ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নাম বাদ দিয়ে সরকারি ভাতার তালিকায় জামায়াত-শিবির নেতাদের নাম, ২ নেতাকে অব্যাহতি
তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামে কৃষকবিদ্রোহ: গোডাউন ভেঙে নিল ১০ হাজার কেজি সার
কোটচাঁদপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের রামদার কোপে ভাই নিহত
প্রধান অতিথি না করায় নিজেই ১৪৪ ধারা ডেকে ছাত্রদল নেতা পণ্ড করলেন ৬০ বছরের ফুটবল টুর্নামেন্ট
অনুমতি ছাড়াই ভাঙা হলো সেতু: রাজাপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কাণ্ডে বিচ্ছিন্ন ৪ গ্রাম
একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: যেভাবে শনাক্ত করা হয় দুই খুনিকে
চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে হিমাগারে পচছে বিপুল পরিমাণ আলু, গাড়ি ভরে ফেলে দিতে হচ্ছে প্রতিদিনই
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যাঃ বিস্ফোরক তথ্য ফাঁসের পরে বিতর্কিত পুলিশ কমিশনার মাবুদকে সরালো সরকার
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার তদন্ত নিয়ে একের পর এক প্রশ্নের মধ্যে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার (আরপিএমপি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে বিতর্কের মধ্যেই মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়।
মাবুদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি মু. মাহবুবুর রশীদ। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ দেওয়া হয়। তবে প্রজ্ঞাপনে মাবুদের বদলির কারণ হিসেবে রংপুরের শিক্ষক হত্যাকাণ্ড বা এ-সংক্রান্ত কোনো তদন্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
তবে মাবুদের বদলির সময়টি তাৎপর্যপূর্ণ
হয়ে উঠেছে শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসার কারণে। বিশেষ করে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীকে হত্যার আগে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তের তথ্যের কতটা মিল রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ কী ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ডোমের বক্তব্যে নতুন প্রশ্ন আগামী চক্রবর্তীকে হত্যার আগে যৌন নির্যাতনের শিকার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয় একাত্তর টেলিভিশনের গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা একটি কথোপকথনকে কেন্দ্র করে। ময়নাতদন্তে সহযোগিতাকারী হিসেবে পরিচিত এক ডোমের ওই কথোপকথনে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে যৌন নির্যাতনের আলামত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তাঁকে বলতে শোনা যায়, আগামী চক্রবর্তীর যোনিপথ থেকে বীর্য বের হওয়ার কথা তিনি জানতে পেরেছেন। তবে একই কথোপকথনে ওই ব্যক্তি বলেন, চিকিৎসকের রিপোর্টে যা লেখা থাকবে, সেটিই বলতে হবে। চিকিৎসকের রিপোর্টের সঙ্গে তাঁর বক্তব্যের অমিল হলে বিষয়টি জটিল হতে পারে বলেও তাঁকে বলতে শোনা যায়। ডোমের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকেও কিছু কথা বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঢাকায় থেকে বিশেষজ্ঞ দল এবং ম্যাজিস্ট্রেট আসার কথা রয়েছে। তবে ডোমের এই বক্তব্য নিজে কোনো চূড়ান্ত ফরেনসিক প্রমাণ নয়। ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, সংগৃহীত নমুনার ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন। পুলিশের বয়ান বনাম
ময়নাতদন্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার পর ২৩ আগস্ট সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক তদন্তের তথ্য তুলে ধরেছিলেন তৎকালীন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। পুলিশের দাবি ছিল, ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করে। এরপর তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী এবং ছেলে আয়ুশকে হত্যা করা হয়। পুলিশ আরও দাবি করে, হত্যার পর বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো করা হয় বলেও পুলিশ জানায়। এ ঘটনায় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা
আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। পরে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি থানা-পুলিশ থেকে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু পুলিশের এই প্রাথমিক বয়ানের সঙ্গে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বক্তব্যের কয়েকটি জায়গায় পার্থক্য সামনে আসে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবলু কুমার বিশ্বাস জানিয়েছিলেন, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে। তবে আগামী চক্রবর্তীর চোয়াল ভেঙে যাওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান। অন্যদিকে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যে আগামী চক্রবর্তীর গলা ও মুখে রশি পেঁচিয়ে টানার কারণে তাঁর চোখ বেরিয়ে আসা এবং চোয়াল ভেঙে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ফলে একজন পুলিশ কমিশনারের দেওয়া প্রাথমিক বয়ান এবং ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বক্তব্যের মধ্যে এই পার্থক্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়।
মুখের তরল নিয়েও প্রশ্ন আগামী চক্রবর্তীর মরদেহের মুখের কাছে থাকা তরল পদার্থ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বক্তব্য অনুযায়ী, সেটি কোনো রাসায়নিক বা অ্যাসিডের কারণে হয়েছে বলে মনে হয়নি; বরং মরদেহে পচন ধরার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ফল হতে পারে। মরদেহ থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলেও চিকিৎসক জানিয়েছিলেন। ফলে এসব নমুনার ফরেনসিক পরীক্ষার ফল এখন তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ডোমের বক্তব্যে যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, আগামী চক্রবর্তীর শরীর থেকে ঠিক কী কী নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং সেগুলোর পরীক্ষার ফল কী এসেছে। হত্যার কারণ নিয়েও প্রশ্ন চারজনকে হত্যার কারণ নিয়েও পুলিশের বক্তব্যের বাইরে ভিন্ন অভিযোগ
