ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পুরস্কার গ্রহণ করলেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্রচণ্ড দাবদাহ: স্থগিত ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস
নিউইয়র্কে ১০২ তলা ভবনের চূড়ায় উঠে রুশ যুগলের কাণ্ড
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত।
লালপরী খ্যাত জেনিফার রাজকুমার হারলেন
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন নবীন-প্রবীনের মিলনমেলায়
‘ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়, বাংলাদেশ একাত্তরেই ফিরবে’: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ড. জাফর ইকবাল
“বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের ভূমি, দেশ সেদিকেই ফিরবে। যারা একাত্তরের চেতনা মুছে দিতে চেয়েছে, এরা এখন চিহ্নিত—এদের শাস্তি পেতেই হবে।”
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত এক সুধী সমাবেশে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং ইতিহাস মুছে ফেলার চক্রান্তের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে কথাগুলো বলেছেন বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন এই শিক্ষাবিদ। নিজের এই দুই বছরের প্রবাস জীবনকে ‘নির্বাসিত’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত একাত্তরের আদর্শেই ফিরে যাবে।
“ওরা রিসেট বাটন টিপতে চেয়েছে, কিন্তু ইতিহাস মোছা যায় না”
নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা’-য় ঘোষিত ‘নবী-জিনাত
সাহিত্য পুরস্কার’ আনুষ্ঠানিকভাবে ড. জাফর ইকবালের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য ‘একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশন’ এই সমাবেশের আয়োজন করে। মুক্তিযোদ্ধা নূরুন নবীর বাসভবন প্রাঙ্গণে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের উপস্থিতিতে পুরস্কার নেওয়ার পর জাফর ইকবাল বলেন, ”ওরা রিসেট বাটন টিপতে চেয়েছে। আমি পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে এর পরিণতি ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া জানি; ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়। এই দেশ কখনোই একাত্তরের পরাজিত শক্তির হতে পারে না।” নিজের শহীদ পিতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত এই শিক্ষাবিদ তরুণ প্রজন্মকে কেবল অর্থ উপার্জন নয়, বরং বিজ্ঞানমনস্ক বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। বিদেশে অবস্থানরত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যেন তারা কেবল
‘মিলিয়নিয়ার’ নয়, ‘বিলিওনিয়ার’ হন—যাতে সেই অর্থ দিয়ে দেশে নতুন শিক্ষাকেন্দ্র ও বিজ্ঞান চর্চার পরিবেশ গড়ে তোলা যায়। “ড. ইউনূসের মনে যে এত বিষ ছিল, কেউ বোঝেনি”: ইয়াসমিন হক সমাবেশে অধ্যাপক ইয়াসমিন হক বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করেন। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি মন্তব্য করেন, ”বাংলাদেশের চরম ক্ষতি যে লোকটি করেছেন, তার নাম ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার মনে যে এই বিষ জমা ছিল, তা আগে কেউ বুঝতে পারেনি।” তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তারা ‘দেশহীন’ অবস্থায় দিন কাটালেও খুব জলদিই একাত্তরের সেই স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরতে চান—যেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে। তার মতে, একটি
সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসকে মুছে ফেলার চক্রান্তে মেতেছে। হুমায়ূন আহমেদ স্মরণ ও অনুষ্ঠান পরিচালনা এদিনের সমাবেশটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস হওয়ায় তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণের মাধ্যমে শুরু হয়। মুক্তিযোদ্ধা নূরুন নবীর সভাপতিত্বে এবং ফকির ইলিয়াসের সুনিপুণ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জাকারিয়া চৌধুরী, বেলালসহ উত্তর আমেরিকার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ব্যক্তিত্বরা বক্তব্য প্রদান করেন।
সাহিত্য পুরস্কার’ আনুষ্ঠানিকভাবে ড. জাফর ইকবালের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য ‘একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশন’ এই সমাবেশের আয়োজন করে। মুক্তিযোদ্ধা নূরুন নবীর বাসভবন প্রাঙ্গণে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের উপস্থিতিতে পুরস্কার নেওয়ার পর জাফর ইকবাল বলেন, ”ওরা রিসেট বাটন টিপতে চেয়েছে। আমি পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে এর পরিণতি ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া জানি; ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়। এই দেশ কখনোই একাত্তরের পরাজিত শক্তির হতে পারে না।” নিজের শহীদ পিতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত এই শিক্ষাবিদ তরুণ প্রজন্মকে কেবল অর্থ উপার্জন নয়, বরং বিজ্ঞানমনস্ক বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। বিদেশে অবস্থানরত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যেন তারা কেবল
‘মিলিয়নিয়ার’ নয়, ‘বিলিওনিয়ার’ হন—যাতে সেই অর্থ দিয়ে দেশে নতুন শিক্ষাকেন্দ্র ও বিজ্ঞান চর্চার পরিবেশ গড়ে তোলা যায়। “ড. ইউনূসের মনে যে এত বিষ ছিল, কেউ বোঝেনি”: ইয়াসমিন হক সমাবেশে অধ্যাপক ইয়াসমিন হক বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করেন। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি মন্তব্য করেন, ”বাংলাদেশের চরম ক্ষতি যে লোকটি করেছেন, তার নাম ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার মনে যে এই বিষ জমা ছিল, তা আগে কেউ বুঝতে পারেনি।” তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তারা ‘দেশহীন’ অবস্থায় দিন কাটালেও খুব জলদিই একাত্তরের সেই স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরতে চান—যেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে। তার মতে, একটি
সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসকে মুছে ফেলার চক্রান্তে মেতেছে। হুমায়ূন আহমেদ স্মরণ ও অনুষ্ঠান পরিচালনা এদিনের সমাবেশটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস হওয়ায় তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণের মাধ্যমে শুরু হয়। মুক্তিযোদ্ধা নূরুন নবীর সভাপতিত্বে এবং ফকির ইলিয়াসের সুনিপুণ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জাকারিয়া চৌধুরী, বেলালসহ উত্তর আমেরিকার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ব্যক্তিত্বরা বক্তব্য প্রদান করেন।



