হরমুজে ফের উত্তেজনা, হামলার আশঙ্কায় কমছে জাহাজ চলাচল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ September, ২০২৬

হরমুজে ফের উত্তেজনা, হামলার আশঙ্কায় কমছে জাহাজ চলাচল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ September, ২০২৬ |
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতকে কেন্দ্র করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। সোমবার একটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দুই নাবিক সামান্য আহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজটি নিজস্ব শক্তিতে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। ঘটনার পর হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথটিতে চলাচল ইতোমধ্যে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ব্যাপকভাবে কমে গেছে। ইরানের দাবি, হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক কমান্ড রোববার দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির ওপর নতুন করে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তেহরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা

চালালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থের ওপর পাল্টা আঘাত করা হবে। যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করতে দেবে, তাদেরও সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান ইস্যুতে তিনি এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে রয়েছেন। তাঁর সামনে সামরিক পদক্ষেপ, অর্থনৈতিক চাপ কিংবা একটি চুক্তির পথ—বিভিন্ন বিকল্প রয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনাও তিনি উড়িয়ে দেননি। কূটনীতির দরজাও পুরোপুরি বন্ধ নয় সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। কাতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছে। ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধ ও

মার্কিন হামলা বন্ধ, জব্দ করা ইরানি অর্থ ছাড় এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারসহ কয়েকটি শর্ত পূরণ হলে তারা আলোচনায় ফিরতে পারে। কাতারও জানিয়েছে, তারা দুই পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনার পথ পুনরায় চালুর চেষ্টা করছে। ফলে একদিকে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা, অন্যদিকে সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতার চেষ্টা—দুই ধারাতেই এগোচ্ছে পরিস্থিতি। হরমুজে জাহাজ চলাচল নেমেছে তলানিতে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে। রয়টার্সের জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহান্তে মাত্র ১৭টি পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। তার আগের সপ্তাহে সংখ্যাটি ছিল ৩৭। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২৫টি জাহাজ এই পথ ব্যবহার করত। অন্য একটি সাম্প্রতিক হিসাবেও দেখা গেছে,

সপ্তাহান্তে মাত্র ১২টি কমোডিটি জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে—যা আগের সপ্তাহের ৩৫টির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। হিসাবের পার্থক্য থাকলেও উভয় তথ্যই জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কিছু ট্যাংকার ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে প্রণালিটি ব্যবহার করছে বলে জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য থেকে জানা গেছে। সৌদি আরব থেকেও কিছু তেলবাহী জাহাজ হরমুজ দিয়ে বের হয়েছে। তেলের বাজারে অস্থিরতা হরমুজের সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে ব্রেন্ট ও মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। ১০ সেপ্টেম্বর তেলের দাম এক দিনে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। তবে সোমবার পরিস্থিতিতে কিছুটা উল্টো চিত্র দেখা গেছে। হরমুজ

দিয়ে জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ সামান্য বাড়ার খবরের পর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০.৫০ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। তবে প্রণালিটি কার্যত স্বাভাবিক না হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ? হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনপথ এটি। যুদ্ধের আগে বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই সরু জলপথ দিয়ে চলাচল করত। ফলে দীর্ঘ সময়ের জন্য জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নয়, এশিয়া ও ইউরোপের জ্বালানি বাজারেও সরবরাহ সংকট এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হতে পারে। সংকটের

সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ইয়েমেন ফ্রন্ট হরমুজের পাশাপাশি ইয়েমেনের হুথিদের কর্মকাণ্ডও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলার খবর এসেছে। এর ফলে হরমুজের পাশাপাশি লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব এলাকাতেও জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সামনে কী? বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরিস্থিতি একটি অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। ইরান নতুন মার্কিন হামলার আশঙ্কা করছে এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি দিচ্ছে। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক ও কূটনৈতিক—দুই পথই খোলা রেখেছে। কাতারও আলোচনার পথ পুনরায় চালুর চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় হরমুজ প্রণালির স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল পুনরুদ্ধার হবে কি না, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। নতুন করে কোনো

সামরিক সংঘাত শুরু হলে জাহাজ চলাচল আরও কমে গিয়ে তেলের সরবরাহ ও দামে নতুন চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর কূটনৈতিক সমঝোতা হলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। নোট: প্রতিবেদনটি ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্য ধরে লেখা হয়েছে। হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যায় বিভিন্ন ট্র্যাকিং সূত্রে কিছু পার্থক্য আছে, তাই প্রতিবেদনে সেটিকে আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের