ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কলকাতায় আকাশছোঁয়া ছাগল ও দুম্বার দাম, নেপথ্যে কী
ভারতীয় তরুণের মুখে হরমুজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বেঁচে ফেরার গল্প
যুক্তরাষ্ট্র এবার ভুল করলে ‘বড় শাস্তি দেবে’ ইরান
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, শান্তি প্রচেষ্টায় তেহরানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান
‘আমাকে বোকা বলবেন না, বরং একজন মেধাবী স্বৈরশাসক বলুন’: ট্রাম্প
ইসরাইলি হামলায় ধূলিসাৎ দক্ষিণ লেবাননের পুরো জনপদ
শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, গাজা যুদ্ধে ইসরাইলকে যেভাবে অস্ত্র জুগিয়েছে ভারতসহ ৫১ দেশ
ভারতে ‘আরশোলা জনতা’ কারা, জনপ্রিয়তার নেপথ্যে কী
‘কেমন হয় যদি সব আরশোলা একত্রিত হই’- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এমন একটি পোস্ট দেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ভারতীয় তরুণ অভিজিৎ দীপকে। মুহূর্তেই তা ভার্চ্যুয়াল পৃথিবীতে নতুন ঝড়ের জন্ম দেয়, যার কল্পনাও হয়তো কেউ করেননি। কোটি কোটি ভারতীয় তরুণ ওই পোস্ট থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এখন গড়ে তুলেন ‘কোকরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি নামের একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
নামটা শুনতে বেশ অদ্ভুত। কারণ, ককরোচ বা আরশোলার নামে কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হতে পারে- এমনটা অনেকেই ভাবেননি। এ সংগঠনের প্রতি ভারতের জেন-জি’রা দ্রুত সমর্থন দেখাতে শুরু করেন। যে তরুণ-তরুণী আরশোলা দেখে আঁৎকে উঠতেন, তারাই নিজেদের ‘আরশোলা’ বলে দাবি করতে থাকেন। দ্রুতই ইস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যা ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক
দল ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির ৯০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। অতিক্রম করে কংগ্রেসের ১৪ লাখ ফলোয়ারের চূঁড়াও। শনিবার ককরোচ জনতা পার্টির ফলোয়ার সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় দলটির পরিচালক অভিজিৎ দীপকে’র অভিযোগ, দলের ইনস্টাগ্রাম হ্যাকের চেষ্টা করা হয়েছে। পরে সিজেপির অ্যাকাউন্টটি ভারতে বন্ধ হয়ে গেছে বলেও খবর বের হয়। এর আগে টুইটারে ককরোচ জনতা পার্টির অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। কী এমন বিষয় যে, এতো দ্রুত ভারতের তরুণ প্রজন্ম অদ্ভুত নামের এক দলটিকে আঁকড়ে নিলেন? এ দলটি কী ক্ষমতাসীন বিজেপির জন্য চ্যালেঞ্জ? এমন নানা প্রশ্ন সামনে আসতে শুরু করেছে। অনেকে এর সঙ্গে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালে জেন-জির আন্দোলনের সঙ্গে
সামঞ্জস্য খুঁজছেন। ভারতের প্রতিবেশি দেশগুলোতে তরুণরা যেসব আন্দোলন করেছেন, সেখানে এমন অদ্ভুত নাম গ্রহণের বিষয়টি ছিল না। ‘আরশোলা জনতা’- এমন শব্দ চমক সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি এটা ভারতের আন্দোলনকে নতুন মাত্রাও নিয়ে গেছে। কেনো গড়ে উঠলো এ ‘আরশোলা জনতা দল’ বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মতো জেন জি’দের অন্য আন্দোলনগুলোর মতো এতেও বেকারত্ব বড় ইস্যু। ভারতের অর্থনীতি এখন নানাভাবে ধুকছে। দেশটিতে বিদেশি বিনিয়োগ আগের চেয়ে কমেছে। ধর্মীয় কট্টরপন্থা ও সামাজিক বিভাজন বেড়েছে। ডলারের তুলনায় মুদ্রার দাম ক্রমাগত নিম্নমুখী। শিক্ষিত তরুণরা কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ পাচ্ছে না। এসব বিষয় নিয়ে তরুণদের ভেতরে আগে থেকেই ক্ষোভ ছিল। শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ককরোচ জনতা পার্টি
একটি ব্যাঙ্গাত্মক নাম হলেও এ সদস্য সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এটি ভারতীয় তরুণদের বেকারত্ম, প্রশাসনের অভ্যন্তরে দুর্নীতি ও গণতান্ত্রিক অবস্থা নিয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। দলটির নাম দেশটির ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির অনুকরণে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নানা মিমি, ব্যাঙ্গাত্মক প্রচারণায় সয়লাভ, যেখানে লোকজন তাদের হতাশাকে তুলে ধরছেন। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, পাঁচ বছর আগে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাননি। এখন সবাই কথা বলছেন। দলটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এখানে পরিকল্পিত কোনো বিষয় ছিল না। তরুণ আসলেই হতাশ। তারা সরকারে ওপর ক্ষুব্ধ। গত ১৫ মে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি মামলার
পর্যবেক্ষণে ভারতের বেকার তরুণদের ‘আরশোলা’ ও ‘সমাজের পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেন। তার এ মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরদিনই জন্ম নেয় সিজেপি। ইতোমধ্যে দলটি নানা দাবিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের গান সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ব্যবহার করা হচ্ছে আরশোলার মুখোশ। নানা ভিডিওতে তুলে ধরা হচ্ছে দাবি-দাওয়া। এরমধ্যেই দলটি নীটসের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে থাকা অভিজিৎ ২০১২ সালে আন্না হাজারের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। অতীতে আম আদমি পার্টির নেতাদের সঙ্গে তার ছবি দেখা গেছে। এ কারণে বিজেপি ও তার অনুসারীরা মনে করেন– আম আদমি পার্টি অভিজিৎকে দিয়ে
