ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যালায়েন্সে নতুন নেতৃত্ব, আগস্টেই গণতান্ত্রিক উপবিধি প্রণয়নের ঘোষণা: প্রবাসীদের অংশগ্রহণে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংগঠন গঠনের প্রত্যয়; চেয়ারম্যান নির্বাচিত আজম চৌধুরী
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন তসলিমা, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য
নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের জয়জয়কার: সেরা অভিনেতা শাকিব খান, সেরা অভিনেত্রী বুবলী, সেরা পরিচালক হৃদি হক; আজীবন সম্মাননা পেলেন কিংবদন্তি আহমেদ শরীফ
নিউ ইয়র্কে ছাত্রলীগের দুদলের মারামারি, গ্রেপ্তার ২
বনের নৈসর্গিক পরিবেশে বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতির অনন্য মিলনমেলা: নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো চতুর্থ রকল্যান্ড রিট্রিট ও বইমেলা ২০২৬
পূর্ণিমার আলোয় রকওয়ে বিচে ফিরছে বহুল প্রতীক্ষিত জোছনা উৎসব: কয়েক বছর পর ৩১ জুলাই প্রবাসী বাঙালিদের মিলনমেলায় নাচ, গান, কবিতা, ঘুড়ি উৎসব ও তারকাদের অংশগ্রহণ
‘ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়, বাংলাদেশ একাত্তরেই ফিরবে’: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ড. জাফর ইকবাল
শোককে শক্তিতে রূপান্তরের অঙ্গীকারে নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু স্মরণে প্রবাসীদের আলোর মিছিল: আগস্টের প্রথম প্রহরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, কালো ব্যাজ ও শোক র্যালি; বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয়
বাঙালি জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাবিধুর অধ্যায় ১৫ আগস্টকে স্মরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে আগস্টের শোক কর্মসূচির সূচনা হয়েছে গভীর শ্রদ্ধা, আবেগ ও অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডে শহীদ তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্মরণে আগস্টের প্রথম প্রহরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, কালো ব্যাজ ধারণ ও শোক র্যালি। শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
ইউ.এস. আওয়ামী লীগ ইস্ট কোস্ট (পূর্বাঞ্চল)-এর উদ্যোগে গত ৩১ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে নিউইয়র্কের নবান্ন রেস্টুরেন্টের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ‘শোকই হোক শক্তি’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত
অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রবাসী বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। মোমবাতির আলোয় আলোকিত পরিবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ নেন এবং শোককে শক্তিতে পরিণত করে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ছিল শুধু বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের ওপর নৃশংস হত্যাযজ্ঞ নয়; এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়ের ওপর সুপরিকল্পিত আঘাত। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা গেলেও তাঁর আদর্শ, স্বাধীনতার চেতনা এবং বাঙালির মুক্তির দর্শনকে কখনো হত্যা করা যায়নি। তারা আরও বলেন, আগস্ট শুধু শোকের মাস নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, ঐক্য,
প্রেরণা ও অঙ্গীকারের মাস। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বাংলাদেশের জন্মগাঁথা তুলে ধরার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রতীকী মোমবাতি প্রজ্জ্বলন। অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর প্রতীক হিসেবে প্রজ্জ্বলিত প্রতিটি মোমবাতি ছিল বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধার প্রতীক। কালো ব্যাজ ধারণ এবং শোক র্যালির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা প্রবাসী সমাজে আগস্টের শোক, ইতিহাস ও চেতনাকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেন। আয়োজকরা জানান, আগস্টজুড়ে নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোকসভা এবং বিভিন্ন সামাজিক
ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পালন করা হবে। ডাইভারসিটি প্লাজাসহ বিভিন্ন স্থানে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগস্টের প্রথম প্রহরের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা প্রদীপ কর, মহানগর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাছুদ সিরাজী, যুক্তরাষ্ট্র পূর্বাঞ্চল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান মামুন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মো. সোলাইমান আলী, আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক টি. মোল্লা, সাংবাদিক দস্তগীর জাহাঙ্গীর, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, শেখ আতিক, সিটি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন সাখাওয়াত, লিটন হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক
