ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যাঃ বিস্ফোরক তথ্য ফাঁসের পরে বিতর্কিত পুলিশ কমিশনার মাবুদকে সরালো সরকার
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নাম বাদ দিয়ে সরকারি ভাতার তালিকায় জামায়াত-শিবির নেতাদের নাম, ২ নেতাকে অব্যাহতি
তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামে কৃষকবিদ্রোহ: গোডাউন ভেঙে নিল ১০ হাজার কেজি সার
কোটচাঁদপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের রামদার কোপে ভাই নিহত
প্রধান অতিথি না করায় নিজেই ১৪৪ ধারা ডেকে ছাত্রদল নেতা পণ্ড করলেন ৬০ বছরের ফুটবল টুর্নামেন্ট
অনুমতি ছাড়াই ভাঙা হলো সেতু: রাজাপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কাণ্ডে বিচ্ছিন্ন ৪ গ্রাম
একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: যেভাবে শনাক্ত করা হয় দুই খুনিকে
১০ দিন ধরে লাপাত্তা চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ পরিবারের সদস্যরা
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নৃশংস ভাবে খুনের ঘটনায় যখন সমগ্র দেশ উত্তাল, ঠিক সেসময় চাঁদপুরে নিখোঁজ হয়ে গেলেন পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের চার সদস্য।
খবরটি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আজ ২৬শে আগস্ট, বুধবার বিকেলে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জানান, গত ১০ দিন ধরে পিন্টু দাসের দোকান বন্ধ রয়েছে।
জানা গিয়েছে, পিন্টু দাস পেশায় ব্যবসায়ী। চাঁদপুর শহরে ‘এসকে শিল্পালয়’ নামে দোকান রয়েছে তার। স্ত্রী রিমি, বড় ছেলে প্রিয়ম এবং ছোট ছেলে রূপমকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।
উপমার ভাষ্য, স্থানীয় এক ব্যক্তি লাগাতার খুনের হুমকি দিচ্ছিলেন তাকে।
কয়েক দিন আগে পিন্টুর স্ত্রী-ছেলেরাও বিষয়টি জানতে পারেন। তার পরেই সপরিবার আচমকা নিখোঁজ হয়ে যান পিন্টু। তিনি কোথাও পালিয়ে গিয়েছেন, নাকি তাকে অপহরণ করা হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের একাংশের দাবি, পিন্টু সপরিবার ভারতে পালিয়ে এসেছেন। অপর এক সূত্রের দাবি, পিন্টুরা আত্মগোপন করে আছেন। তাদের যুক্তি, বন্ধকি কারবার করতেন পিন্টু। সোনা বন্ধক রেখে টাকা দিতেন। কিন্তু সম্প্রতি কয়েকজনের গচ্ছিত সোনা ফেরত দিতে পারেননি। এ নিয়ে হুমকির মুখে পড়েছিলেন। তাছাড়া বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির কাছ থেকে ঋণ নিয়ে টাকা শোধ করতে পারছিলেন না বলেও অভিযোগ। রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খানের দাবি, তিনি আড়াই ভরি সোনা বন্ধক রেখেছিলেন। কিন্তু মাত্র ৫০ হাজার টাকা পান। যা বাজার
মূল্যের তুলনায় অনেক কম। দক্ষিণ গুণরাজদীর জাহিদুল ইসলাম ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা সোনা পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রাখার দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ, পিন্টু কোথাও আত্মগোপন করে রয়েছেন। চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে তার গ্রামের বাড়ি। আর তার স্ত্রীর বাড়ি কুমিল্লায়। আত্মীয়-স্বজন রয়েছেন সেখানে। তাই চট্টগ্রাম বা কুমিল্লাতেও পিন্টু আত্মগোপন করে থাকতে পারেন বলে সন্দেহ তাদের। পিন্টু দাসের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে পারেনি পুলিশ। চাঁদপুর সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস বলেন, কেউ অভিযোগ করেছেন কি না, এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে পিন্টু সত্যিই আত্মগোপন করে থাকলে তাকে
খুঁজে বের করা মুশকিল। এ বিষয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মোহাম্মদ সুপার লুৎফর রহমান জানান, পিন্টু দাসের মোবাইল নম্বর ট্রেস করে ২০ আগস্টের পর থেকে তা বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন বলে তথ্য মিলেছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ঋণের বোঝা থেকে বাঁচতে তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে ট্রেস করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।
কয়েক দিন আগে পিন্টুর স্ত্রী-ছেলেরাও বিষয়টি জানতে পারেন। তার পরেই সপরিবার আচমকা নিখোঁজ হয়ে যান পিন্টু। তিনি কোথাও পালিয়ে গিয়েছেন, নাকি তাকে অপহরণ করা হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের একাংশের দাবি, পিন্টু সপরিবার ভারতে পালিয়ে এসেছেন। অপর এক সূত্রের দাবি, পিন্টুরা আত্মগোপন করে আছেন। তাদের যুক্তি, বন্ধকি কারবার করতেন পিন্টু। সোনা বন্ধক রেখে টাকা দিতেন। কিন্তু সম্প্রতি কয়েকজনের গচ্ছিত সোনা ফেরত দিতে পারেননি। এ নিয়ে হুমকির মুখে পড়েছিলেন। তাছাড়া বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির কাছ থেকে ঋণ নিয়ে টাকা শোধ করতে পারছিলেন না বলেও অভিযোগ। রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খানের দাবি, তিনি আড়াই ভরি সোনা বন্ধক রেখেছিলেন। কিন্তু মাত্র ৫০ হাজার টাকা পান। যা বাজার
মূল্যের তুলনায় অনেক কম। দক্ষিণ গুণরাজদীর জাহিদুল ইসলাম ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা সোনা পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রাখার দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ, পিন্টু কোথাও আত্মগোপন করে রয়েছেন। চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে তার গ্রামের বাড়ি। আর তার স্ত্রীর বাড়ি কুমিল্লায়। আত্মীয়-স্বজন রয়েছেন সেখানে। তাই চট্টগ্রাম বা কুমিল্লাতেও পিন্টু আত্মগোপন করে থাকতে পারেন বলে সন্দেহ তাদের। পিন্টু দাসের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে পারেনি পুলিশ। চাঁদপুর সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস বলেন, কেউ অভিযোগ করেছেন কি না, এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে পিন্টু সত্যিই আত্মগোপন করে থাকলে তাকে
খুঁজে বের করা মুশকিল। এ বিষয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মোহাম্মদ সুপার লুৎফর রহমান জানান, পিন্টু দাসের মোবাইল নম্বর ট্রেস করে ২০ আগস্টের পর থেকে তা বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন বলে তথ্য মিলেছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ঋণের বোঝা থেকে বাঁচতে তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে ট্রেস করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।



