ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
বাবার টাকা চুরি করে প্রেমিকার সঙ্গে রিসোর্টে রাতযাপন, আইফোন উপহার
নিজের পরিবারের লকার ভেঙে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগে ২৫ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, চুরি করা ৫০ লাখ রুপির (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় অন্তত ৬৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা) বড় একটি অংশ প্রেমিকার পেছনে খরচ করেছেন ওই যুবক। ঘটনাটি ভারতের আসামের।
গ্রেফতার যুবকের নাম যশ ধনুকা আগরওয়াল। তিনি আসামের যোরহাটের বাসিন্দা। ঘটনার পর গুজরাটের আহমেদাবাদে চলে গিয়েছিলেন তিনি। পরে তার বাবা আহমেদাবাদ থেকে তাকে যোরহাটে ফিরিয়ে এনে পুলিশের কাছে তুলে দেন।
পুলিশ জানায়, গত ১১ আগস্ট পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বাইরে থাকার সুযোগে চুরির ঘটনা ঘটে। যশের বাবার ঘরে থাকা একটি লকার ভেঙে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে
যাওয়া হয়। ঘটনার তদন্তে সাইবার সিকিউরিটি সেলের সহায়তা নেয় পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশের সন্দেহ হয়, এটি বাইরের কারও নয়, পরিবারের ভেতরের কারও পরিকল্পিত চুরি হতে পারে। ঘটনার পর যশ যোরহাট ছেড়ে আহমেদাবাদে চলে যাওয়ায় সন্দেহ আরও জোরালো হয়। পরে মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ জানতে পারে, সেটি আহমেদাবাদে রয়েছে। এরপর যশের বাবা আহমেদাবাদে গিয়ে তাকে যোরহাটে ফিরিয়ে আনেন এবং পুলিশের হাতে তুলে দেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) যশকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন যোরহাট সদর থানার ওসি ঋষিকেশ হাজারিকা। যশ দাবি করেন, জিতু সোমানি ও রোহিত প্রসাদের সঙ্গে মিলে তারা চুরির পরিকল্পনা করেছিলেন। তাদের পরামর্শেই টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন
তিনি। লকার খোলার জন্য তারা একজন তালাচাবি মিস্ত্রিরও সহায়তা নিয়েছিলেন বলে জানান যশ। যশের দাবি, চুরির পর তারা পার্টি করেন এবং সেখানে পাবালি নামের এক তরুণীও ছিলেন। তিনি বলেন, ওই তরুণীর পেছনে প্রায় ৫ লাখ রুপি খরচ করেছেন। নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে যশ বলেন, জিতু সোমানি তাকে প্রভাবিত করেছিলেন। পুলিশের ধারণা, চুরি করা অর্থের একটি অংশ যশ তার দীর্ঘদিনের প্রেমিকা পাবালি দত্তের পেছনে খরচ করেছেন। তাকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার রুপি মূল্যের একটি আইফোন কিনে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া তাকে নগদ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি কয়েক দিন বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে অবস্থান করে অর্থ খরচ করেছেন বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। তবে
পাবালি দত্তকে এখনো মামলায় আসামি করা হয়নি। তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরও দুই বন্ধুকে খুঁজছে পুলিশ চুরির ঘটনায় দায়ের করা এফআইআরে যশের দুই বন্ধু জিতেন্দ্র সোমানি ও রোহিত প্রসাদের নাম রয়েছে। চুরির পরিকল্পনায় তারা জড়িত থাকতে পারেন এবং চুরি করা স্বর্ণালংকার সরিয়ে ফেলতে সহায়তা করেছেন বলে পুলিশের সন্দেহ। তবে বর্তমানে দুজনই পলাতক রয়েছেন। তাদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে, ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের জন্য বাড়িতে ওই নগদ টাকা রাখা হয়েছিল। পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকায় বাড়িতে টাকা রাখার বিষয়টি যশ জানতেন বলেও অভিযোগ। ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে। চুরি
যাওয়া নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধারের পাশাপাশি পলাতক সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত এখনো চলছে। সূত্র: এনডিটিভি
যাওয়া হয়। ঘটনার তদন্তে সাইবার সিকিউরিটি সেলের সহায়তা নেয় পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশের সন্দেহ হয়, এটি বাইরের কারও নয়, পরিবারের ভেতরের কারও পরিকল্পিত চুরি হতে পারে। ঘটনার পর যশ যোরহাট ছেড়ে আহমেদাবাদে চলে যাওয়ায় সন্দেহ আরও জোরালো হয়। পরে মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ জানতে পারে, সেটি আহমেদাবাদে রয়েছে। এরপর যশের বাবা আহমেদাবাদে গিয়ে তাকে যোরহাটে ফিরিয়ে আনেন এবং পুলিশের হাতে তুলে দেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) যশকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন যোরহাট সদর থানার ওসি ঋষিকেশ হাজারিকা। যশ দাবি করেন, জিতু সোমানি ও রোহিত প্রসাদের সঙ্গে মিলে তারা চুরির পরিকল্পনা করেছিলেন। তাদের পরামর্শেই টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন
তিনি। লকার খোলার জন্য তারা একজন তালাচাবি মিস্ত্রিরও সহায়তা নিয়েছিলেন বলে জানান যশ। যশের দাবি, চুরির পর তারা পার্টি করেন এবং সেখানে পাবালি নামের এক তরুণীও ছিলেন। তিনি বলেন, ওই তরুণীর পেছনে প্রায় ৫ লাখ রুপি খরচ করেছেন। নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে যশ বলেন, জিতু সোমানি তাকে প্রভাবিত করেছিলেন। পুলিশের ধারণা, চুরি করা অর্থের একটি অংশ যশ তার দীর্ঘদিনের প্রেমিকা পাবালি দত্তের পেছনে খরচ করেছেন। তাকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার রুপি মূল্যের একটি আইফোন কিনে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া তাকে নগদ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি কয়েক দিন বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে অবস্থান করে অর্থ খরচ করেছেন বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। তবে
পাবালি দত্তকে এখনো মামলায় আসামি করা হয়নি। তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরও দুই বন্ধুকে খুঁজছে পুলিশ চুরির ঘটনায় দায়ের করা এফআইআরে যশের দুই বন্ধু জিতেন্দ্র সোমানি ও রোহিত প্রসাদের নাম রয়েছে। চুরির পরিকল্পনায় তারা জড়িত থাকতে পারেন এবং চুরি করা স্বর্ণালংকার সরিয়ে ফেলতে সহায়তা করেছেন বলে পুলিশের সন্দেহ। তবে বর্তমানে দুজনই পলাতক রয়েছেন। তাদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে, ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের জন্য বাড়িতে ওই নগদ টাকা রাখা হয়েছিল। পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকায় বাড়িতে টাকা রাখার বিষয়টি যশ জানতেন বলেও অভিযোগ। ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে। চুরি
যাওয়া নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধারের পাশাপাশি পলাতক সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত এখনো চলছে। সূত্র: এনডিটিভি





