ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘সম্পর্ক উন্নয়নে’ চীন সফরের পর ‘র’ প্রধান এখন বাংলাদেশে
‘আমিররাও বখরা খায়’, আমিরের উদ্দেশ্যে উপজেলা জামায়াত নেতার ফেসবুকে ক্ষোভ
র্যাবের হেলিকপ্টার কি ছয়তলার উচ্চতায় নেমে এসেছিল?
প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার পাশে রঙ করলেও অপর পাশ মলিন, ক্ষুব্ধ চট্টগ্রামবাসী
পুলিশের ৭ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন
‘র’ প্রধান ঢাকায়
হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর পথ চলার আশ্বাস তারেক রহমানের
ডিজিএফআই’র আমন্ত্রণে ঢাকায় ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা: জামায়াতের সাথে মার্কিন থিংক ট্যাংকের বৈঠক
নর্থইস্ট নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর আমন্ত্রণে চার জন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়ে গঠিত একটি ভারতীয় প্রতিনিধিদল সরকারি সফরে আজ ঢাকায় পৌঁছেছে। সাংবাদিক চন্দন নন্দী রচিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই তথ্য জানতে পেরেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিনিধিদলটি ২০২৬ সালের ৯ই আগস্ট দুপুর ২টা ৫৬ মিনিটে নয়াদিল্লি থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা একত্রে ভারত থেকে যাত্রা করেন এবং ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
এই সফরটি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য বিমসটেক সম্মেলনে যোগদানের
সফর নিয়ে জল্পনা চলছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকায় আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হতে পারে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা সংক্রান্ত বিষয়াবলি। প্রতিনিধিদলে মোট চারজন সদস্য রয়েছেন—একজন দলনেতা এবং আরও তিনজন কর্মকর্তা। সফরের উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার বিবেচনায় সফরকারী সদস্যদের পরিচয় ও পদমর্যাদা প্রকাশ করা হচ্ছে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান নিরাপত্তা সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ। যদিও প্রতিনিধিদলের কর্মসূচি বা বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি, তবে দলটির গঠন থেকে অনুমান করা যায় যে আলোচনায় পারস্পরিক নিরাপত্তা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার অন্যান্য একাধিক বিষয় স্থান পেতে পারে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রতিনিধিদলটি ঢাকার র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ওঠে। সফরকারী কর্মকর্তাদের
থাকার ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি বাংলাদেশের ডিজিএফআই কর্তৃপক্ষ করেছে। প্রতিনিধিদলটি তাদের সরকারি কর্মসূচি চলাকালীন সময় পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই সফরটি এমন একটি সময়ে হচ্ছে যখন বাংলাদেশ ও ভারত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যম বজায় রাখার চেষ্টা করছে। গোয়েন্দা তথ্য ও সুরক্ষা সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন ভারতীয় কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এবং বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ—এই দুটি বিষয় সফরটিকে উল্লেখযোগ্য করে তুলেছে, যদিও আলোচনার নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু এবং বৈঠকের ফলাফল এখনও প্রকাশ করা হয়নি। আইআরআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বৈঠক একই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ঊর্ধ্বতন নেতারা ৯ই আগস্ট
গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)-এর একটি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই এক ঘণ্টার বৈঠকে মূলত আলোচনা হয় আইআরআইয়ের চলমান কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি সংহত ও টেকসই করার লক্ষ্যে সংস্থাটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া এবং জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এই বৈঠকে আইআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে ছিলেন সংস্থার সিনিয়র ডিরেক্টর, সংস্থার সেন্টার ফর ইনসাইটস ইন সার্ভে রিসার্চের একজন প্রতিনিধি, একজন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার এবং সংস্থার রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর। এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ সরকার ও রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরাও অংশ
নেন, যাদের মধ্যে ছিলেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা, একটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং একজন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য। একই দিন পরে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের একজন সদস্যের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এবং আইআরআইয়ের একটি প্রতিনিধিদলের মধ্যে পৃথক একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বৈঠকগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ওয়াশিংটনভিত্তিক এই সংস্থাটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন সংক্রান্ত তাদের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের একাধিক রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে।
সফর নিয়ে জল্পনা চলছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকায় আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হতে পারে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা সংক্রান্ত বিষয়াবলি। প্রতিনিধিদলে মোট চারজন সদস্য রয়েছেন—একজন দলনেতা এবং আরও তিনজন কর্মকর্তা। সফরের উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার বিবেচনায় সফরকারী সদস্যদের পরিচয় ও পদমর্যাদা প্রকাশ করা হচ্ছে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান নিরাপত্তা সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ। যদিও প্রতিনিধিদলের কর্মসূচি বা বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি, তবে দলটির গঠন থেকে অনুমান করা যায় যে আলোচনায় পারস্পরিক নিরাপত্তা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার অন্যান্য একাধিক বিষয় স্থান পেতে পারে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রতিনিধিদলটি ঢাকার র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ওঠে। সফরকারী কর্মকর্তাদের
থাকার ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি বাংলাদেশের ডিজিএফআই কর্তৃপক্ষ করেছে। প্রতিনিধিদলটি তাদের সরকারি কর্মসূচি চলাকালীন সময় পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই সফরটি এমন একটি সময়ে হচ্ছে যখন বাংলাদেশ ও ভারত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যম বজায় রাখার চেষ্টা করছে। গোয়েন্দা তথ্য ও সুরক্ষা সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন ভারতীয় কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এবং বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ—এই দুটি বিষয় সফরটিকে উল্লেখযোগ্য করে তুলেছে, যদিও আলোচনার নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু এবং বৈঠকের ফলাফল এখনও প্রকাশ করা হয়নি। আইআরআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বৈঠক একই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ঊর্ধ্বতন নেতারা ৯ই আগস্ট
গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)-এর একটি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই এক ঘণ্টার বৈঠকে মূলত আলোচনা হয় আইআরআইয়ের চলমান কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি সংহত ও টেকসই করার লক্ষ্যে সংস্থাটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া এবং জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এই বৈঠকে আইআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে ছিলেন সংস্থার সিনিয়র ডিরেক্টর, সংস্থার সেন্টার ফর ইনসাইটস ইন সার্ভে রিসার্চের একজন প্রতিনিধি, একজন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার এবং সংস্থার রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর। এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ সরকার ও রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরাও অংশ
নেন, যাদের মধ্যে ছিলেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা, একটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং একজন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য। একই দিন পরে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের একজন সদস্যের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এবং আইআরআইয়ের একটি প্রতিনিধিদলের মধ্যে পৃথক একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বৈঠকগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ওয়াশিংটনভিত্তিক এই সংস্থাটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন সংক্রান্ত তাদের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের একাধিক রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে।



