লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে শেষ হলো রপ্তানির বছর – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ জুলাই, ২০২৬

লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে শেষ হলো রপ্তানির বছর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ জুলাই, ২০২৬ |
রপ্তানি আয়ে লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে থেকে শেষ হয়েছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর। বিদায়ী অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৮.০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ০.৫৮ শতাংশ কম। যদিও অর্থবছরের শেষ মাস জুনে রপ্তানিতে প্রায় ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে, যা খাতটিতে আংশিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.০২ বিলিয়ন ডলারে। আগের অর্থবছরে এ আয় ছিল ৪৮.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ২৮ কোটি ডলার। অথচ সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার।

ফলে টানা দ্বিতীয় অর্থবছরের মতো রপ্তানি আয়ে লক্ষ্যমাত্রা ও প্রকৃত অর্জনের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়ে গেল। বছরের শেষ প্রান্তিকে অবশ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। জুন মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪২০ কোটি ২৭ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫.৯১ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুনে এ আয় ছিল ৩৩৩ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। এর ফলে এপ্রিল, মে ও জুন—টানা তিন মাস রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর আগে টানা আট মাস রপ্তানি আয় নিম্নমুখী ছিল। সংশ্লিষ্টদের মতে, বছরের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়াদেশ বাড়া এবং কিছু চালান জুনে সম্পন্ন হওয়ায় এই প্রবৃদ্ধি এসেছে। তবে এই গতি ধরে রাখতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, জ্বালানি সরবরাহ

স্থিতিশীল রাখা এবং সামগ্রিক ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন জরুরি বলে মনে করছেন তারা। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, জুনের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও পুরো অর্থবছরের চিত্রই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষ্য, লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়া এবং রপ্তানি আয় কমে যাওয়া দেখায় যে বৈশ্বিক বাজারের দুর্বলতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধু তৈরি পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই উচ্চমূল্যের শিল্পপণ্য, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য ও প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বাজারে প্রবেশ এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরাবরের মতো

রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস ছিল তৈরি পোশাক খাত। জুনে এ খাতের রপ্তানি বেড়েছে ২১.৫২ শতাংশ। মাসটিতে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৩৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। এর মধ্যে নিট পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১৯.৪৯ শতাংশ এবং ওভেন পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ২৪.০২ শতাংশ। পুরো অর্থবছরে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৩৮.৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি। পোশাকের বাইরে অন্যান্য খাতেও জুনে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৪৭.৬৮ শতাংশ, পাট ও পাটজাত পণ্যে ৭৬.৬০ শতাংশ, হোম টেক্সটাইলে ৫৯.৯৫ শতাংশ, প্রকৌশল পণ্যে ৪৪.৭৪ শতাংশ এবং কৃষিপণ্যে ৪৬.৭৭ শতাংশ। রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, অর্থবছরের শেষ দিকে ক্রয়াদেশ

বাড়লেও শুরুর দিকের ধীরগতি পুরো বছরের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তার মতে, শুধু ক্রয়াদেশ বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়; উৎপাদন ব্যয় কমানো, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
খোদ চাঁদপুরেই মধ্যবিত্তের নাগালের অনেক বাইরে সাধের ইলিশ, ডিমের কেজিও ৬ হাজার গ্যাস সংকটে অচল ট্যানারি: কোটি কোটি টাকার ক্ষতির মুখে দেশের চামড়া শিল্প রাষ্ট্রীয় স্থায়িত্ব ও রাষ্ট্রের প্রতি সেনাবাহিনীর আনুগত্য: ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা হেফাজতের শাপলা সমাবেশের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার ভারতীয় গরু নিয়ে টানাটানি: কুড়িগ্রামে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতীয় রুপিতে বাণিজ্যের প্রস্তাব রাশিয়ার, চোখ রাঙাচ্ছে ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জিততে বিএনপি দলীয় লোক দিচ্ছে: জামায়াত যশোরে পুলিশের যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’সহ গ্রেপ্তার ৪ হেফাজতে ইসলাম: মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলো সেক্যুলার ও ব্রাহ্মণ্যবাদের ধারাবাহিক অপপ্রচার মিরাজকে সরিয়ে ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন হাটহাজারীতে গুলিবর্ষণে চলন্ত গাড়ির পেছনের সিট ঝাঁঝরা, ভাগ্যক্রমে বাঁচলেন সাংবাদিক ঢাবির ‘নীল দলের’ ২৩১ শিক্ষকের বিচার চাইলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা তীব্র গ্যাস সংকটে একে একে বন্ধ হচ্ছে আশুগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের শিল্প কারখানা দেশের গ্যাস সরবরাহ খাত ১৩ বছরের জন্য মার্কিন কোম্পানির হাতে তুলে দিল সরকার বাংলাদেশকে টনপ্রতি ১০ ডলার কমে সার বিক্রির প্রস্তাব রাশিয়ার, মার্কিন অনুমতি নিয়ে শঙ্কা এলাকার সবচেয়ে ভালো ছেলেটা শিবির করে: জুবায়ের কেমন শিবির? আর্জেন্টিনার খেলার সঙ্গে ফুটবলের সম্পর্ক দেখেন না জার্মান তারকা “রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে গেলেই মিলবে ফ্যামিলি কার্ড”: দরিদ্র নারীকে বিএনপি নেতার আশ্বাস আন্তর্জাতিক ফুটবলকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানালেন নেইমার ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ডের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের