জিপিএ-৫ পেয়েও যে কারণে ভর্তির জন্য কলেজ পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ September, ২০২৬

জিপিএ-৫ পেয়েও যে কারণে ভর্তির জন্য কলেজ পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ September, ২০২৬ |
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে আবেদন করেও ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়নি। সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেও কেন তারা কলেজে আসন বরাদ্দ পেল না এবং তাদের ভর্তিপ্রক্রিয়া কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একাদশে ভর্তির জন্য এসএসসি পাশ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়। সেখানে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে চয়েজ বা পছন্দক্রম দিতে পারে শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে এসএসসির ফল বিবেচনায় নিয়ে তাদের কলেজ মনোনয়ন দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ: কোনো শিক্ষার্থী যদি তার পছন্দের তালিকায় ১ নম্বরে রাখে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তাহলে ওই কলেজে কতসংখ্যক আসন ফাঁকা রয়েছে এবং শিক্ষার্থীর ফলাফল অনুযায়ী অন্যদের চেয়ে

তার অবস্থান কী, তা বিবেচনা করা হয়। যদি তার চেয়েও ভালো ফল বা বেশি নম্বর থাকা শিক্ষার্থীরা ভিকারুননিসা কলেজ পছন্দক্রমে দেয়, তাহলে তাকে ওই কলেজ বরাদ্দ দেওয়া হয় না। তার পছন্দক্রম ২ নম্বরে কোন কলেজ তা বিবেচনা করা হয়। এভাবে একের পর এক পছন্দক্রম বিবেচনায় নিয়ে এবং এসএসসির ফল বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষার্থীকে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভর্তি-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনেক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় তারা শুধু ভালো ২-৩টি কলেজ পছন্দক্রমে দেন। সেই কলেজগুলোতে তীব্র প্রতিযোগিতা হয়। সেখানে দেখা যায়, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাড়া কেউ সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকছে না। এমনকি জিপিএ-৫ পেলেও নম্বর কম-বেশির কারণে কেউ পছন্দের কলেজ পায়, আবার কেউ পায় না। ঠিক

এ কারণেই ২ হাজার ২০৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি। শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই শিক্ষার্থীরাও ভর্তির সুযোগ পাবে। তবে আবেদনের সময় তারা কম কলেজে চয়েজ (পছন্দক্রম) দেওয়ায় এ সমস্যায় পড়েছে। পরবর্তীতে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে তাদের পছন্দের কলেজে অথবা নতুন করে পছন্দক্রম নিয়ে তাদের জন্য আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, প্রথম ধাপে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ শিক্ষার্থী এবার কোনো কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাননি। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ সেপ্টেম্বর অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন শুরু হয়। আবেদনগ্রহণ শেষ হয় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি

নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পেরেছেন। এবার মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর কথা ছিল। তবে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ওইদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ক্লাস শুরুর তারিখ একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের