ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে: কিছু জরুরি তথ্য
বিশ্বকাপে রোনালদোর ১১ গোলের ৪টিই পেনাল্টি থেকে
মেসির পেনাল্টি ঠেকানোর স্বপ্ন কি আজ সত্যি হবে ভোজিনিয়ার
ঘানার অদম্য লড়াই, কলম্বিয়ার স্বপ্ন
নরওয়ে ম্যাচের আগে ব্রাজিলের বড় ধাক্কা: ইনজুরিতে পাকেতা
বিশ্বকাপে এমবাপ্পের নতুন রেকর্ড
নরওয়েকে হারালে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা
রোনালদো ও রামোসের গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল
টরন্টোতে শেষ ৩২-এর এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ১৬-র টিকিট নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল, যেখানে তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ স্পেন। ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো তাঁর বিশ্বকাপ নকআউট পর্বের প্রথম গোল করেন এবং ৯৪ মিনিটে গনসালো রামোস এক নাটকীয় জয়সূচক গোল এনে দেন। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে এসে ক্রোয়েশিয়ানদের হৃদয় ভেঙে যায়।
পর্তুগাল ও লিভারপুলের ফরোয়ার্ড দিওগো জোতার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর কারণে রাতটি ছিল আবেগঘন। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইভান পেরিসিচের গোলে ক্রোয়েশিয়া এগিয়ে যাওয়ার পর, পেনাল্টি থেকে গোল করে পর্তুগালকে সমতায় ফেরান রোনালদো।
ম্যাচের ৬৮ মিনিটে পর্তুগাল অধিনায়ক শান্ত মাথায় পোস্টের মাঝ বরাবর বল জালে জড়ান। এর আগে ভিএআর (VAR)-এর
মাধ্যমে দেখা যায় যে, একটি কর্নার থেকে রেনাতো ভেইগা যখন হেড করার চেষ্টা করছিলেন, তখন ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার জোসিপ সুতালো তাঁর পথে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন। অতিরিক্ত সময়ের ১৩তম মিনিটে জোসকো গভার্দিওল বল জালে পাঠালে ক্রোয়েশিয়া ভেবেছিল তারা নাটকীয়ভাবে সমতায় ফিরে এসেছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ভিএআর রিভিউয়ের পর গোলটি বাতিল করা হয়। ফলে স্তব্ধ হয়ে পড়ে ক্রোয়েশিয়া এবং জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল। এর ঠিক কিছুক্ষণ আগেই, বদলি খেলোয়াড় রামোস এক চূড়ান্ত আঘাত হানেন। শেষ মুহূর্তে হেডের সাহায্যে গোল করে দলের এই নাটকীয় জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে রোনালদোকে তুলে নিয়ে রুবেন নেভেসকে মাঠে নামানো হয়। এটি ছিল কোচ রবার্তো মার্তিনেজের শেষ পরিবর্তন। এর
আগে পর্তুগাল দলের আক্রমণভাগ ঢেলে সাজাতে ব্রুনো ফার্নান্দেস, পেড্রো নেতো, ভিটিনহা এবং জোয়াও কানসেলোর পরিবর্তে যথাক্রমে নেলসন সেমেদো, রামোস, বার্নার্ডো সিলভা ও ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওকে মাঠে নামিয়েছিলেন মার্তিনেজ। এই জয়টি রোনালদো এবং লুকা মদ্রিচ উভয়ের জন্যই এক ঐতিহাসিক রাতে পরিণত হয়েছে, কারণ তাঁরা বিশ্বকাপে দীর্ঘকাল খেলার নতুন রেকর্ড গড়েছেন। ৪১ বছর ১৪৭ দিন বয়সে রোনালদো বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ শুরু করা সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ড খেলোয়াড় হয়েছেন। তাঁর রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সতীর্থ ও ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক মদ্রিচ ৪০ বছর ২৯৬ দিন বয়স নিয়ে এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। উভয়েই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ফরোয়ার্ড এডিন জেকোকে (৪০ বছর ১০৬ দিন) ছাড়িয়ে গেছেন, যিনি মাত্র একদিন
আগে সহ-আয়োজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছিলেন। রোনালদো বিশ্বকাপে তাঁর ২৬তম ম্যাচ খেলে লিওনেল মেসির পেছনে থেকে সর্বকালের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। এ ছাড়া, চলতি টুর্নামেন্টের শুরুতেই তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য কীর্তি অর্জন করেছিলেন।
মাধ্যমে দেখা যায় যে, একটি কর্নার থেকে রেনাতো ভেইগা যখন হেড করার চেষ্টা করছিলেন, তখন ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার জোসিপ সুতালো তাঁর পথে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন। অতিরিক্ত সময়ের ১৩তম মিনিটে জোসকো গভার্দিওল বল জালে পাঠালে ক্রোয়েশিয়া ভেবেছিল তারা নাটকীয়ভাবে সমতায় ফিরে এসেছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ভিএআর রিভিউয়ের পর গোলটি বাতিল করা হয়। ফলে স্তব্ধ হয়ে পড়ে ক্রোয়েশিয়া এবং জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল। এর ঠিক কিছুক্ষণ আগেই, বদলি খেলোয়াড় রামোস এক চূড়ান্ত আঘাত হানেন। শেষ মুহূর্তে হেডের সাহায্যে গোল করে দলের এই নাটকীয় জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে রোনালদোকে তুলে নিয়ে রুবেন নেভেসকে মাঠে নামানো হয়। এটি ছিল কোচ রবার্তো মার্তিনেজের শেষ পরিবর্তন। এর
আগে পর্তুগাল দলের আক্রমণভাগ ঢেলে সাজাতে ব্রুনো ফার্নান্দেস, পেড্রো নেতো, ভিটিনহা এবং জোয়াও কানসেলোর পরিবর্তে যথাক্রমে নেলসন সেমেদো, রামোস, বার্নার্ডো সিলভা ও ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওকে মাঠে নামিয়েছিলেন মার্তিনেজ। এই জয়টি রোনালদো এবং লুকা মদ্রিচ উভয়ের জন্যই এক ঐতিহাসিক রাতে পরিণত হয়েছে, কারণ তাঁরা বিশ্বকাপে দীর্ঘকাল খেলার নতুন রেকর্ড গড়েছেন। ৪১ বছর ১৪৭ দিন বয়সে রোনালদো বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ শুরু করা সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ড খেলোয়াড় হয়েছেন। তাঁর রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সতীর্থ ও ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক মদ্রিচ ৪০ বছর ২৯৬ দিন বয়স নিয়ে এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। উভয়েই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ফরোয়ার্ড এডিন জেকোকে (৪০ বছর ১০৬ দিন) ছাড়িয়ে গেছেন, যিনি মাত্র একদিন
আগে সহ-আয়োজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছিলেন। রোনালদো বিশ্বকাপে তাঁর ২৬তম ম্যাচ খেলে লিওনেল মেসির পেছনে থেকে সর্বকালের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। এ ছাড়া, চলতি টুর্নামেন্টের শুরুতেই তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য কীর্তি অর্জন করেছিলেন।



