মস্কোয় পুতিন-লাভরভের সঙ্গে জয়শঙ্করের বৈঠক: ভারত-রাশিয়া কৌশলগত সম্পর্কে নতুন গতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ August, ২০২৬

মস্কোয় পুতিন-লাভরভের সঙ্গে জয়শঙ্করের বৈঠক: ভারত-রাশিয়া কৌশলগত সম্পর্কে নতুন গতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ August, ২০২৬ |
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর দুই দিনের রাশিয়া সফরে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে পৃথক পৃথক বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকগুলো এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে এবং আগামী মাসগুলোতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে—ফলে এই সফরকে কূটনৈতিক মহল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচনা করছে। বাণিজ্য কমিশনের বৈঠকে সভাপতিত্ব ২৩-২৪ আগস্ট রাশিয়া সফরকালে জয়শঙ্কর রুশ প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী দেনিস মান্তুরভের সঙ্গে যৌথভাবে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ক ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকার কমিশনের ২৭তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। এই কমিশন দুই দেশের মধ্যে বহুমুখী ক্ষেত্রে সহযোগিতা পর্যালোচনা ও সম্প্রসারণের অন্যতম প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। লাভরভের

সঙ্গে বৈঠক: আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময় রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, লাভরভ ও জয়শঙ্করের মধ্যকার আলোচনায় সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফগানিস্তানের পরিস্থিতি, ইরান-সংক্রান্ত উদ্বেগ এবং ইউক্রেন সংকট নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁরা জাতিসংঘ, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও), ব্রিকস এবং জি-২০-এর মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে নিজেদের অবস্থান ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষ সব স্তরে আস্থাভিত্তিক সংলাপ জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়। ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ক্রেমলিনে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে জয়শঙ্করের সাক্ষাৎ। এই বৈঠকে জয়শঙ্কর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে একটি ব্যক্তিগত

বার্তা পুতিনের হাতে তুলে দেন। তিনি পুতিনকে দিনের শুরুতে অনুষ্ঠিত আন্তঃসরকার কমিশনের বৈঠকের ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করেন এবং দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্রমবর্ধমান অগ্রগতি তুলে ধরেন। জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদি আসন্ন এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছেন এবং আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্যও অপেক্ষা করছেন। পুতিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, জয়শঙ্করের এই সফর কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের গভীরতাকেই প্রতিফলিত করে। কেন এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের তাৎপর্য কয়েকটি দিক থেকে বিবেচনা করা যায়। প্রথমত, এটি নিছক একটি বাণিজ্যিক কমিশন বৈঠকের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না—পুতিন ও লাভরভ উভয়ের সঙ্গে পৃথক বৈঠক এই সফরকে

রাজনৈতিক ও কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করেছে, যা ভারত-রাশিয়া “বিশেষ ও সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারত্ব”-এর ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরে। দ্বিতীয়ত, আফগানিস্তান, ইরান ও ইউক্রেন নিয়ে মতবিনিময় এমন এক সময়ে হলো, যখন দক্ষিণ ও পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল। এই আলোচনা দেখায় যে, দুই দেশ শুধু দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্কেই নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রশ্নেও একে অপরের দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় রাখতে চায়। তৃতীয়ত, জাতিসংঘ, এসসিও, ব্রিকস ও জি-২০-এর মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে অবস্থান সমন্বয়ের অঙ্গীকার একটি বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার প্রতি উভয় দেশের অভিন্ন আগ্রহকেই প্রতিফলিত করে, যা পশ্চিমা-কেন্দ্রিক বৈশ্বিক শাসনকাঠামোর বাইরে বিকল্প কূটনৈতিক জোট গঠনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা যায়। চতুর্থত, এই সফর আসন্ন এসসিও শীর্ষ সম্মেলন ও সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয়

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতিপর্ব হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। পুতিনের কাছে মোদির ব্যক্তিগত বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং শীর্ষ সম্মেলনগুলোতে সরাসরি সাক্ষাতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা থেকে বোঝা যায়, দুই নেতার মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, জয়শঙ্করের এই মস্কো সফর এবং পুতিন-লাভরভের সঙ্গে তাঁর বৈঠক ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের বহুমাত্রিক প্রকৃতি—অর্থনৈতিক সহযোগিতা, কৌশলগত সংলাপ ও বহুপাক্ষিক সমন্বয়—এর একটি সমন্বিত প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও দুই দেশের সম্পর্কের স্থিতিস্থাপকতা তুলে ধরে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের