ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যৌন হয়রানির অভিযোগে বেরোবির তিন শিক্ষকের পদাবনতি
রাজনৈতিক বিবেচনায় বাদ পড়া প্রাথমিকের শিক্ষকদের ৫ দফা দাবিতে মাঠে নামার ঘোষণা
ক্যাম্পাস কোনো ছাত্র সংগঠনের হতে দেওয়া হবে না, জানালেন গুপ্ত শিবির নেতা ফরহাদ
‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ গানের সেই বিউটি রানি এবার জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক
হাবিপ্রবি ছাত্রীনিবাস থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
৮৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ
তেলের দাম বৃদ্ধির নিয়ে ফেসবুক পোস্ট: ছাত্রদল নেতাকে শোকজ
ক্ষমতার দাপটে ফাউ খাওয়ার ধুম, বকেয়া টাকা চাইলে ক্যান্টিন বন্ধের হুমকি চবি ছাত্রদল নেতার
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) স্যার এ.এফ. রহমান হল ছাত্রসংসদের জিএস ও শাখা ছাত্রদলের নেতা তামিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে হলের ক্যান্টিনে খাবার খেয়ে বিল না দেওয়ার (ফাউ খাওয়া) গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, পদবী ও দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিতে খেয়ে আসছেন এবং টাকা চাইলে উল্টো ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন।
ক্যান্টিন সংশ্লিষ্টরা জানান, জিএস নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তামিম চৌধুরী খাবারের বিল দেওয়া বন্ধ করে দেন। তিনি প্রায়শই বন্ধুদের নিয়ে এসে নাস্তার বদলে বড় অঙ্কের বিল করেন এবং খাওয়ার শেষে টাকা না দিয়েই সটান কেটে পড়েন। বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বাকির খাতার মতো নয়; বরং তিনি বকেয়া রাখার কথা না
বলেই প্রতিদিন ফ্রিতে খেয়ে যান। সম্প্রতি ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ বকেয়া টাকা চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যান্টিন বন্ধ করার হুমকি দেন। ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির দাবি, তার রাজনৈতিক দল বর্তমানে প্রভাবশালী অবস্থানে থাকায় এই আচরণ করছেন তিনি। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা তামিম চৌধুরী। তার দাবি, তিনি ক্যান্টিনে সচরাচর যান না। আর গেলেও নিজ থেকে বিল দিতে চান, কিন্তু ক্যান্টিন মালিক তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। হল সংসদের জিএস হিসেবে সম্মানের খাতিরেই তারা হয়তো টাকা নেন না বলে তিনি ধারণা করছেন। বিষয়টি তিনি হল সংসদের অন্যান্য প্রতিনিধিদেরও জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে সাংগঠনিক অবস্থান জানতে চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল
নোমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বলেই প্রতিদিন ফ্রিতে খেয়ে যান। সম্প্রতি ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ বকেয়া টাকা চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যান্টিন বন্ধ করার হুমকি দেন। ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির দাবি, তার রাজনৈতিক দল বর্তমানে প্রভাবশালী অবস্থানে থাকায় এই আচরণ করছেন তিনি। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা তামিম চৌধুরী। তার দাবি, তিনি ক্যান্টিনে সচরাচর যান না। আর গেলেও নিজ থেকে বিল দিতে চান, কিন্তু ক্যান্টিন মালিক তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। হল সংসদের জিএস হিসেবে সম্মানের খাতিরেই তারা হয়তো টাকা নেন না বলে তিনি ধারণা করছেন। বিষয়টি তিনি হল সংসদের অন্যান্য প্রতিনিধিদেরও জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে সাংগঠনিক অবস্থান জানতে চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল
নোমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।



