ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুনামগঞ্জে চাঁদাবাজির সময় জামায়াতের রোকন ও দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধিকে গণধোলাই
বাসা থেকে মব করে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শারমিনকে আটক, প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে উদ্বেগ
আওয়ামী লীগের ঠেকানোর মিছিল করতে গিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, দায় চাপল বিএনপির গুপ্তদের ঘাড়ে
চাঁদাবাজির অভিযোগে খিলক্ষেত থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোর গ্রেপ্তার
ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিনই আধিপত্য বিস্তারের জেরে ছাত্রদলকর্মীর কবজি ও আঙুল বিচ্ছিন্ন
মিষ্টির রাজনৈতিক উত্থান যেভাবে
কুমিল্লায় বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-অগ্নিসংযোগ: যুবদল-ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধেই মামলা
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, তাণ্ডব ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে নিজ দলের অঙ্গসংগঠন যুবদল ও ছাত্রদলের ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আদালতে লালমাই উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মিয়াজী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সুলতানা মলি অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে লালমাই উপজেলা যুবদলের ব্যানারে একটি কর্মসূচি শেষে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে
সড়ক অবরোধ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে বিএনপি কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয় এবং কার্যালয়ে থাকা পোস্টার, ব্যানার ও শীর্ষ নেতাদের ছবি বের করে এনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি বাদীর। এ মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় লালমাই উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান মজুমদার, ডা. মহিন উদ্দিনসহ যুবদল ও ছাত্রদলের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের নাম রয়েছে। বাদীর আইনজীবী ওমর ফারুক জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করেই আসামিদের শনাক্ত করে আদালতে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। তবে সব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে লালমাই উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক
জাবের আহমেদ জাবেদ বলেন, “পুলিশের উপস্থিতিতে সেদিন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। কার্যালয়ে কে বা কারা হামলা করেছে তা আমাদের জানা নেই। মূলত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও সাংগঠনিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।” ঘটনার সঠিক সত্যতা ও কারা প্রকৃতপক্ষে এই তাণ্ডবের পেছনে জড়িত, তা পিবিআই-এর তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর স্পষ্ট হবে।
সড়ক অবরোধ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে বিএনপি কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয় এবং কার্যালয়ে থাকা পোস্টার, ব্যানার ও শীর্ষ নেতাদের ছবি বের করে এনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি বাদীর। এ মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় লালমাই উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান মজুমদার, ডা. মহিন উদ্দিনসহ যুবদল ও ছাত্রদলের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের নাম রয়েছে। বাদীর আইনজীবী ওমর ফারুক জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করেই আসামিদের শনাক্ত করে আদালতে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। তবে সব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে লালমাই উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক
জাবের আহমেদ জাবেদ বলেন, “পুলিশের উপস্থিতিতে সেদিন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। কার্যালয়ে কে বা কারা হামলা করেছে তা আমাদের জানা নেই। মূলত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও সাংগঠনিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।” ঘটনার সঠিক সত্যতা ও কারা প্রকৃতপক্ষে এই তাণ্ডবের পেছনে জড়িত, তা পিবিআই-এর তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর স্পষ্ট হবে।



