধে ৪-০ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ পরবর্তী যাত্রা শুরু করে তারা, যেখানে গোল করেন তরুণ নিকো পাজ ও হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ। এরপর শনিবার মনুমেন্টালে বুর্কিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দেয় আর্জেন্টিনা। নতুন আর্জেন্টিনা গড়ে উঠলেও একটি বড় প্রশ্ন এখনও থেকে যাচ্ছে—কে পরবেন মেসির ঐতিহাসিক ১০ নম্বর জার্সি? এ বিষয়ে স্কালোনি বলেন, ‘লিওর ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ১০ নম্বর জার্সি কাউকে দিচ্ছি না। তারপর দেখা যাবে।’
রয়েছে একটি বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা এবং ফিনালিসিমা ট্রফি। আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে বিদায় নিচ্ছেন মেসি। জাতীয় দলের হয়ে ২০৭ ম্যাচে ১২৫টি গোল করার পাশাপাশি রেকর্ড ৬৮টি অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর। নিউ জার্সিতে স্পেনের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের আড়াই মাস পর বিদায় নিচ্ছেন তিনি। গত আগস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে মেসি লিখেছিলেন, ‘আমি আমার সবকিছু দিয়েছি; দেওয়ার আর কিছু বাকি নেই। তাছাড়া দারুণ কিছু তরুণ ফুটবলার উঠে আসছে, যারা সুযোগ পাওয়ার যোগ্য।’ ইন্টার মায়ামির সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও, দুই মাস আগে বাবা হোর্হের মৃত্যুর পর মেসি জানিয়েছিলেন, ভাবনার আগেই হয়তো সব ধরনের ফুটবলকে বিদায় জানাতে
পারেন তিনি। বিশ্বের ৯৩ নম্বর দল বেনিনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বিদায়ী ম্যাচে মেসির সঙ্গে থাকবেন ২০২২ কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ও তাঁদের পরিবার। ডোহা জয়ের নায়ক আনহেল দি মারিয়া—যিনি ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন—তিনিও উপস্থিত থাকবেন নতুন প্রজন্মের হাতে ব্যাটন তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি প্রত্যক্ষ করতে। ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো ও লিওনেল ফ্লোরেসের মতো দলের নতুনদের কয়েকজনের জন্মও হয়নি, যখন ২০০৫ সালে ‘লা পুলগা’ (ক্ষুদে মাছি) খ্যাত মেসির অভিষেক হয়েছিল। বিদায়ী ম্যাচ প্রসঙ্গে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘সবার জন্য এটি একটি অবিস্মরণীয় দিন হতে যাচ্ছে। সবাই এই ম্যাচে উপস্থিত থাকতে চায়, আর এখন শুধু মুহূর্তটি উপভোগ করার সময়।’ অধিনায়ককে ছাড়াই আর্জেন্টিনা দল নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিতে
শুরু করেছে। তবে সর্বকালের সেরা ফুটবলারের শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না বলেই মনে করেন স্কালোনি, ‘দলগতভাবে আমরা লিওর রেখে যাওয়া শূন্যস্থান পূরণের চেষ্টা করব।’ মেসির পাশাপাশি মঙ্গলবার বিদায় জানাবেন ৩৮ বছর বয়সী সহ-অধিনায়ক নিকোলাস ওতামেন্দিও। অন্যদিকে রদ্রিগো দে পল এবং জিওভানি লো সেলসোকেও কেবল বেনিন ম্যাচের জন্যই দলে ডাকা হয়েছে, যা নির্দেশ করে যে হয়তো তাঁদেরও আর্জেন্টিনার জার্সিতে এটিই শেষ ম্যাচ। তবে মেসির পর যারা আর্জেন্টিনার কাণ্ডারি হতে যাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও এনজো ফার্নান্দেজ এবং ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেস। প্রথম থেকেই মেসির নেতৃত্বাধীন এই তরুণদের কাঁধে থাকবে মূল দায়িত্ব। ২০১০ দক্ষিণ
আফ্রিকা বিশ্বকাপে মেসি যে আর্মব্যান্ড পরেছিলেন, তা এবার পেতে যাচ্ছেন কঠোর ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকবেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস ও লাউতারো মার্তিনেস। ইতিমধ্যেই নতুনরা জয়ের ক্ষুধা দেখাতে শুরু করেছেন। গত বুধবার কর্ডোবায় বলিভিয়ার বিরুদ্ধে ৪-০ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ পরবর্তী যাত্রা শুরু করে তারা, যেখানে গোল করেন তরুণ নিকো পাজ ও হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ। এরপর শনিবার মনুমেন্টালে বুর্কিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দেয় আর্জেন্টিনা। নতুন আর্জেন্টিনা গড়ে উঠলেও একটি বড় প্রশ্ন এখনও থেকে যাচ্ছে—কে পরবেন মেসির ঐতিহাসিক ১০ নম্বর জার্সি? এ বিষয়ে স্কালোনি বলেন, ‘লিওর ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ১০ নম্বর জার্সি কাউকে দিচ্ছি না। তারপর দেখা যাবে।’



