ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারপন্থীদের ঢোকাতে সরকারি কমিটিগুলো থেকে আওয়ামীপন্থী ট্যাগে বাদ পড়ছেন কর্মকর্তারা, নির্দেশনা জারি
বাসের পর লঞ্চেও অরাজকতা: নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা নেই, যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো আদায়
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ: ইউরোপের চার দেশের সমর্থন
ফেসবুকে তারেক রহমানের সমালোচনামূলক ভিডিওতে ‘লাইক’ দেওয়ায় বরখাস্ত শিক্ষক!
২৮০ কোটি টাকার সড়ক এখন চষা ক্ষেত: ‘লীগ-সম্পৃক্ততায়’ বাতিল ঠিকাদারের কার্যাদেশ, কাজও বন্ধ এক বছর ধরে
কৃষকের ভর্তুকির সার পাচার হয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারে, বিনিময়ে ঢুকছে ইয়াবা-অস্ত্র
ভারতীয় ইলিশে দেশের বাজার সয়লাব, ১৯০ টাকার ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৮শ টাকায়!
ফ্যামিলি কার্ড পাবেন তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান, নিশ্চিত করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প নিয়ে এক ব্যতিক্রমী ও চাঞ্চল্যকর বার্তা দিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি জানিয়েছেন, দেশের চার কোটি পরিবারকে এই সরকারি সুবিধার আওতায় আনা হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও সাধারণ নিয়মেই কার্ডটি পাবেন।
আজ ২৪শে সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে জনগণের সেবা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের এই বিশেষ ‘সিগনেচার প্রজেক্টে’ কোনো স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতির সুযোগ নেই।
তিনি দাবি করেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাউকে এক টাকাও ঘুষ দিতে হবে না। পর্যায়ক্রমে এটি প্রতিটি ঘরে পৌঁছাবে। এটি বিএনপির
একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত। অনুষ্ঠানে সম্প্রতি পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার বন্যা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পর এত বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের অভিজ্ঞতা এই অঞ্চলের মানুষের ছিল না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ উদ্ভূত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ও জেলা প্রশাসন শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবের রহমান শামীমসহ স্থানীয় বিএনপি ও প্রশাসনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত। অনুষ্ঠানে সম্প্রতি পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার বন্যা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পর এত বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের অভিজ্ঞতা এই অঞ্চলের মানুষের ছিল না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ উদ্ভূত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ও জেলা প্রশাসন শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবের রহমান শামীমসহ স্থানীয় বিএনপি ও প্রশাসনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



