ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আইসিসির বিশ্বকাপ ফরম্যাট পরিবর্তনের কড়া সমালোচনা স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের
বেতন দিচ্ছে না বাফুফে, ফেসবুকে ব্রিটিশ কোচ লিখলেন, ‘খুব ভয়ে আছি’
রোনালদোর বিয়ের গুঞ্জনে গির্জার সামনে শত শত মানুষ
বাবার শেষকৃত্যে ড্রোনের হানা, আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি মেসির
ভারত সিরিজের আশা ফিকে, তবু অপেক্ষায় বিসিবি
অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাটিং বিপর্যয়, ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ
বাংলাদেশ সফরে দল পাঠাচ্ছে না ভারত
‘প্রতিটি ব্যাটারের জন্য আলাদা পরিকল্পনা’: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজের প্রক্রিয়ায় আস্থা তাসকিনের
অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে সমস্যায় ফেলতে কেবল ব্যক্তিগত পরিকল্পনার চেয়েও বেশি কিছুর প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ পেস আক্রমণের প্রধান অস্ত্র তাসকিন আহমেদ। তবে গত কয়েক বছর ধরে যে প্রক্রিয়ায় তিনি সাফল্য পাচ্ছেন, সেটির ওপরই আস্থা রাখছেন এই গতি তারকা।
বৃহস্পতিবার ডারউইনে শুরু হতে যাওয়া দুই টেস্টের সিরিজে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে বিপজ্জনক ট্রাভিস হেডের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ। তবে হেড বা স্বাগতিকদের অন্য কোনো ব্যাটারের বিপক্ষে অলৌকিক কিছু করার চিন্তা করছেন না তাসকিন।
সোমবার ডারউইনে এক সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই যে সে (হেড) বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের একজন, তবে শেষ পর্যন্ত এটি তো ব্যাট ও বলের খেলা।
গত কয়েক বছর ধরে আমি যেভাবে কাজ করে আসছি, নিজের সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করব। কাজটি সহজ হবে না, তবে এর চেয়ে বেশি কিছু আমার করারও নেই। আমি আমার প্রক্রিয়ায় অবিচল থাকব, দেখা যাক কী হয়।’ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিটি ব্যাটারের জন্যই পরিকল্পনা থাকবে জানিয়ে তাসকিন বলেন, তবে মাঠের কন্ডিশন ও নিজেদের পারফরম্যান্সের ওপরই শেষ পর্যন্ত সাফল্য নির্ভর করবে। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, আমরা প্রতিটি ব্যাটারের জন্য আলাদা পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামব। তবে সেটা নির্ভর করবে কন্ডিশন এবং পিচের আচরণের ওপর। পুরো বিষয়টিই নির্ভর করছে আমরা মাঠে কতটা সঠিকভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছি তার ওপর। তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে আমাদেরও দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলতে হবে।’ দলীয় ইনজুরি
প্রসঙ্গে এই পেসার বলেন, ‘সত্যি বলতে আমরা তাদের মিস করব, বিশেষ করে নাহিদ রানাকে, যে এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটে একটি বড় হুমকি। দুর্ভাগ্যবশত সে ইনজুরিতে পড়েছে।’ ‘তবে আমার এবং দলের আরও কিছু বোলারদের ভালো করার মতো কিছুটা অভিজ্ঞতা আছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলা বোলারদের জন্য এটি একটি দারুণ সুযোগ। রানা ও শরিফুল থাকলে হয়তো চিত্রটা অন্যরকম হতে পারত, তবে এখনও আমরা ভালো কিছুর আশা করছি,’ যোগ করেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসারদের খেলা দেখে বেড়ে ওঠা তাসকিনের জন্য এই সিরিজটি ব্যক্তিগতভাবেও বেশ অর্থবহ। এবার তাদের ঘরের মাঠেই মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। তাসকিন বলেন, ‘আমি ক্রিকেটের বড় ভক্ত ছিলাম। তখন আমি কেবল স্কুলের ছাত্র। শৈশব
