ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কাস্পিয়ান সাগরে ভেসে গেল ১৯ সেনা, নিহত ৯
যেভাবে গিনেস রেকর্ড গড়ল তুরস্কের কেলকিট শহর
মক্কাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি
ইসরায়েলি নাগরিকের প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রোন কিনতে পাকি সেনাবাহিনীর সমঝোতা
ইরান শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ছাড়বে না: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান
ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতে ব্যর্থ হলেও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন তারেক রহমান
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে খলিলুরের ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’
১০০ ফুট লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক বিমান উড়িয়ে ও ১০০ ফুট (৩০ মিটার) দীর্ঘ লালগালিচা বিছিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে স্বাগত জানিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনে শুরু হয়েছে বিশ্বের দুই প্রভাবশালী নেতার তিন দিনের বৈঠক।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে শি’কে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে নিজেই উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প। এ সময় মার্কিন বিমানবাহিনীর ব্যান্ড সংগীত পরিবেশন করে। বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পতাকাও উড়ছিল।
২০১৫ সালের পর এটি শি’র প্রথম ওয়াশিংটন সফর। গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে দুই নেতার মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক, রাষ্ট্রীয় নৈশভোজসহ নানা কর্মসূচি রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইরান যুদ্ধ, তাইওয়ান এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর মতো বিষয়গুলো আলোচনায়
গুরুত্ব পেতে পারে। স্থানীয় সময় বুধবার বিকাল ৫টা ৩৯ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৩টা ৩৯ মিনিট) এয়ার চায়নার একটি উড়োজাহাজে করে ওয়াশিংটনে পৌঁছান শি। বিমান থেকে নামার পর চীনের প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী পেং লিয়ুয়ানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। সম্মানরক্ষী দলের সদস্যরা লালগালিচার দুই পাশে অবস্থান নেন। পরে দুই দম্পতি করমর্দন করেন এবং পাশাপাশি হেঁটে ছবি তোলেন। এ সময় দুটি বি-১ বোমারু বিমান তাদের উপর দিয়ে উড়ে যায়। আর্মি এয়ার ফোর্স ব্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। সুপারসনিক এসব উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সৌজন্য সাক্ষাতের পর দুই দম্পতি পৃথক গাড়িতে করে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওয়ানা হন। ১৯৬২ সালের পর এবারই প্রথম
কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিদেশি নেতাকে স্বাগত জানালেন। ১৯৬২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড ম্যাকমিলানকে সেখানে স্বাগত জানিয়েছিলেন। এদিকে বুধবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের বাণিজ্যিক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াবে। আগের চুক্তির মেয়াদ ১০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। ওই চুক্তির আওতায় ট্রাম্প কিছু চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়েছিলেন। এর বিনিময়ে চীন বিরল খনিজ বা রেয়ার আর্থ রপ্তানির ওপর আরোপিত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছিল। চীনের ভাইস প্রিমিয়ার হে লাইফেংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর বেসেন্ট বলেন, দুই দেশ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত একটি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে কিনা, সে বিষয়েও
আলোচনা হয়েছে। ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প বলেছেন, শি’র সফরের কর্মসূচি পরিকল্পনায় তিনি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ট্রাম্প নিজেই শি’কে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তাদের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক রয়েছে। শি’র সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ক্যাই ছি। তাকে শি’র ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া রয়েছেন ভাইস প্রিমিয়ার হে লাইফেং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং চীনের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রদূত। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে শি বলেছেন, চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ বাস্তবায়ন এবং আমেরিকাকে মহান করে তোলার লক্ষ্য পুরোপুরি সহাবস্থান করতে পারে, একে অপরকে শক্তিশালী করতে পারে এবং বিশ্বের জন্য
সুফল বয়ে আনতে পারে। শি তার সফরে কোনো চীনা ব্যবসায়ী বা বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীকে সঙ্গে এনেছেন কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্রের এআই খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। শি’র সফর শেষ হবে শুক্রবার।
গুরুত্ব পেতে পারে। স্থানীয় সময় বুধবার বিকাল ৫টা ৩৯ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৩টা ৩৯ মিনিট) এয়ার চায়নার একটি উড়োজাহাজে করে ওয়াশিংটনে পৌঁছান শি। বিমান থেকে নামার পর চীনের প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী পেং লিয়ুয়ানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। সম্মানরক্ষী দলের সদস্যরা লালগালিচার দুই পাশে অবস্থান নেন। পরে দুই দম্পতি করমর্দন করেন এবং পাশাপাশি হেঁটে ছবি তোলেন। এ সময় দুটি বি-১ বোমারু বিমান তাদের উপর দিয়ে উড়ে যায়। আর্মি এয়ার ফোর্স ব্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। সুপারসনিক এসব উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সৌজন্য সাক্ষাতের পর দুই দম্পতি পৃথক গাড়িতে করে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওয়ানা হন। ১৯৬২ সালের পর এবারই প্রথম
কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিদেশি নেতাকে স্বাগত জানালেন। ১৯৬২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড ম্যাকমিলানকে সেখানে স্বাগত জানিয়েছিলেন। এদিকে বুধবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের বাণিজ্যিক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াবে। আগের চুক্তির মেয়াদ ১০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। ওই চুক্তির আওতায় ট্রাম্প কিছু চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়েছিলেন। এর বিনিময়ে চীন বিরল খনিজ বা রেয়ার আর্থ রপ্তানির ওপর আরোপিত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছিল। চীনের ভাইস প্রিমিয়ার হে লাইফেংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর বেসেন্ট বলেন, দুই দেশ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত একটি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে কিনা, সে বিষয়েও
আলোচনা হয়েছে। ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প বলেছেন, শি’র সফরের কর্মসূচি পরিকল্পনায় তিনি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ট্রাম্প নিজেই শি’কে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তাদের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক রয়েছে। শি’র সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ক্যাই ছি। তাকে শি’র ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া রয়েছেন ভাইস প্রিমিয়ার হে লাইফেং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং চীনের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রদূত। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে শি বলেছেন, চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ বাস্তবায়ন এবং আমেরিকাকে মহান করে তোলার লক্ষ্য পুরোপুরি সহাবস্থান করতে পারে, একে অপরকে শক্তিশালী করতে পারে এবং বিশ্বের জন্য
সুফল বয়ে আনতে পারে। শি তার সফরে কোনো চীনা ব্যবসায়ী বা বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীকে সঙ্গে এনেছেন কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্রের এআই খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। শি’র সফর শেষ হবে শুক্রবার।



