জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ June, ২০২৬

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা ট্রাম্পের, যে রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ June, ২০২৬ |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া প্রায় প্রত্যেকেরই জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার বহাল রেখেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এর মাধ্যমে মার্কিন মাটিতে জন্ম নেওয়া সকলেই নাগরিকত্ব পাবেন—এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই আইনি ঐকমত্যকে পাল্টে দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলো। আদালতের এই রায়ে ট্রাম্পের সেই নির্বাহী আদেশটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, যা তিনি তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই জারি করেছিলেন। ওই আদেশে নথিপত্রহীন বা অবৈধ অভিবাসী এবং সাময়িক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়ার নিয়ম বাতিলের কথা বলা হয়েছিল। রক্ষণশীল ধারার এই সর্বোচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে চলতি বছর ট্রাম্পের নীতিমালার ওপর এটি দ্বিতীয় বড় ধাক্কা।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে আদালত বিশ্বব্যাপী আমদানির ওপর ট্রাম্পের আরোপিত ব্যাপক শুল্ক নীতি বাতিল করে তার বাণিজ্য নীতির মূল স্তম্ভটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। বর্তমান রায়ে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস, বিচারপতি অ্যামি কোনি ব্যারেট এবং তিন উদারপন্থী বিচারপতিসহ মোট পাঁচজন বিচারপতি একমত হয়েছেন যে মার্কিন সংবিধান জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেয়। অন্যদিকে, বিচারপতি ব্রেট কাভানো এই সাংবিধানিক যুক্তির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করলেও ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটিকে একটি ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের দায়ে অবৈধ বলে উল্লেখ করেছেন। রায়ে প্রধান বিচারপতি রবার্টস ট্রাম্প প্রশাসনের সেই যুক্তি খণ্ডন করেছেন, যেখানে বলা হয়েছিল যে নাগরিকত্ব পাওয়ার এই অধিকার কেবল তাদের জন্যই প্রযোজ্য যাদের বাবা-মা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন বা মার্কিন

রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত। রবার্টস তার রায়ে লিখেছেন, কংগ্রেস যদি আমেরিকান নাগরিকত্ব কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসকারীদের সন্তানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে চাইত, তবে নাগরিকত্ব ধারার সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট ভাষায় সেই উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবেই প্রকাশ পেত। এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত এপ্রিল মাস থেকেই এই মামলায় নিজের পরাজয়ের ব্যাপারে কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিলেন। ওই সময় তিনি সুপ্রিম কোর্টের মৌখিক যুক্তি শুনানিতে সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন, যা কোনো ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে প্রথম ঘটনা। শুনানির পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করলেও, গত মাসে এক মন্তব্যে তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন যে এই মামলায় তার হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আদালতের রায়ের পর ট্রাম্প তার

‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার মতোই আদালত ব্যবস্থাও ‘কারচুপিপূর্ণ’, আর এই কারণেই দেশের মানুষ তাকে রেকর্ড সংখ্যক ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছেন এবং তিনি এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন। ট্রাম্প ও তার সহযোগীদের মূল দাবি ছিল, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়ার এই নিয়ম অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করে, কারণ অভিবাসীরা জানে তাদের সন্তানরা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকার অধিকার পাবে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারাও দাবি করেছেন, এই ব্যবস্থার কারণে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বা জন্ম পর্যটন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিচারপতি ক্লারেন্স থমাস এবং নিল গোরসুচ ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সুর মিলিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। থমাস তার ভিন্নমত্যে লিখেছেন, আদালত অবৈধ অভিবাসী ও

বার্থ ট্যুরিস্টদের সন্তানদের নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। আলাদা এক ভিন্নমত্যে বিচারপতি স্যামুয়েল অ্যালিটো বলেন, এই বিষয়টির সমাধান মার্কিন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর সঠিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে কংগ্রেসের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল। অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার সমালোচকেরা বলছেন, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার এই প্রথা গত প্রায় ১৩০ বছর ধরে মার্কিন জীবনধারার একটি অন্যতম ভিত্তি। এটি বাতিল করা হলে প্রতিটি শিশুর বাবা-মায়ের আইনি মর্যাদা যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনকে বিশাল ব্যবহারিক ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হতো। যদিও ট্রাম্পের ২০২৫ সালের জানুয়ারির আদেশে বলা হয়েছিল যে এটি আদেশ কার্যকরের ৩০ দিন পর জন্ম নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, তবুও আইনজীবীদের মতে, এই প্রস্তাব যদি

সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখত, তবে দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন নাগরিক হিসেবে বসবাসকারী বহু মানুষের আইনি মর্যাদা নিয়ে এক তীব্র অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হতো। সূত্র: পলিটিকো।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের