ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুটি মনোনয়ন ফরম নিল বিএনপি
আলিয়া মাদ্রাসায় হল দখল নিয়ে ফের মুখোমুখি ছাত্রদল-শিবির
রাশেদ: জুলাইর সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেন জামায়াত আমির, ক্ষমতায় যেতে অন্যায়, মিথ্যাচার ও মোনাফেকি করেছেন
বিবস্ত্র অবস্থায় পরনারীর ঘর থেকে যুবদল সভাপতিকে আটকের পর উত্তম-মধ্যম
‘আপনারা দেখেননি, আমরা কীভাবে থানা জ্বালিয়ে পিটিয়ে পুলিশ মেরেছি’: প্রকাশ্যে এনসিপি নেতার স্বীকারোক্তি
ইআবা নেতা ফয়জুল করিম: ‘জুলাইতে রাজপথে ছিলাম আমরা, বিএনপি-জামায়াত ছিল না’
ছাত্রলীগের মিছিল করায় ১৪ বছরের কিশোরকে ১৯ বছর দেখিয়ে গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ
আওয়ামী লীগের সময়ে বরাদ্দকৃত সোহেল তাজের রাজউকের প্লট বাতিল করছে বিএনপি সরকার
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশেষ কোটায় বরাদ্দ দেওয়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লটগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করে বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান বিএনপি সরকার। এরই অংশ হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও গাজীপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানজিম আহমদ সোহেল তাজের নামে বরাদ্দ দেওয়া একটি পাঁচ কাঠার প্লট বাতিলের প্রাথমিক সুপারিশ করেছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।
রাজউকের নথি পর্যালোচনায় এসব তথ্য জানা গেছে।
নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালে রাজউকের উত্তরা তৃতীয় পর্ব আবাসিক এলাকায় বিশেষ কোটায় পাঁচ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ পান সোহেল তাজ। ওই বছর অনুষ্ঠিত রাজউকের ষষ্ঠ বোর্ড সভায় উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টরের ই-ব্লকের ১/এ নম্বর সড়কের ১ নম্বর প্লটটি তার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্লটটির
আইডি নম্বর ১৬/ই-০১/এ-০০১। বরাদ্দের নথিতে সোহেল তাজের জন্মতারিখ ৫ই জানুয়ারি ১৯৭০ এবং পিতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নাম উল্লেখ রয়েছে। রাজউকের সংরক্ষিত কোটায় সংসদ সদস্য ক্যাটাগরিতে গাজীপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে তাকে প্লটটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। রাজউকের নথি অনুযায়ী, পাঁচ কাঠার ওই প্লটের জন্য কাঠাপ্রতি ৬ লাখ টাকা হিসেবে মোট ৩০ লাখ টাকা রাজউকের কোষাগারে জমা দেন সোহেল তাজ। পরবর্তী সময়ে প্লটটি তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। দলিল নম্বর ৯৩২১ অনুযায়ী ২০১২ সালের ৩০শে জুলাই প্লটটির হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। তবে বরাদ্দ পাওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই প্লটটি বিক্রি করে দেন সোহেল তাজ। নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ১৫ই ডিসেম্বর তাসফিয়া কলিম ও লামিমা কলিম
নামে দুই ব্যক্তির কাছে প্লটটি বিক্রি করা হয়। রাজউকের কর্মকর্তাদের ধারণা, ওই সময় বাজারমূল্য বিবেচনায় প্লটটি প্রায় ৬ থেকে ৭ কোটি টাকায় বিক্রি হয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টরের ই-ব্লকের ওই প্লটটি খালি পড়ে রয়েছে। সরেজমিনে সেখানে কোনো স্থাপনা বা নামফলক দেখা যায়নি। আশপাশের বেশ কয়েকটি প্লটে ভবন নির্মাণের কাজ চললেও সোহেল তাজের নামে বরাদ্দ দেওয়া প্লটটি বর্তমানে ফাঁকা। যে আইনে বরাদ্দ রাজউক কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা টাউন ইমপ্রুভমেন্ট (অ্যালটমেন্ট অব ল্যান্ডস) রুলস, ১৯৬৯-এর ১৩(এ) ধারায় বিশেষ বিবেচনায় প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দের সুযোগ রয়েছে। এ ধারার আওতায় প্রধানমন্ত্রী অথবা গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বিশেষ কোটায় প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিতে পারেন। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সরকারের
আমলেই এই বিধানের আওতায় বিশেষ কোটায় প্লট ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই ধারায় যেসব প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো আইন ও বরাদ্দের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নতুন করে যাচাই করছে সরকার। এ জন্য গঠিত কমিটি বরাদ্দের নথি পর্যালোচনা করে অসংগতি পাওয়া প্লট ও ফ্ল্যাটের তালিকা তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে কয়েকটি বরাদ্দ বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। সোহেল তাজের প্লটের ক্ষেত্রেও পর্যালোচনার পর কমিটি প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ বাতিলের সুপারিশ করেছে। বর্তমানে বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে। ‘সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়’ বিষয়টি নিয়ে রাজউকের চেয়ারম্যানের ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা
হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি প্লটগুলোর তালিকা পর্যালোচনা করেছে। এখন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, ‘এখানে রাজউকের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’ সোহেল তাজের বক্তব্য প্লট বাতিলের উদ্যোগ এবং বরাদ্দের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ৯ই আগস্ট দুপুরে সাবেক সংসদ সদস্য সোহেল তাজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। প্লটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোনটি কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে সোহেল তাজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজউকের কর্মকর্তারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশেষ কোটায় দেওয়া প্লট-ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে আইন, যোগ্যতা ও বরাদ্দের শর্ত যথাযথভাবে মানা হয়েছিল কি না—সেটিই বর্তমান পর্যালোচনার মূল
বিষয়। যাচাই শেষে যেসব বরাদ্দে অনিয়ম বা অসংগতি পাওয়া যাবে, সেগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
আইডি নম্বর ১৬/ই-০১/এ-০০১। বরাদ্দের নথিতে সোহেল তাজের জন্মতারিখ ৫ই জানুয়ারি ১৯৭০ এবং পিতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নাম উল্লেখ রয়েছে। রাজউকের সংরক্ষিত কোটায় সংসদ সদস্য ক্যাটাগরিতে গাজীপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে তাকে প্লটটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। রাজউকের নথি অনুযায়ী, পাঁচ কাঠার ওই প্লটের জন্য কাঠাপ্রতি ৬ লাখ টাকা হিসেবে মোট ৩০ লাখ টাকা রাজউকের কোষাগারে জমা দেন সোহেল তাজ। পরবর্তী সময়ে প্লটটি তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। দলিল নম্বর ৯৩২১ অনুযায়ী ২০১২ সালের ৩০শে জুলাই প্লটটির হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। তবে বরাদ্দ পাওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই প্লটটি বিক্রি করে দেন সোহেল তাজ। নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ১৫ই ডিসেম্বর তাসফিয়া কলিম ও লামিমা কলিম
নামে দুই ব্যক্তির কাছে প্লটটি বিক্রি করা হয়। রাজউকের কর্মকর্তাদের ধারণা, ওই সময় বাজারমূল্য বিবেচনায় প্লটটি প্রায় ৬ থেকে ৭ কোটি টাকায় বিক্রি হয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টরের ই-ব্লকের ওই প্লটটি খালি পড়ে রয়েছে। সরেজমিনে সেখানে কোনো স্থাপনা বা নামফলক দেখা যায়নি। আশপাশের বেশ কয়েকটি প্লটে ভবন নির্মাণের কাজ চললেও সোহেল তাজের নামে বরাদ্দ দেওয়া প্লটটি বর্তমানে ফাঁকা। যে আইনে বরাদ্দ রাজউক কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা টাউন ইমপ্রুভমেন্ট (অ্যালটমেন্ট অব ল্যান্ডস) রুলস, ১৯৬৯-এর ১৩(এ) ধারায় বিশেষ বিবেচনায় প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দের সুযোগ রয়েছে। এ ধারার আওতায় প্রধানমন্ত্রী অথবা গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বিশেষ কোটায় প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিতে পারেন। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সরকারের
আমলেই এই বিধানের আওতায় বিশেষ কোটায় প্লট ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই ধারায় যেসব প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো আইন ও বরাদ্দের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নতুন করে যাচাই করছে সরকার। এ জন্য গঠিত কমিটি বরাদ্দের নথি পর্যালোচনা করে অসংগতি পাওয়া প্লট ও ফ্ল্যাটের তালিকা তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে কয়েকটি বরাদ্দ বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। সোহেল তাজের প্লটের ক্ষেত্রেও পর্যালোচনার পর কমিটি প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ বাতিলের সুপারিশ করেছে। বর্তমানে বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে। ‘সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়’ বিষয়টি নিয়ে রাজউকের চেয়ারম্যানের ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা
হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি প্লটগুলোর তালিকা পর্যালোচনা করেছে। এখন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, ‘এখানে রাজউকের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’ সোহেল তাজের বক্তব্য প্লট বাতিলের উদ্যোগ এবং বরাদ্দের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ৯ই আগস্ট দুপুরে সাবেক সংসদ সদস্য সোহেল তাজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। প্লটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোনটি কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে সোহেল তাজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজউকের কর্মকর্তারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশেষ কোটায় দেওয়া প্লট-ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে আইন, যোগ্যতা ও বরাদ্দের শর্ত যথাযথভাবে মানা হয়েছিল কি না—সেটিই বর্তমান পর্যালোচনার মূল
বিষয়। যাচাই শেষে যেসব বরাদ্দে অনিয়ম বা অসংগতি পাওয়া যাবে, সেগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।