থেকেই আমি অস্ট্রেলিয়া দল, তাদের দুর্দান্ত পেসার ও কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের খেলা দেখে আসছি। এখন তাদের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেয়েছি, তাই আমি সত্যিই রোমাঞ্চিত।’ অস্ট্রেলিয়ার কোন বোলারদের সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তাসকিনের মুখে সবার আগে উঠে আসে মিচেল স্টার্কের নাম। হেসে তাসকিন বলেন, ‘মিচেল স্টার্ক!’ স্টার্কের পাশাপাশি জশ হ্যাজলউড, প্যাট কামিন্স ও স্কট বল্যান্ডের নামও নেন তিনি। একই সঙ্গে ২০১২ অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ, ২০১৫ বিশ্বকাপ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ায় খেলার স্মৃতিও স্মরণ করেন তাসকিন। তিনি আরও বলেন, ‘বোলিং করার জন্য অস্ট্রেলিয়া আমার প্রিয় জায়গা। আমি তাদের সবার খেলাই দেখি: স্টার্ক, হ্যাজলউড, কামিন্স, এমনকি বল্যান্ডও দারুণ করছে। তাদের সঙ্গে কথা বলার কোনো সুযোগ পেলে
আমি অবশ্যই করব।’
গত কয়েক বছর ধরে আমি যেভাবে কাজ করে আসছি, নিজের সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করব। কাজটি সহজ হবে না, তবে এর চেয়ে বেশি কিছু আমার করারও নেই। আমি আমার প্রক্রিয়ায় অবিচল থাকব, দেখা যাক কী হয়।’ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিটি ব্যাটারের জন্যই পরিকল্পনা থাকবে জানিয়ে তাসকিন বলেন, তবে মাঠের কন্ডিশন ও নিজেদের পারফরম্যান্সের ওপরই শেষ পর্যন্ত সাফল্য নির্ভর করবে। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, আমরা প্রতিটি ব্যাটারের জন্য আলাদা পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামব। তবে সেটা নির্ভর করবে কন্ডিশন এবং পিচের আচরণের ওপর। পুরো বিষয়টিই নির্ভর করছে আমরা মাঠে কতটা সঠিকভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছি তার ওপর। তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে আমাদেরও দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলতে হবে।’ দলীয় ইনজুরি
প্রসঙ্গে এই পেসার বলেন, ‘সত্যি বলতে আমরা তাদের মিস করব, বিশেষ করে নাহিদ রানাকে, যে এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটে একটি বড় হুমকি। দুর্ভাগ্যবশত সে ইনজুরিতে পড়েছে।’ ‘তবে আমার এবং দলের আরও কিছু বোলারদের ভালো করার মতো কিছুটা অভিজ্ঞতা আছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলা বোলারদের জন্য এটি একটি দারুণ সুযোগ। রানা ও শরিফুল থাকলে হয়তো চিত্রটা অন্যরকম হতে পারত, তবে এখনও আমরা ভালো কিছুর আশা করছি,’ যোগ করেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসারদের খেলা দেখে বেড়ে ওঠা তাসকিনের জন্য এই সিরিজটি ব্যক্তিগতভাবেও বেশ অর্থবহ। এবার তাদের ঘরের মাঠেই মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। তাসকিন বলেন, ‘আমি ক্রিকেটের বড় ভক্ত ছিলাম। তখন আমি কেবল স্কুলের ছাত্র। শৈশব
থেকেই আমি অস্ট্রেলিয়া দল, তাদের দুর্দান্ত পেসার ও কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের খেলা দেখে আসছি। এখন তাদের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেয়েছি, তাই আমি সত্যিই রোমাঞ্চিত।’ অস্ট্রেলিয়ার কোন বোলারদের সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তাসকিনের মুখে সবার আগে উঠে আসে মিচেল স্টার্কের নাম। হেসে তাসকিন বলেন, ‘মিচেল স্টার্ক!’ স্টার্কের পাশাপাশি জশ হ্যাজলউড, প্যাট কামিন্স ও স্কট বল্যান্ডের নামও নেন তিনি। একই সঙ্গে ২০১২ অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ, ২০১৫ বিশ্বকাপ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ায় খেলার স্মৃতিও স্মরণ করেন তাসকিন। তিনি আরও বলেন, ‘বোলিং করার জন্য অস্ট্রেলিয়া আমার প্রিয় জায়গা। আমি তাদের সবার খেলাই দেখি: স্টার্ক, হ্যাজলউড, কামিন্স, এমনকি বল্যান্ডও দারুণ করছে। তাদের সঙ্গে কথা বলার কোনো সুযোগ পেলে
আমি অবশ্যই করব।’



