ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ঘিরে প্রশ্ন: জাতিসংঘের উদ্বেগ, ভারতের তদন্তে একিউআইএস-এর শীর্ষ নেতা ইকরামুলের নাম
ই-রিটার্নে পরিবর্তন: জেনে নিন দুই চাকরির আয় দেখানোর সহজ উপায়
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ৬০ শতাংশের উৎপাদন বন্ধ, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে একসময়ের রপ্তানিমুখী ওষুধ শিল্প
বাংলাদেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ, কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা
পুলিশের গল্পের চিত্রনাট্য ভালো, তবে পাগলেও বিশ্বাস করবে না: শিক্ষক-মহিলা পরিষদ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্বের প্রশ্নে জবাব না দিয়ে ‘সাংবাদিকদের আক্রমণ’ উদ্বেগজনকঃ টিআইবি
ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত: ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১১ বছরের শিশুর গর্ভে জন্ম নেয়া সন্তানের জৈবিক পিতা মাদ্রাসাশিক্ষকই
মাঠপর্যায়ে গাছের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন: ছয় মাসে ২ কোটি ২২ লাখ বৃক্ষরোপণ করে ৪৩% লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দাবি সরকারের
সরকারি দাবিকৃত বৃক্ষরোপণের বিশাল পরিসংখ্যানের সত্যতা নিয়ে শুরু থেকেই নানা মহলে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে। সরকারের পক্ষ থেকে গত ছয় মাসে আড়াই কোটি গাছ লাগানোর যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তব চিত্র তার সঙ্গে মিলছে না বলে দাবি করছেন পর্যবেক্ষকরা।
ভূতুড়ে এ পরিসংখ্যান নিয়ে সন্দেহ জোরালো হলেও সরকারিভাবে এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাই বলা হচ্ছে।
পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন ও স্থানীয় পর্যায় থেকে অসন্তোষ
সরকারের পর্যালোচনায় দাবি করা হয়েছে—প্রথম ছয় মাসে সারাদেশে ২ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার গাছের চারা রোপণ করেছে ১১টি সরকারি সংস্থা। যা তাদের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার (৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি) প্রায় ৪৩.২৫ শতাংশ। তবে এত বিপুল পরিমাণ
চারা রোপণ করা হলেও মাঠপর্যায়ে সেগুলোর দৃশ্যমান উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায় থেকে উঠে এসেছে, কাগজ-কলমে যে সংখ্যা দেখানো হচ্ছে, বাস্তবে রোপণকৃত চারার বড় অংশই অনুপস্থিত। অনেক এলাকায় চারা রোপণের সঠিক পরিচর্যার অভাব এবং নামমাত্র তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি দাবি ও সংস্থার পরিসংখ্যান সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন মন্ত্রণালায় ও বিভাগের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়: বন অধিদপ্তর: দাবি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১ কোটি ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৪২টি গাছ রোপণ করেছে (বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ৩ কোটি ৫০ লাখ)। স্থানীয় সরকার বিভাগ: ৭১ লাখ ৬৪ হাজার ১৩৫টি গাছ লাগানোর দাবি করেছে (বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ২ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬০)। কৃষি মন্ত্রণালয়: ১৮ লাখ
৩৭ হাজার ৭২৯টি চারা রোপণ করেছে। অন্যান্য সংস্থা: বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (৩.৭৫ লাখ), পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২.৮৮ লাখ), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ (২.৮৫ লাখ), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (২.৭১ লাখ) এবং গৃহায়ন, পানিসম্পদ, সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয় মিলে বাকি চারা রোপণের হিসাব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী এবং কর্মসূচির প্রধান ড. মো. সাইমুম পারভেজ দাবি করেন, সরকারি পরিসংখ্যার বাইরে এনজিওগুলোর মাধ্যমে আরও প্রায় ৪০ লাখ গাছ লাগানো হয়েছে। তিনি আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ২ কোটি ম্যানগ্রোভ চারার প্রকল্পসহ বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কর্মসূচি ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পর বিএনপির পাঁচ বছরে ২৫ কোটি চারা রোপণের নির্বাচনী
ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ১৩ই জুন কক্সবাজারের ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে গর্জন চারা রোপণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এর আগে ১৬ই মার্চ দিনাজপুরের কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচির আওতায়ও বৃক্ষরোপণ শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাহাড়ি এলাকা, উপকূলের চর, বাঁধের ধার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য উপযোগী প্রজাতি (যেমন: গর্জন, কেওড়া, বাইন, তাল, নারিকেল, আম, জাম ইত্যাদি) নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বাস্তবতার সাথে সরকারি পরিসংখ্যানের এই বড় ব্যবধান নিয়ে জনমনে এবং পরিবেশবাদীদের মধ্যে তৈরি হওয়া শঙ্কা কাটাতে স্বচ্ছ মূল্যায়নের দাবি জোরালো হচ্ছে।
চারা রোপণ করা হলেও মাঠপর্যায়ে সেগুলোর দৃশ্যমান উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায় থেকে উঠে এসেছে, কাগজ-কলমে যে সংখ্যা দেখানো হচ্ছে, বাস্তবে রোপণকৃত চারার বড় অংশই অনুপস্থিত। অনেক এলাকায় চারা রোপণের সঠিক পরিচর্যার অভাব এবং নামমাত্র তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি দাবি ও সংস্থার পরিসংখ্যান সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন মন্ত্রণালায় ও বিভাগের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়: বন অধিদপ্তর: দাবি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১ কোটি ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৪২টি গাছ রোপণ করেছে (বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ৩ কোটি ৫০ লাখ)। স্থানীয় সরকার বিভাগ: ৭১ লাখ ৬৪ হাজার ১৩৫টি গাছ লাগানোর দাবি করেছে (বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ২ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬০)। কৃষি মন্ত্রণালয়: ১৮ লাখ
৩৭ হাজার ৭২৯টি চারা রোপণ করেছে। অন্যান্য সংস্থা: বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (৩.৭৫ লাখ), পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২.৮৮ লাখ), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ (২.৮৫ লাখ), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (২.৭১ লাখ) এবং গৃহায়ন, পানিসম্পদ, সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয় মিলে বাকি চারা রোপণের হিসাব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী এবং কর্মসূচির প্রধান ড. মো. সাইমুম পারভেজ দাবি করেন, সরকারি পরিসংখ্যার বাইরে এনজিওগুলোর মাধ্যমে আরও প্রায় ৪০ লাখ গাছ লাগানো হয়েছে। তিনি আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ২ কোটি ম্যানগ্রোভ চারার প্রকল্পসহ বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কর্মসূচি ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পর বিএনপির পাঁচ বছরে ২৫ কোটি চারা রোপণের নির্বাচনী
ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ১৩ই জুন কক্সবাজারের ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে গর্জন চারা রোপণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এর আগে ১৬ই মার্চ দিনাজপুরের কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচির আওতায়ও বৃক্ষরোপণ শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাহাড়ি এলাকা, উপকূলের চর, বাঁধের ধার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য উপযোগী প্রজাতি (যেমন: গর্জন, কেওড়া, বাইন, তাল, নারিকেল, আম, জাম ইত্যাদি) নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বাস্তবতার সাথে সরকারি পরিসংখ্যানের এই বড় ব্যবধান নিয়ে জনমনে এবং পরিবেশবাদীদের মধ্যে তৈরি হওয়া শঙ্কা কাটাতে স্বচ্ছ মূল্যায়নের দাবি জোরালো হচ্ছে।



