ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল
সেপ্টেম্বরের শুরুতেই মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, জানা গেল গেজেট জারির সম্ভাব্য সময়
শুধু জ্বালানি তেল ক্রয়ে ইউনূস-তারেক সরকারের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অতিরিক্ত ব্যয় ৫.৪৯ বিলিয়ন ডলার
অর্থ সংকট: ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দে খরচ বন্ধের নির্দেশ
গ্যাস সংকটে ক্রেতাদের উদ্বেগ, বাংলাদেশ থেকে কমতে পারে পোশাকের ক্রয়াদেশ
পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন
স্বস্তি নেই রাজধানীর বাজারে: মাছ-মুরগি-ডিমে দিশেহারা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত
ব্যাংক ঋণে রেকর্ড গড়ল ইউনূস-তারেক সরকার: পরিমাণ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা
রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হওয়া এবং পরিচালন ব্যয় ক্রমশ বাড়তে থাকায় সবশেষ অর্থবছরে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ নিয়েছে সরকার। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান তারেক সরকারের সময়ে এই রেকর্ড গড়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা।
এর আগের অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৬২ হাজার ২২১ কোটি টাকা।
হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে সরকার কর্তৃক ব্যাংক খাত থেকে নেওয়ার ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ১ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বাজেটের ঘাটতি মেটাতে কেবল ব্যাংক নয়, বরং
দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকেও ব্যাপক ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে সবশেষ অর্থবছরে সরকারের সংগৃহীত মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে মোট সংগৃহীত ঋণ ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে মোট ঋণ বেড়েছে ৪৪ হাজার কোটি টাকা বা প্রায় ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে অন্যান্য বৈদেশিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস থেকেও সরকার ৫৭ হাজার ৭৪৩ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ করেছে। ফলে দেশের অভ্যন্তরে সরকারের মোট অভ্যন্তরীণ ঋণের স্থিতি বা পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ২২ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। এই বিশাল অভ্যন্তরীণ ঋণের মোট পরিমাণ দেশের বর্তমান মোট দেশজ
উৎপাদনের (জিডিপি) ১৮.৩৪ শতাংশ।
দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকেও ব্যাপক ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে সবশেষ অর্থবছরে সরকারের সংগৃহীত মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে মোট সংগৃহীত ঋণ ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে মোট ঋণ বেড়েছে ৪৪ হাজার কোটি টাকা বা প্রায় ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে অন্যান্য বৈদেশিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস থেকেও সরকার ৫৭ হাজার ৭৪৩ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ করেছে। ফলে দেশের অভ্যন্তরে সরকারের মোট অভ্যন্তরীণ ঋণের স্থিতি বা পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ২২ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। এই বিশাল অভ্যন্তরীণ ঋণের মোট পরিমাণ দেশের বর্তমান মোট দেশজ
উৎপাদনের (জিডিপি) ১৮.৩৪ শতাংশ।



