ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘আপনারা দেখেননি, আমরা কীভাবে থানা জ্বালিয়ে পিটিয়ে পুলিশ মেরেছি’: প্রকাশ্যে এনসিপি নেতার স্বীকারোক্তি
ছাত্রলীগের মিছিল করায় ১৪ বছরের কিশোরকে ১৯ বছর দেখিয়ে গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ
জয়: ব্যর্থ রাষ্ট্র হতে যাচ্ছে না, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করে ফেলেছে ইউনূস গং
জুলাইয়ের ইতিহাস ধামাচাপার অভিযোগে অনুষ্ঠান বয়কট এনসিপি নেতাদের
ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে জামায়াত: নুরুল হক নুর
বগুড়ায় যুবদল নেতার নেতৃত্বে রড দিয়ে পিটিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে খুন
মামুনুল হকের মাদ্রাসার পাশে ফাটল ককটেল: ‘সাজানো নাটক’ সন্দেহ স্থানীয়দের
ইআবা নেতা ফয়জুল করিম: ‘জুলাইতে রাজপথে ছিলাম আমরা, বিএনপি-জামায়াত ছিল না’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (ইআবা) সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম দাবি করেছেন, জুলাই আন্দোলনের শুরু থেকেই তার দলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি ও জামায়াত তখন আন্দোলনে ছিল না; তবে আন্দোলন সফল হওয়ার পর বিভিন্ন দল নিজেদের কৃতিত্ব দাবি করছে।
৫ই আগস্ট, বুধবার বিকেলে বরিশাল নগরীর সদর রোডে অশ্বিনী কুমার হলের সামনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (ইআবা) আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়জুল করিম বলেন, ইসলামী আন্দোলনই একমাত্র রাজনৈতিক দল, যারা কারও সঙ্গে গোপন সমঝোতা বা চুক্তি না করে সরাসরি রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছে।
তার ভাষ্য, অন্যদের বিকল্প পথ থাকলেও তাদের দলের সামনে
সে সুযোগ ছিল না। জুলাই আন্দোলনে বিএনপি ও জামায়াতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার দাবি, আন্দোলনের সময় দল দুটির কোনো দৃশ্যমান অংশগ্রহণ বা বিবৃতি ছিল না। তারেক রহমান সে সময় দেশে ছিলেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শফিকুল আলমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের আগে তাকে দেশের মানুষ তেমন চিনতেন না। সমাবেশে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নীতিরও সমালোচনা করেন ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জনগণকে কষ্ট দেওয়ার জন্য সরকারকে ক্ষমতায় বসানো হয়নি। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ ও
উত্তেজনার ঘটনাও তুলে ধরেন ফয়জুল করিম। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধের সমাধান সংসদে হওয়া উচিত, শিক্ষাঙ্গনে নয়। শিক্ষার্থীদের হল বা ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য করার মতো ঘটনা জুলাই আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন। সরকারের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, জনগণের সমস্যা সমাধানে শুধু আশ্বাস নয়, কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় জনগণের নীরবতা একসময় ভাঙবে এবং পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, অন্যায়, গুম, খুন বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তার দল আন্দোলন চালিয়ে যাবে। এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল মহানগর শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মাদ লোকমান হাকিম। সমাবেশ শেষে
ফয়জুল করিমের নেতৃত্বে নগরীতে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সে সুযোগ ছিল না। জুলাই আন্দোলনে বিএনপি ও জামায়াতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার দাবি, আন্দোলনের সময় দল দুটির কোনো দৃশ্যমান অংশগ্রহণ বা বিবৃতি ছিল না। তারেক রহমান সে সময় দেশে ছিলেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শফিকুল আলমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের আগে তাকে দেশের মানুষ তেমন চিনতেন না। সমাবেশে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নীতিরও সমালোচনা করেন ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জনগণকে কষ্ট দেওয়ার জন্য সরকারকে ক্ষমতায় বসানো হয়নি। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ ও
উত্তেজনার ঘটনাও তুলে ধরেন ফয়জুল করিম। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধের সমাধান সংসদে হওয়া উচিত, শিক্ষাঙ্গনে নয়। শিক্ষার্থীদের হল বা ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য করার মতো ঘটনা জুলাই আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন। সরকারের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, জনগণের সমস্যা সমাধানে শুধু আশ্বাস নয়, কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় জনগণের নীরবতা একসময় ভাঙবে এবং পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, অন্যায়, গুম, খুন বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তার দল আন্দোলন চালিয়ে যাবে। এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল মহানগর শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মাদ লোকমান হাকিম। সমাবেশ শেষে
ফয়জুল করিমের নেতৃত্বে নগরীতে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়।



