ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে সরকারের তীব্র সমালোচনা ও আক্রমণ ওবায়দুল কাদেরের
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি পিয়াল আটক
সরকারি চাল পাচারের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার
৭২ বছর বয়সে মৃত্যুর তিন বছর পরে ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পেলেন বিএনপি নেতা!
বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩
ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক থেকে আওয়ামী লীগের ৫৩ নেতাকর্মীকে আটক
বাড়িতে ঢুকে যুবদল নেতাকে গুলি, অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে
নারায়ণগঞ্জের বন্ধ একটি কারখানার ভেতর থেকে চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ সহসভাপতির মরদেহ উদ্ধার
পুলিশ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এলাকা থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা এস এম তানিম (৩০)-এর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে, যা একটি বন্ধ সুতার কারখানায় পাওয়া যায়।
উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকার আব্বাস চেয়ারম্যানের সুতার মিলের ভেতর থেকে ২৫শে আগস্ট, মঙ্গলবার সকালবেলা তার লাশটি উদ্ধার করা হয়।
তানিম পটিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এবং তিনি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের খন্দকারবাড়ি এলাকার কুয়েতপ্রবাসী আবদুর রাজ্জাকের সন্তান। প্রায় এক বছর যাবৎ তিনি ওই সুতার কারখানায় ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছিলেন, যা মূলত তার এক মামাতো ভাইয়ের মালিকানাধীন।
পুলিশ ও স্থানীয় অধিবাসীদের মাধ্যমে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তানিমের সহকর্মী সৌরভ দাশ ঘুম থেকে জেগে উঠে
কারখানার ভেতরের একটি আড়ার সঙ্গে তানিমকে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী আড়াইহাজার থানা পুলিশে সংবাদ দেন এবং পুলিশ এসে অকুস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তানিমের মৃত্যুর বিষয়টি সকালে তার সহকর্মী সৌরভ দাশ মুঠোফোনে জানান বলে উল্লেখ করেন তানিমের মামাতো ভাই ওয়াজেদুর রহমান শরিফ। খবর পাওয়ার পরপরই আত্মীয়স্বজনরা দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান। মরদেহটি হেফাজতে নিয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বেশ কিছু দিন ধরে ওই কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। কারখানার সংলগ্ন একটি কক্ষে তানিমসহ মোট চারজন বসবাস করতেন। উৎপাদন বন্ধ থাকায় অন্য দুই সহকর্মী নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান, ফলে
সেখানে কেবল তানিম ও সৌরভ দাশই অবস্থান করছিলেন। আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন উল্লেখ করেন, তানিমের আকস্মিক মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তৎক্ষণাৎ চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। আসল কারণ উন্মোচনের লক্ষ্যে লাশটি মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর মূল রহস্য পরিষ্কার হবে। এই বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এ ঘটনাটিকে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে।
কারখানার ভেতরের একটি আড়ার সঙ্গে তানিমকে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী আড়াইহাজার থানা পুলিশে সংবাদ দেন এবং পুলিশ এসে অকুস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তানিমের মৃত্যুর বিষয়টি সকালে তার সহকর্মী সৌরভ দাশ মুঠোফোনে জানান বলে উল্লেখ করেন তানিমের মামাতো ভাই ওয়াজেদুর রহমান শরিফ। খবর পাওয়ার পরপরই আত্মীয়স্বজনরা দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান। মরদেহটি হেফাজতে নিয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বেশ কিছু দিন ধরে ওই কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। কারখানার সংলগ্ন একটি কক্ষে তানিমসহ মোট চারজন বসবাস করতেন। উৎপাদন বন্ধ থাকায় অন্য দুই সহকর্মী নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান, ফলে
সেখানে কেবল তানিম ও সৌরভ দাশই অবস্থান করছিলেন। আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন উল্লেখ করেন, তানিমের আকস্মিক মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তৎক্ষণাৎ চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। আসল কারণ উন্মোচনের লক্ষ্যে লাশটি মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর মূল রহস্য পরিষ্কার হবে। এই বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এ ঘটনাটিকে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে।



