ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্লাব ফুটবলের লম্বা বিরতিতে আন্তর্জাতিক সূচির আকর্ষণীয় যত ম্যাচ
মাদ্রিদ ডার্বিতে হেরে রেফারারিং কমিটিকে ধুয়ে দিলেন মরিনহো
৭ মিনিটের ঝড়ে মরিনিওর অহম গুঁড়িয়ে রিয়ালকে হারাল আতলেতিকো
এশিয়ান গেমসেও ভারতের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক রাফিনিয়ার, বড় জয় বার্সার
বাংলাদেশ দলে আরও তিন প্রবাসী তারকা
দ্রুততম ১০০ গোলের রেকর্ড কেইনের
রূপনার বীরত্বেও তলানিতে থেকে এশিয়ান গেমস শেষ করল বাংলাদেশ
গোলকিপার রূপনা চাকমার আরেকটা নির্ভরতার প্রতিচ্ছবি দেখার দিনে এশিয়ান গেমসে নিজেদের অভিযান শেষ করল বাংলাদেশের মেয়েরা। জাপানে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের সঙ্গে শূন্য-শূন্য গোলে ড্র করেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৫৫তম স্থানে থাকা মিয়ানমারের সঙ্গে এই ড্রয়ের ফলে ৩ ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পেল বাংলাদেশ। টানা দ্বিতীয় এশিয়ান গেমসে গ্রুপের তলানিতে (চতুর্থ স্থান) থেকেই সফর শেষ করতে হলো তাদের। তৃতীয় স্থানে থাকা দলের চেয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ১৬টি গোল হজম করে, যেখানে মিয়ানমার হজম করেছে ১৩টি গোল।
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে ধাক্কা খাওয়া বাংলাদেশ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রমাণ
করতে মরিয়া ছিল। গত বছর এই মিয়ানমারকে ২-১ গোলে হারিয়ে নারী এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। তবে আজ সেই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি দেখা যায়নি। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের মতো আজকেও বাংলাদেশের কাণ্ডারি ছিলেন রূপনা চাকমা। বারবার দলকে বিপদ থেকে রক্ষা করে উজ্জ্বল হয়ে থাকেন তিনি। ২০২৫ সালের সেই জয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথ খুলে যেতে পারত। কারণ তিন গ্রুপের সেরা দুটি তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল শেষ আটে ওঠার সুযোগ পাবে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্য গ্রুপের ম্যাচগুলোর ফলাফল জানা যায়নি। ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার অভিজ্ঞ ও উদীয়মান প্রতিভার সমন্বয়ে দল সাজিয়েছিলেন। তবে মিয়ানমারকে আটকে রাখলেও প্রতিপক্ষকে তেমন কোনো চাপে ফেলতে
পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরুতেই ডিফেন্ডার আইরিন খাতুনের দুটি ভুলে রক্ষণভাগ উন্মুক্ত হয়ে পড়েছিল, কিন্তু রূপনা পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে দুটি আক্রমণই নস্যাৎ করে দেন। বাংলাদেশ বলের দখল নিতে সংগ্রাম করায় প্রথমার্ধে চাপ বজায় রাখে মিয়ানমার। ২১ মিনিটে লিড নেওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় তারা, যখন উইন থেইঙ্গি তুনের নিচু শট অল্পের জন্য গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ৩৯ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বাংলাদেশের সেরা সুযোগটি আসে। মারিয়া মান্ডা বাঁ দিকে ঋতুপর্ণাকে পাস দেন। এই উইঙ্গার আক্রমণভাগে ঢুকে বক্সের বাইরে থেকে এক দূরপাল্লার শট নেন, তবে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। বিরতির পর বাংলাদেশকে বলের ব্যবহারে কিছুটা গোছানো দেখায়। বিশেষ করে মিডফিল্ডে তারা ভালো
পাস আদান-প্রদান করে। তবে মিডফিল্ডের সঙ্গে ফরোয়ার্ডদের বোঝাপড়ার অভাবে মিয়ানমারের রক্ষণভাগে ফাটল ধরা সম্ভব হয়নি। উল্টো মিয়ানমার প্রতিআক্রমণের সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। ৭৭ মিনিটে মিয়ানমার আবারও গোল পাওয়ার কাছাকাছি যায়, যখন বদলি খেলোয়াড় লিন ল্যায়ের ডানদিকের ক্রস থেকে বল পেয়ে শট নেন আরেক বদলি খেলোয়াড় মায়াত নো খিন। এবারও এক পা বাড়িয়ে দারুণ দক্ষতায় তা ব্যর্থ করে দেন রূপনা। এক মিনিট পর ডিফেন্ডার আফেইদা খন্দকার দারুণ এক স্লাইডে বিপদ মুক্ত করেন। বক্সের ভেতর থেকে উইন থেইঙ্গি তুনের নেওয়া শট তিনি ব্লক করে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। ৭০ মিনিটে আনিকা রানিয়ার পরিবর্তে তহুরা খাতুনকে মাঠে নামান বাটলার। কিন্তু এই লম্বা ফরোয়ার্ড তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি।
ফলে এশিয়ান গেমসের ৬টি ম্যাচে নিজেদের দ্বিতীয় ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে। এর আগে ২০২৩ সালে চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে নেপালের সঙ্গে প্রথম ড্র করেছিল বাংলাদেশ।
করতে মরিয়া ছিল। গত বছর এই মিয়ানমারকে ২-১ গোলে হারিয়ে নারী এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। তবে আজ সেই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি দেখা যায়নি। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের মতো আজকেও বাংলাদেশের কাণ্ডারি ছিলেন রূপনা চাকমা। বারবার দলকে বিপদ থেকে রক্ষা করে উজ্জ্বল হয়ে থাকেন তিনি। ২০২৫ সালের সেই জয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথ খুলে যেতে পারত। কারণ তিন গ্রুপের সেরা দুটি তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল শেষ আটে ওঠার সুযোগ পাবে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্য গ্রুপের ম্যাচগুলোর ফলাফল জানা যায়নি। ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার অভিজ্ঞ ও উদীয়মান প্রতিভার সমন্বয়ে দল সাজিয়েছিলেন। তবে মিয়ানমারকে আটকে রাখলেও প্রতিপক্ষকে তেমন কোনো চাপে ফেলতে
পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরুতেই ডিফেন্ডার আইরিন খাতুনের দুটি ভুলে রক্ষণভাগ উন্মুক্ত হয়ে পড়েছিল, কিন্তু রূপনা পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে দুটি আক্রমণই নস্যাৎ করে দেন। বাংলাদেশ বলের দখল নিতে সংগ্রাম করায় প্রথমার্ধে চাপ বজায় রাখে মিয়ানমার। ২১ মিনিটে লিড নেওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় তারা, যখন উইন থেইঙ্গি তুনের নিচু শট অল্পের জন্য গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ৩৯ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বাংলাদেশের সেরা সুযোগটি আসে। মারিয়া মান্ডা বাঁ দিকে ঋতুপর্ণাকে পাস দেন। এই উইঙ্গার আক্রমণভাগে ঢুকে বক্সের বাইরে থেকে এক দূরপাল্লার শট নেন, তবে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। বিরতির পর বাংলাদেশকে বলের ব্যবহারে কিছুটা গোছানো দেখায়। বিশেষ করে মিডফিল্ডে তারা ভালো
পাস আদান-প্রদান করে। তবে মিডফিল্ডের সঙ্গে ফরোয়ার্ডদের বোঝাপড়ার অভাবে মিয়ানমারের রক্ষণভাগে ফাটল ধরা সম্ভব হয়নি। উল্টো মিয়ানমার প্রতিআক্রমণের সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। ৭৭ মিনিটে মিয়ানমার আবারও গোল পাওয়ার কাছাকাছি যায়, যখন বদলি খেলোয়াড় লিন ল্যায়ের ডানদিকের ক্রস থেকে বল পেয়ে শট নেন আরেক বদলি খেলোয়াড় মায়াত নো খিন। এবারও এক পা বাড়িয়ে দারুণ দক্ষতায় তা ব্যর্থ করে দেন রূপনা। এক মিনিট পর ডিফেন্ডার আফেইদা খন্দকার দারুণ এক স্লাইডে বিপদ মুক্ত করেন। বক্সের ভেতর থেকে উইন থেইঙ্গি তুনের নেওয়া শট তিনি ব্লক করে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। ৭০ মিনিটে আনিকা রানিয়ার পরিবর্তে তহুরা খাতুনকে মাঠে নামান বাটলার। কিন্তু এই লম্বা ফরোয়ার্ড তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি।
ফলে এশিয়ান গেমসের ৬টি ম্যাচে নিজেদের দ্বিতীয় ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে। এর আগে ২০২৩ সালে চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে নেপালের সঙ্গে প্রথম ড্র করেছিল বাংলাদেশ।