এ কাজ করাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, ভারতের ‘আরশোলা’রা রাজনীতিতে কতোটা পরিবর্তন আনতে পারবেন? তারা কি আদৌ ক্ষমতাসীনদের টনক নাড়াতে পারবেন? ক্ষমতার কাঠামো বিশ্লেষণে এটা অনেকটাই স্পষ্ট যে, এ আন্দোলন ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতায় কোনো পরিবর্তন আপাতত আনতে পারবে না। কিন্তু এগুলোর প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী। ভারতের আগামী জাতীয় নির্বাচনে এর অবশ্যম্ভাবী প্রভাব পড়তে পারে।
দল ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির ৯০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। অতিক্রম করে কংগ্রেসের ১৪ লাখ ফলোয়ারের চূঁড়াও। শনিবার ককরোচ জনতা পার্টির ফলোয়ার সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় দলটির পরিচালক অভিজিৎ দীপকে’র অভিযোগ, দলের ইনস্টাগ্রাম হ্যাকের চেষ্টা করা হয়েছে। পরে সিজেপির অ্যাকাউন্টটি ভারতে বন্ধ হয়ে গেছে বলেও খবর বের হয়। এর আগে টুইটারে ককরোচ জনতা পার্টির অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। কী এমন বিষয় যে, এতো দ্রুত ভারতের তরুণ প্রজন্ম অদ্ভুত নামের এক দলটিকে আঁকড়ে নিলেন? এ দলটি কী ক্ষমতাসীন বিজেপির জন্য চ্যালেঞ্জ? এমন নানা প্রশ্ন সামনে আসতে শুরু করেছে। অনেকে এর সঙ্গে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালে জেন-জির আন্দোলনের সঙ্গে
সামঞ্জস্য খুঁজছেন। ভারতের প্রতিবেশি দেশগুলোতে তরুণরা যেসব আন্দোলন করেছেন, সেখানে এমন অদ্ভুত নাম গ্রহণের বিষয়টি ছিল না। ‘আরশোলা জনতা’- এমন শব্দ চমক সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি এটা ভারতের আন্দোলনকে নতুন মাত্রাও নিয়ে গেছে। কেনো গড়ে উঠলো এ ‘আরশোলা জনতা দল’ বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মতো জেন জি’দের অন্য আন্দোলনগুলোর মতো এতেও বেকারত্ব বড় ইস্যু। ভারতের অর্থনীতি এখন নানাভাবে ধুকছে। দেশটিতে বিদেশি বিনিয়োগ আগের চেয়ে কমেছে। ধর্মীয় কট্টরপন্থা ও সামাজিক বিভাজন বেড়েছে। ডলারের তুলনায় মুদ্রার দাম ক্রমাগত নিম্নমুখী। শিক্ষিত তরুণরা কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ পাচ্ছে না। এসব বিষয় নিয়ে তরুণদের ভেতরে আগে থেকেই ক্ষোভ ছিল। শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ককরোচ জনতা পার্টি
একটি ব্যাঙ্গাত্মক নাম হলেও এ সদস্য সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এটি ভারতীয় তরুণদের বেকারত্ম, প্রশাসনের অভ্যন্তরে দুর্নীতি ও গণতান্ত্রিক অবস্থা নিয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। দলটির নাম দেশটির ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির অনুকরণে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নানা মিমি, ব্যাঙ্গাত্মক প্রচারণায় সয়লাভ, যেখানে লোকজন তাদের হতাশাকে তুলে ধরছেন। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, পাঁচ বছর আগে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাননি। এখন সবাই কথা বলছেন। দলটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এখানে পরিকল্পিত কোনো বিষয় ছিল না। তরুণ আসলেই হতাশ। তারা সরকারে ওপর ক্ষুব্ধ। গত ১৫ মে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি মামলার
পর্যবেক্ষণে ভারতের বেকার তরুণদের ‘আরশোলা’ ও ‘সমাজের পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেন। তার এ মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরদিনই জন্ম নেয় সিজেপি। ইতোমধ্যে দলটি নানা দাবিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের গান সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ব্যবহার করা হচ্ছে আরশোলার মুখোশ। নানা ভিডিওতে তুলে ধরা হচ্ছে দাবি-দাওয়া। এরমধ্যেই দলটি নীটসের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে থাকা অভিজিৎ ২০১২ সালে আন্না হাজারের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। অতীতে আম আদমি পার্টির নেতাদের সঙ্গে তার ছবি দেখা গেছে। এ কারণে বিজেপি ও তার অনুসারীরা মনে করেন– আম আদমি পার্টি অভিজিৎকে দিয়ে
এ কাজ করাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, ভারতের ‘আরশোলা’রা রাজনীতিতে কতোটা পরিবর্তন আনতে পারবেন? তারা কি আদৌ ক্ষমতাসীনদের টনক নাড়াতে পারবেন? ক্ষমতার কাঠামো বিশ্লেষণে এটা অনেকটাই স্পষ্ট যে, এ আন্দোলন ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতায় কোনো পরিবর্তন আপাতত আনতে পারবে না। কিন্তু এগুলোর প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী। ভারতের আগামী জাতীয় নির্বাচনে এর অবশ্যম্ভাবী প্রভাব পড়তে পারে।