সামনে এসেছে। পুলিশ বলছে, ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। তবে নিহত পরিবারের স্বজনদের পক্ষ থেকে এই ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির বিরোধের অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের সবগুলো এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। ফলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, হত্যার পূর্বাপর ঘটনা এবং অভিযুক্তদের ভূমিকা নির্ধারণে তদন্তের চূড়ান্ত ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
হয়ে উঠেছে শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসার কারণে। বিশেষ করে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীকে হত্যার আগে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তের তথ্যের কতটা মিল রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ কী ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ডোমের বক্তব্যে নতুন প্রশ্ন আগামী চক্রবর্তীকে হত্যার আগে যৌন নির্যাতনের শিকার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয় একাত্তর টেলিভিশনের গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা একটি কথোপকথনকে কেন্দ্র করে। ময়নাতদন্তে সহযোগিতাকারী হিসেবে পরিচিত এক ডোমের ওই কথোপকথনে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে যৌন নির্যাতনের আলামত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তাঁকে বলতে শোনা যায়, আগামী চক্রবর্তীর যোনিপথ থেকে বীর্য বের হওয়ার কথা তিনি জানতে পেরেছেন। তবে একই কথোপকথনে ওই ব্যক্তি বলেন, চিকিৎসকের রিপোর্টে যা লেখা থাকবে, সেটিই বলতে হবে। চিকিৎসকের রিপোর্টের সঙ্গে তাঁর বক্তব্যের অমিল হলে বিষয়টি জটিল হতে পারে বলেও তাঁকে বলতে শোনা যায়। ডোমের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকেও কিছু কথা বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঢাকায় থেকে বিশেষজ্ঞ দল এবং ম্যাজিস্ট্রেট আসার কথা রয়েছে। তবে ডোমের এই বক্তব্য নিজে কোনো চূড়ান্ত ফরেনসিক প্রমাণ নয়। ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, সংগৃহীত নমুনার ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন। পুলিশের বয়ান বনাম
ময়নাতদন্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার পর ২৩ আগস্ট সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক তদন্তের তথ্য তুলে ধরেছিলেন তৎকালীন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। পুলিশের দাবি ছিল, ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করে। এরপর তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী এবং ছেলে আয়ুশকে হত্যা করা হয়। পুলিশ আরও দাবি করে, হত্যার পর বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো করা হয় বলেও পুলিশ জানায়। এ ঘটনায় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা
আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। পরে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি থানা-পুলিশ থেকে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু পুলিশের এই প্রাথমিক বয়ানের সঙ্গে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বক্তব্যের কয়েকটি জায়গায় পার্থক্য সামনে আসে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবলু কুমার বিশ্বাস জানিয়েছিলেন, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে। তবে আগামী চক্রবর্তীর চোয়াল ভেঙে যাওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান। অন্যদিকে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যে আগামী চক্রবর্তীর গলা ও মুখে রশি পেঁচিয়ে টানার কারণে তাঁর চোখ বেরিয়ে আসা এবং চোয়াল ভেঙে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ফলে একজন পুলিশ কমিশনারের দেওয়া প্রাথমিক বয়ান এবং ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বক্তব্যের মধ্যে এই পার্থক্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়।
মুখের তরল নিয়েও প্রশ্ন আগামী চক্রবর্তীর মরদেহের মুখের কাছে থাকা তরল পদার্থ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বক্তব্য অনুযায়ী, সেটি কোনো রাসায়নিক বা অ্যাসিডের কারণে হয়েছে বলে মনে হয়নি; বরং মরদেহে পচন ধরার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ফল হতে পারে। মরদেহ থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলেও চিকিৎসক জানিয়েছিলেন। ফলে এসব নমুনার ফরেনসিক পরীক্ষার ফল এখন তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ডোমের বক্তব্যে যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, আগামী চক্রবর্তীর শরীর থেকে ঠিক কী কী নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং সেগুলোর পরীক্ষার ফল কী এসেছে। হত্যার কারণ নিয়েও প্রশ্ন চারজনকে হত্যার কারণ নিয়েও পুলিশের বক্তব্যের বাইরে ভিন্ন অভিযোগ
সামনে এসেছে। পুলিশ বলছে, ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। তবে নিহত পরিবারের স্বজনদের পক্ষ থেকে এই ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির বিরোধের অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের সবগুলো এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। ফলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, হত্যার পূর্বাপর ঘটনা এবং অভিযুক্তদের ভূমিকা নির্ধারণে তদন্তের চূড়ান্ত ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।



