ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘সম্পর্ক উন্নয়নে’ চীন সফরের পর ‘র’ প্রধান এখন বাংলাদেশে
ডিজিএফআই’র আমন্ত্রণে ঢাকায় ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা: জামায়াতের সাথে মার্কিন থিংক ট্যাংকের বৈঠক
র্যাবের হেলিকপ্টার কি ছয়তলার উচ্চতায় নেমে এসেছিল?
প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার পাশে রঙ করলেও অপর পাশ মলিন, ক্ষুব্ধ চট্টগ্রামবাসী
পুলিশের ৭ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন
‘র’ প্রধান ঢাকায়
হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর পথ চলার আশ্বাস তারেক রহমানের
‘আমিররাও বখরা খায়’, আমিরের উদ্দেশ্যে উপজেলা জামায়াত নেতার ফেসবুকে ক্ষোভ
আমিররাও ভাগ খায়?’—এমন প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
পোস্টটি উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলীকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
গতকাল দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর রৌমারী উপজেলার ‘আবু সাঈদ ইউনিট’-এর সাধারণ সম্পাদক শইমী ইমরান হিকিম নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্টটি দেন।
এ নিয়ে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
শইমী ইমরান হিকিম তার পোস্টে লেখেন, ‘আমিররাও ভাগ খায়? ভাগ পায়, ভালোই তো ভাগাভাগির রাজনীতি। সামনে আরও কত কিছু দেখবো। বিকারগ্রস্ত ব্যক্তির দ্বারা সব সম্ভব।’
পোস্টে নির্দিষ্ট কারও নাম উল্লেখ না করা হলেও এটি উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলীকে উদ্দেশ্য করে
দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় দলীয় সূত্রে জানা গেছে। পোস্টটি নিয়ে ‘আবু সাঈদ ইউনিট’-এর সভাপতি মো. মাহবুব আলম মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর আমির মানে একটা উপজেলার জামায়াতে ইসলামীর অভিভাবক। সেই অভিভাবক যদি কারও সঙ্গে লিঁয়াজু মেনটেইন করে চলে, অন্যায় প্রশ্রয় দিয়ে চলে, জামায়াতের এমপিকে ছোট করার জন্য নিজেকে বড় করে জাহির করে চলে; অন্যায় করলে প্রমাণ না থাকার পরেও বিচার করার হিম্মত বা সাহস না থাকে—তাহলে আমির দিয়েই বা কী হবে?’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা এমন উপজেলা আমির চাই যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স জারি করবে। যে এমপির সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জামায়াতের প্রতিটি
কর্মীকে মূল্যায়ন করবে। কারও অবৈধ ইনকামের ভাগিদার হবে না। এমপিকে ভাশুর মনে করে মিলেমিশে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে জোটবদ্ধভাবে কাজ করবে। আপনারা কী আগামীতে এমন উপজেলার আমির চান?’ একই পোস্টের মন্তব্যে মেহেদি হাসান মিথুন নামে আরেক জামায়াত কর্মী লেখেন, ‘৬০%-৪০% খাওয়া-দাওয়া বেশ হচ্ছে।’ পোস্টের বিষয়ে জানতে শইমী ইমরান হিকিমের সঙ্গে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনও বক্তব্য দেননি। তবে অভিযোগের বিষয়ে রৌমারী উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলী বলেন, তাকে উদ্দেশ্য করেই ফেসবুকে ওই স্ট্যাটাস ও মন্তব্য করা হয়েছে। তবে তিনি কোনও ধরনের ভাগাভাগি বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন। হায়দার আলী বলেন, ‘বরং এমপির প্রতিনিধি হিসেবে তারা নিজেরাই নানা অনিয়ম করেছেন, যার প্রমাণ
পাওয়া গেছে। হয়তো সেই কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা এসব ফেসবুকে লিখছেন ও মন্তব্য করছেন।’ তিনি আরও বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে জেলা নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান স্বপন বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে যে পক্ষেরই ত্রুটি পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘উপজেলা আমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় দলীয় সূত্রে জানা গেছে। পোস্টটি নিয়ে ‘আবু সাঈদ ইউনিট’-এর সভাপতি মো. মাহবুব আলম মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর আমির মানে একটা উপজেলার জামায়াতে ইসলামীর অভিভাবক। সেই অভিভাবক যদি কারও সঙ্গে লিঁয়াজু মেনটেইন করে চলে, অন্যায় প্রশ্রয় দিয়ে চলে, জামায়াতের এমপিকে ছোট করার জন্য নিজেকে বড় করে জাহির করে চলে; অন্যায় করলে প্রমাণ না থাকার পরেও বিচার করার হিম্মত বা সাহস না থাকে—তাহলে আমির দিয়েই বা কী হবে?’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা এমন উপজেলা আমির চাই যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স জারি করবে। যে এমপির সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জামায়াতের প্রতিটি
কর্মীকে মূল্যায়ন করবে। কারও অবৈধ ইনকামের ভাগিদার হবে না। এমপিকে ভাশুর মনে করে মিলেমিশে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে জোটবদ্ধভাবে কাজ করবে। আপনারা কী আগামীতে এমন উপজেলার আমির চান?’ একই পোস্টের মন্তব্যে মেহেদি হাসান মিথুন নামে আরেক জামায়াত কর্মী লেখেন, ‘৬০%-৪০% খাওয়া-দাওয়া বেশ হচ্ছে।’ পোস্টের বিষয়ে জানতে শইমী ইমরান হিকিমের সঙ্গে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনও বক্তব্য দেননি। তবে অভিযোগের বিষয়ে রৌমারী উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলী বলেন, তাকে উদ্দেশ্য করেই ফেসবুকে ওই স্ট্যাটাস ও মন্তব্য করা হয়েছে। তবে তিনি কোনও ধরনের ভাগাভাগি বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন। হায়দার আলী বলেন, ‘বরং এমপির প্রতিনিধি হিসেবে তারা নিজেরাই নানা অনিয়ম করেছেন, যার প্রমাণ
পাওয়া গেছে। হয়তো সেই কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা এসব ফেসবুকে লিখছেন ও মন্তব্য করছেন।’ তিনি আরও বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে জেলা নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান স্বপন বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে যে পক্ষেরই ত্রুটি পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘উপজেলা আমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।’



