ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুটি মনোনয়ন ফরম নিল বিএনপি
রাশেদ: জুলাইর সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেন জামায়াত আমির, ক্ষমতায় যেতে অন্যায়, মিথ্যাচার ও মোনাফেকি করেছেন
বিবস্ত্র অবস্থায় পরনারীর ঘর থেকে যুবদল সভাপতিকে আটকের পর উত্তম-মধ্যম
‘আপনারা দেখেননি, আমরা কীভাবে থানা জ্বালিয়ে পিটিয়ে পুলিশ মেরেছি’: প্রকাশ্যে এনসিপি নেতার স্বীকারোক্তি
ইআবা নেতা ফয়জুল করিম: ‘জুলাইতে রাজপথে ছিলাম আমরা, বিএনপি-জামায়াত ছিল না’
ছাত্রলীগের মিছিল করায় ১৪ বছরের কিশোরকে ১৯ বছর দেখিয়ে গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ
জয়: ব্যর্থ রাষ্ট্র হতে যাচ্ছে না, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করে ফেলেছে ইউনূস গং
আলিয়া মাদ্রাসায় হল দখল নিয়ে ফের মুখোমুখি ছাত্রদল-শিবির
রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকা সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়ায় হল দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শনিবার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ছাত্রশিবিরের মাদ্রাসা শাখার নেতাকর্মী ও শিবির সমর্থিত শিক্ষার্থীরা দুপুর ১টায় হলে প্রবেশ করতে জড়ো হয়। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কায় মাদ্রাসা ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বকশীবাজার মোড়ে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে হলে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় রোববার থেকে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন ছাত্রশিবিরের নেতারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল থেকেই মাদ্রাসার হলে অবস্থানকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। এতে সকাল থেকেই বকশীবাজার মোড়, আলিয়া মাদ্রাসা সড়ক ও মাদ্রাসার গেটের সামনে পুলিশ অবস্থান নেয়। বেলা ১২টার দিকে বকশীবাজার মোড়ে
পুলিশের ব্যারিকেড বসানো হয়। এতে বকশীবাজার মোড় থেকে মাদ্রাসার দিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী ও শিবির সমর্থিত বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীরা বকশীবাজার মোড়ে অবস্থান নেন এবং ব্যারিকেড ভেঙে হলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে সেখানে আটকে দেয়। এ সময় ছাত্রশিবিরের ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা শাখার সভাপতি আব্দুল আলীম বলেন, কোনো সংগঠনের জন্য হল দখল করতে আসিনি। বৈধ শিক্ষার্থীদের হলে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতেই আসা হয়েছে। কিন্তু বৈধ শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। হলের কক্ষে অ্যাডমিট কার্ড থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থীও প্রবেশ করতে না পারায় পরীক্ষা দিতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। পরে দুপুর আড়াইটার
দিকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে চলে যান। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অ্যাডমিট কার্ড যাচাই করে শিক্ষার্থীদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হলেও সবাই একসঙ্গে ঢোকার চেষ্টা করায় তাদের বাধা দেওয়া হয়। এদিকে মাদ্রাসার ভেতরে সকাল থেকেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। হল দখল ঠেকাতে হলের ফটকের সামনে অবস্থান নেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। দুপুরে মাদ্রাসার আল্লামা কাশগরী (রহ.) হলের সামনের অংশ থেকে পুলিশের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে হলের প্রবেশপথে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান করেন। প্রধান ফটক খোলা থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাজে প্রবেশ ও বের হতে দেখা যায়। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা ছাত্রদলের সাবেক
সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান জয়নাল বলেন, কয়েক দিন আগে সংঘর্ষে তাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন এবং লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। শিবিরের কর্মসূচির বিপরীতে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানান তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার হল দখলকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হলগুলোতে অবস্থান নেন। এর চার দিন পর শনিবার শিবির হলে প্রবেশের ঘোষণা দিলে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। শেষ পর্যন্ত দুপুর আড়াইটার দিকে শিবিরের শিক্ষার্থীরা বকশীবাজার মোড় এলাকা ত্যাগ করেন। দিনভর উত্তেজনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। এদিকে আলিয়া
মাদ্রাসার আল্লামা কাশগরী (রহ.) হল সংলগ্ন মূল সড়কের পাশ থেকে বিকেলে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে ডিএমপির সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা গিয়ে সেটি নিষ্ক্রিয় করেন। ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, কালো স্কচটেপ মোড়ানো একটি ককটেলসদৃশ বস্তু রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। পরে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে সেটি নিষ্ক্রিয় করেন।
পুলিশের ব্যারিকেড বসানো হয়। এতে বকশীবাজার মোড় থেকে মাদ্রাসার দিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী ও শিবির সমর্থিত বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীরা বকশীবাজার মোড়ে অবস্থান নেন এবং ব্যারিকেড ভেঙে হলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে সেখানে আটকে দেয়। এ সময় ছাত্রশিবিরের ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা শাখার সভাপতি আব্দুল আলীম বলেন, কোনো সংগঠনের জন্য হল দখল করতে আসিনি। বৈধ শিক্ষার্থীদের হলে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতেই আসা হয়েছে। কিন্তু বৈধ শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। হলের কক্ষে অ্যাডমিট কার্ড থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থীও প্রবেশ করতে না পারায় পরীক্ষা দিতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। পরে দুপুর আড়াইটার
দিকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে চলে যান। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অ্যাডমিট কার্ড যাচাই করে শিক্ষার্থীদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হলেও সবাই একসঙ্গে ঢোকার চেষ্টা করায় তাদের বাধা দেওয়া হয়। এদিকে মাদ্রাসার ভেতরে সকাল থেকেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। হল দখল ঠেকাতে হলের ফটকের সামনে অবস্থান নেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। দুপুরে মাদ্রাসার আল্লামা কাশগরী (রহ.) হলের সামনের অংশ থেকে পুলিশের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে হলের প্রবেশপথে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান করেন। প্রধান ফটক খোলা থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাজে প্রবেশ ও বের হতে দেখা যায়। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা ছাত্রদলের সাবেক
সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান জয়নাল বলেন, কয়েক দিন আগে সংঘর্ষে তাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন এবং লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। শিবিরের কর্মসূচির বিপরীতে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানান তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার হল দখলকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হলগুলোতে অবস্থান নেন। এর চার দিন পর শনিবার শিবির হলে প্রবেশের ঘোষণা দিলে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। শেষ পর্যন্ত দুপুর আড়াইটার দিকে শিবিরের শিক্ষার্থীরা বকশীবাজার মোড় এলাকা ত্যাগ করেন। দিনভর উত্তেজনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। এদিকে আলিয়া
মাদ্রাসার আল্লামা কাশগরী (রহ.) হল সংলগ্ন মূল সড়কের পাশ থেকে বিকেলে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে ডিএমপির সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা গিয়ে সেটি নিষ্ক্রিয় করেন। ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, কালো স্কচটেপ মোড়ানো একটি ককটেলসদৃশ বস্তু রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। পরে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে সেটি নিষ্ক্রিয় করেন।