জুয়েল আহমেদ, সহ-সভাপতি মনজুর চৌধুরী, যুবলীগ নেতা শেখ জামাল, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা শাহ সেলিম, জলিল মাতুব্বর, কায়কোবাদ হোসেন, আতাউর রহমান, শহিদুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রুমানা আক্তার, জেড এ জয়, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি, আনিসুজ্জামান সবুজ, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর মিয়া, বিদ্যুৎ হোসেনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। শোকাবহ আগস্টের প্রথম প্রহরে প্রবাসের মাটিতে একটাই প্রত্যয় উচ্চারিত হয়—বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রবাসীরা অতীতের মতোই ঐক্যবদ্ধ থাকবে। মোমবাতির আলোকরেখায়, কালো ব্যাজের নীরব ভাষায় এবং শোক র্যালির পদধ্বনিতে নিউইয়র্ক থেকে উচ্চারিত হয়
এক দৃঢ় অঙ্গীকার—শোকই হোক শক্তি, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নই হোক আগামী বাংলাদেশের প্রেরণা।
অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রবাসী বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। মোমবাতির আলোয় আলোকিত পরিবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ নেন এবং শোককে শক্তিতে পরিণত করে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ছিল শুধু বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের ওপর নৃশংস হত্যাযজ্ঞ নয়; এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়ের ওপর সুপরিকল্পিত আঘাত। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা গেলেও তাঁর আদর্শ, স্বাধীনতার চেতনা এবং বাঙালির মুক্তির দর্শনকে কখনো হত্যা করা যায়নি। তারা আরও বলেন, আগস্ট শুধু শোকের মাস নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, ঐক্য,
প্রেরণা ও অঙ্গীকারের মাস। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বাংলাদেশের জন্মগাঁথা তুলে ধরার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রতীকী মোমবাতি প্রজ্জ্বলন। অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর প্রতীক হিসেবে প্রজ্জ্বলিত প্রতিটি মোমবাতি ছিল বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধার প্রতীক। কালো ব্যাজ ধারণ এবং শোক র্যালির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা প্রবাসী সমাজে আগস্টের শোক, ইতিহাস ও চেতনাকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেন। আয়োজকরা জানান, আগস্টজুড়ে নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোকসভা এবং বিভিন্ন সামাজিক
ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পালন করা হবে। ডাইভারসিটি প্লাজাসহ বিভিন্ন স্থানে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগস্টের প্রথম প্রহরের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা প্রদীপ কর, মহানগর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাছুদ সিরাজী, যুক্তরাষ্ট্র পূর্বাঞ্চল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান মামুন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মো. সোলাইমান আলী, আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক টি. মোল্লা, সাংবাদিক দস্তগীর জাহাঙ্গীর, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, শেখ আতিক, সিটি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন সাখাওয়াত, লিটন হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক
জুয়েল আহমেদ, সহ-সভাপতি মনজুর চৌধুরী, যুবলীগ নেতা শেখ জামাল, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা শাহ সেলিম, জলিল মাতুব্বর, কায়কোবাদ হোসেন, আতাউর রহমান, শহিদুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রুমানা আক্তার, জেড এ জয়, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি, আনিসুজ্জামান সবুজ, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর মিয়া, বিদ্যুৎ হোসেনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। শোকাবহ আগস্টের প্রথম প্রহরে প্রবাসের মাটিতে একটাই প্রত্যয় উচ্চারিত হয়—বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রবাসীরা অতীতের মতোই ঐক্যবদ্ধ থাকবে। মোমবাতির আলোকরেখায়, কালো ব্যাজের নীরব ভাষায় এবং শোক র্যালির পদধ্বনিতে নিউইয়র্ক থেকে উচ্চারিত হয়
এক দৃঢ় অঙ্গীকার—শোকই হোক শক্তি, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নই হোক আগামী বাংলাদেশের প্রেরণা।



