ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“প্রতিটি ফোঁটা রক্তের হিসেব নিতে হবে, সেইভাবে প্রস্তুত হও”— নিপীড়িত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা
‘দেশে এখন পক্ষ দুটি- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অথবা বিপক্ষে’, অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান মিথিলা ফারজানার
‘মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, গাজীপুরে শেখ হাসিনার আইন চলবে’
মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন
সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও
“আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আমি সমর্থন করি না”, সাক্ষাৎকারে এম সাখাওয়াত হোসেন
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির হজম করা কঠিন হবে, অকল্পনীয় অনেক ব্যাপার ঘটতে পারে: সাবির মুস্তাফা
“জুলাই আন্দোলন পরিকল্পিত ডিজাইন ছিল, যেখানে স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে”— বিএনপির সাংসদ নিলোফার চৌধুরী মনি
জুলাই আন্দোলনের নেপথ্য সমীকরণ, হত্যাকাণ্ডের রহস্যময় ধরন এবং এর পেছনের কুশীলবদের ভূমিকা নিয়ে এবার এক নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক রাজনৈতিক প্রশ্নের অবতারণা করেছেন বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি টকশো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি দাবি করেছেন, জুলাই মূলত একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পিত ডিজাইন বা নকশা অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছিল। অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর এই আলোচনা চলাকালীন এই সংসদ সদস্য আন্দোলনের সময় সাধারণ মানুষের ওপর হওয়া রহস্যময় ও নিঃশব্দ গুলিবর্ষণের ঘটনা তুলে ধরে প্রশ্ন তোলেন, জুলাইতে আসলে স্নাইপার চালিয়েছিল কারা?
তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, “অনেক কিছুই আমি বলতে চেয়েও বলতে পারি না। কারণ অনেক কিছু বললে
অনেকের কাপড়চোপড় ঠিক থাকবে না। যারা আজ বড় বড় কথা বলে, তারা কখন কোথায় কীভাবে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেখা করে এই কাজগুলো করেছিল, আন্দোলনের পেছনে তাদের আসলে কতটা ভূমিকা ছিল—তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন রয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই আন্দোলনে যাদের মূল বা মেইন হর্তাকর্তা বলে দাবি করা হচ্ছে, বাস্তবে এই আন্দোলনে কারা মেইন ছিল তা কেউ সঠিকভাবে জানে না; কারণ রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে পাশে থাকা একজন মানুষ যখন হুট করে লুটিয়ে পড়েছে, তখন বাকিরা ভেবেছে সে স্বাভাবিকভাবে পড়েছে, অথচ নিঃশব্দে সে মারা গিয়েছে। গুলির কোনো আওয়াজ না হওয়া এবং সামনে থেকে নাকি পেছন থেকে গুলি এসেছে তা সাধারণ আন্দোলনকারীদের না
জানতে পারা এটাই প্রমাণ করে যে, এগুলো সাধারণ পুলিশের গুলি ছিল না, বরং অত্যন্ত সুনিপুণ স্নাইপারের গুলি ছিল। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন যে—‘তার মানে এটা কি কোনো ডিজাইন বা বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল?’ জবাবে নিলোফার চৌধুরী মনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে স্পষ্ট করে বলেন, “ডিজাইন তো অবশ্যই ছিল, তবে এটি ষড়যন্ত্র কিনা তা আমি এই মুহূর্তে বলতে পারব না।” জুলাই আন্দোলনে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এমন নিঃশব্দে কারা এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ও লাশের রাজনীতি চালিয়েছিল, তা নিয়ে নিজের গভীর সংশয় প্রকাশ করে এই প্রবীণ নারী নেত্রী আরও বলেন, “কারা মারলো কেউ জানে না। সামনে কোনো পুলিশও ছিল না। পুলিশের গুলি হলে তো সামনেই
হতো। হতে পারে কোনো বাসা থেকে টার্গেট করে, ওপরতলা থেকে টার্গেট করে হয়তো নিখুঁতভাবে গুলি করা হয়েছে। আমার নিজের কাছেই এমন অনেক বড় বড় প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর নাই।” এই সংসদ সদস্যের মুখ থেকে জুলাই আন্দোলনের আড়ালের মনস্তত্ত্ব এবং তথাকথিত কুশীলবদের ব্যাকস্টেজ কর্মকাণ্ডের এমন নগ্ন চিত্র জনসমক্ষে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে।
অনেকের কাপড়চোপড় ঠিক থাকবে না। যারা আজ বড় বড় কথা বলে, তারা কখন কোথায় কীভাবে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেখা করে এই কাজগুলো করেছিল, আন্দোলনের পেছনে তাদের আসলে কতটা ভূমিকা ছিল—তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন রয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই আন্দোলনে যাদের মূল বা মেইন হর্তাকর্তা বলে দাবি করা হচ্ছে, বাস্তবে এই আন্দোলনে কারা মেইন ছিল তা কেউ সঠিকভাবে জানে না; কারণ রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে পাশে থাকা একজন মানুষ যখন হুট করে লুটিয়ে পড়েছে, তখন বাকিরা ভেবেছে সে স্বাভাবিকভাবে পড়েছে, অথচ নিঃশব্দে সে মারা গিয়েছে। গুলির কোনো আওয়াজ না হওয়া এবং সামনে থেকে নাকি পেছন থেকে গুলি এসেছে তা সাধারণ আন্দোলনকারীদের না
জানতে পারা এটাই প্রমাণ করে যে, এগুলো সাধারণ পুলিশের গুলি ছিল না, বরং অত্যন্ত সুনিপুণ স্নাইপারের গুলি ছিল। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন যে—‘তার মানে এটা কি কোনো ডিজাইন বা বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল?’ জবাবে নিলোফার চৌধুরী মনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে স্পষ্ট করে বলেন, “ডিজাইন তো অবশ্যই ছিল, তবে এটি ষড়যন্ত্র কিনা তা আমি এই মুহূর্তে বলতে পারব না।” জুলাই আন্দোলনে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এমন নিঃশব্দে কারা এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ও লাশের রাজনীতি চালিয়েছিল, তা নিয়ে নিজের গভীর সংশয় প্রকাশ করে এই প্রবীণ নারী নেত্রী আরও বলেন, “কারা মারলো কেউ জানে না। সামনে কোনো পুলিশও ছিল না। পুলিশের গুলি হলে তো সামনেই
হতো। হতে পারে কোনো বাসা থেকে টার্গেট করে, ওপরতলা থেকে টার্গেট করে হয়তো নিখুঁতভাবে গুলি করা হয়েছে। আমার নিজের কাছেই এমন অনেক বড় বড় প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর নাই।” এই সংসদ সদস্যের মুখ থেকে জুলাই আন্দোলনের আড়ালের মনস্তত্ত্ব এবং তথাকথিত কুশীলবদের ব্যাকস্টেজ কর্মকাণ্ডের এমন নগ্ন চিত্র জনসমক্ষে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে।



