ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে লাখো মানুষের ঢল
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ২৬ আগস্ট ছুটি পাবেন না যারা
ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরবের নতুন নির্দেশনা
অদৃশ্য বিপদ থেকে মুক্তির দোয়া
মাদকাসক্তি: ইসলামে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, মহানবীর (সা.) সতর্কবার্তা
কোরআনের দৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত যারা
দ্বিতীয় বিয়ের আগে যে ৭ বিষয়ের দিকনির্দেশনা দেয় ইসলাম
শয়তানকে দুর্বল ও অসহায় করে দেয় যে ধ্বনি
‘আল্লাহু আকবার’- দুটি শব্দের এ বাক্যটি অত্যন্ত বরকতপূর্ণ ও শক্তিশালী। যা মহান আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা ঘোষণা করা আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভেরও একটি মাধ্যম।
‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে মুমিনের ঈমানি শক্তি বেড়ে যায়।
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনের অনেক আয়াতে তাঁর বান্দাদের ‘তাকবির’ তথা মহান আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণার নির্দেশ দিয়েছেন।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, আর বলো, সব প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো শরিক নেই এবং অপমান থেকে বাঁচতে তাঁর কোনো অভিভাবকের দরকার নেই। সুতরাং তুমি পূর্ণরূপে তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা করো।
(সুরা: বনি ইসরাঈল, আয়াত: ১১১)
‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি শয়তানকে দুর্বল ও অসহায় করে দেয়। প্রতিদিন মুয়াজ্জিন যখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলে
আজান দিতে শুরু করেন, তখন তা শয়তানের অন্তরে জ্বালা ধরিয়ে দেয়। হাদিসে রয়েছে, আজানের ধ্বনি শয়তানের জন্য এক অসহনীয় যন্ত্রণা। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন নামাজের জন্য আজান দেওয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পালায়, যাতে সে আজানের শব্দ না শুনতে পায়। যখন আজান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আবার ফিরে আসে। আবার যখন নামাজের জন্য ইকামত দেওয়া হয়, তখন আবার দূরে সরে যায়। ইকামত শেষ হলে সে আবার ফিরে এসে লোকের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং বলে এটা স্মরণ করো, ওটা স্মরণ করো, বিস্মৃত বিষয়গুলো সে মনে করিয়ে দেয়। এভাবে লোকটি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে সে
কয় রাকাত নামাজ আদায় করেছে, তা মনে করতে পারে না। (বুখারি, হাদিস : ৬০৮) এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, যখন মুয়াজ্জিন ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিয়ে আজান শুরু করে মানুষকে ইবাদতের আহ্বান করেন, তখন শয়তানের অবস্থা অত্যন্ত লাঞ্ছনাকর হয়। ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি তাকে অসহায় করে তোলে। ফলে সে শুধু পালিয়েই যায় না, বরং এমন এক অবস্থায় পালায়, যা তার চরম লাঞ্ছনা ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করে। আল্লাহর মহিমা ঘোষণার ধ্বনি তার জন্য এতটাই অসহনীয় যে সে তা শুনতেও চায় না। একইভাবে ইকামতের সময়ও যেহেতু আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা হয়, তখনও শয়তান দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু যখন এ পবিত্র ধ্বনি থেমে যায়, তখন সে আবার মানুষের
অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়। তার কাজই হলো মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকা, মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করা, জাহান্নামের পথে পরিচালিত করা। এগুলো করতে সে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে, যা আল্লাহ নামের ধ্বনিতে দুর্বল হয়ে পড়ে। এটি যেন ঈমানের এমন এক শক্তি, যার সামনে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র ভেঙে পড়ে। আজান শুধু শয়তানকে দূরে সরায় না, বরং পরিবেশকে পবিত্র করে, মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে এবং গাফেল হৃদয়কে জাগিয়ে তোলে। তাই যে সমাজে নিয়মিত আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেখানে শয়তানের প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকে। ‘আল্লাহু আকবার’- দুই শব্দের এ বাক্যটি মুমিনের জীবনে এক বিশাল শক্তির উৎস। তাকবির মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একমাত্র আল্লাহই
সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে শক্তিশালী, সবচেয়ে মহিমান্বিত, সব কিছুর ওপর একমাত্র ক্ষমতাধর। ফলে মানুষের অন্তরে জন্ম নেয় তাকওয়া, সাহস, প্রশান্তি ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতা। দূর হয়ে যায় ভয়, হতাশা। এতে শয়তানের কুমন্ত্রণা দুর্বল হয়ে পড়ে, মানুষের হৃদয় হয় আল্লাহমুখী।
আজান দিতে শুরু করেন, তখন তা শয়তানের অন্তরে জ্বালা ধরিয়ে দেয়। হাদিসে রয়েছে, আজানের ধ্বনি শয়তানের জন্য এক অসহনীয় যন্ত্রণা। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন নামাজের জন্য আজান দেওয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পালায়, যাতে সে আজানের শব্দ না শুনতে পায়। যখন আজান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আবার ফিরে আসে। আবার যখন নামাজের জন্য ইকামত দেওয়া হয়, তখন আবার দূরে সরে যায়। ইকামত শেষ হলে সে আবার ফিরে এসে লোকের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং বলে এটা স্মরণ করো, ওটা স্মরণ করো, বিস্মৃত বিষয়গুলো সে মনে করিয়ে দেয়। এভাবে লোকটি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে সে
কয় রাকাত নামাজ আদায় করেছে, তা মনে করতে পারে না। (বুখারি, হাদিস : ৬০৮) এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, যখন মুয়াজ্জিন ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিয়ে আজান শুরু করে মানুষকে ইবাদতের আহ্বান করেন, তখন শয়তানের অবস্থা অত্যন্ত লাঞ্ছনাকর হয়। ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি তাকে অসহায় করে তোলে। ফলে সে শুধু পালিয়েই যায় না, বরং এমন এক অবস্থায় পালায়, যা তার চরম লাঞ্ছনা ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করে। আল্লাহর মহিমা ঘোষণার ধ্বনি তার জন্য এতটাই অসহনীয় যে সে তা শুনতেও চায় না। একইভাবে ইকামতের সময়ও যেহেতু আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা হয়, তখনও শয়তান দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু যখন এ পবিত্র ধ্বনি থেমে যায়, তখন সে আবার মানুষের
অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়। তার কাজই হলো মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকা, মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করা, জাহান্নামের পথে পরিচালিত করা। এগুলো করতে সে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে, যা আল্লাহ নামের ধ্বনিতে দুর্বল হয়ে পড়ে। এটি যেন ঈমানের এমন এক শক্তি, যার সামনে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র ভেঙে পড়ে। আজান শুধু শয়তানকে দূরে সরায় না, বরং পরিবেশকে পবিত্র করে, মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে এবং গাফেল হৃদয়কে জাগিয়ে তোলে। তাই যে সমাজে নিয়মিত আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেখানে শয়তানের প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকে। ‘আল্লাহু আকবার’- দুই শব্দের এ বাক্যটি মুমিনের জীবনে এক বিশাল শক্তির উৎস। তাকবির মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একমাত্র আল্লাহই
সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে শক্তিশালী, সবচেয়ে মহিমান্বিত, সব কিছুর ওপর একমাত্র ক্ষমতাধর। ফলে মানুষের অন্তরে জন্ম নেয় তাকওয়া, সাহস, প্রশান্তি ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতা। দূর হয়ে যায় ভয়, হতাশা। এতে শয়তানের কুমন্ত্রণা দুর্বল হয়ে পড়ে, মানুষের হৃদয় হয় আল্লাহমুখী।



